তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

তথ্যবিবরণী ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর :  ৪৪০৪

 

বাংলাদেশ বিশ্ব পর্যটন সংস্থার কমিশন ফর সাউথ এশিয়ার ভাইস চেয়ার নির্বাচিত

 

ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :

 

          বাংলাদেশ বিশ্ব পর্যটন সংস্থা (UNWTO)-এর কমিশন ফর সাউথ এশিয়ার ২০২১-২০২৩ মেয়াদে দুই বছরের জন্য  সর্বসম্মতিক্রমে ভাইস-চেয়ার নির্বাচিত হয়েছে।

 

          আজ বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মহাসচিব জুরাব পোলোলিকাশভিলি (Zurab Pololikashvili)-এর সভাপতিত্বে এর সদস্য দেশসমূহের অংশগ্রহণে কমিশন ফর এশিয়া প্যাসিফিক ও কমিশন ফর সাউথ এশিয়ার যৌথভাবে আয়োজিত ভার্চুয়াল সম্মেলনে বাংলাদেশ ভাইস-চেয়ার হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বাংলাদেশের পাশাপাশি ইরান Commission for South Asia (CSA) এর ভাইস-চেয়ার নির্বাচিত হয়েছে।  এর আগে ২০১৯-২০২১ মেয়াদে কমিশন ফর সাউথ এশিয়ার ভাইস চেয়ার ছিল ভারত ও শ্রীলঙ্কা। উল্লেখ্য, বিশ্ব পর্যটন সংস্থা জাতিসংঘের পর্যটন বিষয়ক বিশ্ব সংস্থা। ৬টি আঞ্চলিক সংগঠনের সমন্বয়ে UNWTO এর কার্যক্রম পরিচালিত হয় যার মধ্যে CSA অন্যতম।

 

          বাংলাদেশের এই অর্জনে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী বলেন, বিশ্ব পর্যটন সংস্থার কমিশন ফর সাউথ এশিয়ায় ভাইস চেয়ার পদে  নির্বাচিত হওয়ায় বাংলাদেশ এই অঞ্চলের পর্যটন ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্বের স্থানে আসীন হলো।

         

#

 

তানভীর/সাহেলা/এনায়েত/সঞ্জীব/সেলিম/২০২১/২২২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ৪৪০৩

পূর্বাচল পানি সরবরাহ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :

          গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ আজ রাজধানীর অদূরে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় পানি সরবরাহের জন্য পূর্বাচল পানি সরবরাহ পিপিপি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন ।

          পূর্বাচল প্রকল্প এলাকায় দৈনিক ৩৪০ মিলিয়ন লিটার পানি সরবরাহের জন্য এ প্রকল্পের আওতায় ৩২০ কিলোমিটার পাইপলাইন নেটওয়ার্ক স্থাপন, ১৫ টি গভীর নলকূপ স্থাপন, একটি প্রশাসনিক ভবন ও একটি ওয়ার্কশপ নির্মাণ করা হবে। গভীর নলকূপ থেকে প্রতিদিন ৩০ মিলিয়ন লিটার পানি সরবরাহ করা হবে। মোট চাহিদার বাকি ৩১০ মিলিয়ন লিটার পানি সরবরাহের জন্য ঢাকা ওয়াসার সাথে আলোচনা চলছে।

          প্রকল্পের মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০২১ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত। এর মধ্যে ২০২১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত চার বছর কনস্ট্রাকশন এবং ২০২৪ থেকে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত মোট ১১ বছর অপারেশন ও মেনটেইনেন্স এর জন্য নির্ধারিত রয়েছে।

          উল্লেখ্য, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউক পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ এর ভিত্তিতে প্রথমবারের মতো এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯২ কোটি টাকা যার মধ্যে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ২৯৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং প্রাইভেট পার্টনার হিসেবে United Delcot Water Ltd. বাকি ব্যয়ভার বহন করবে।

          এ প্রকল্পের মাধ্যমে জুন ২০২২ এর মধ্যে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকার ১-৫ নম্বর সেক্টরে এবং জুন ২০২৫ এর মধ্যে পর্যায়ক্রমে সকল সেক্টরে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের টপোগ্রাফিক সার্ভে, বিএম ইনস্টলেশন, জিওটেকনিক্যাল সার্ভে, পাইপলাইন নেটওয়ার্ক ডিজাইন এবং মৃত্তিকা পরীক্ষা সমাপ্ত হয়েছে।

          এছাড়া প্রতিমন্ত্রী পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প এলাকায় প্রগতি উচ্চ বিদ্যালয় ভবন, পল খান উচ্চ বিদ্যালয় এবং পূর্বাচল আদর্শ বিদ্যালয় ও কলেজ ভবন নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং বিদ্যালয় এলাকায় একটি করে ঔষধি, বনজ ও ফলদ বৃক্ষ রোপণ করেন।

          গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: শহীদ উল্লা খন্দকার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব ও পিপিপি কার্যক্রমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা আফরোজ, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এবিএম আমিন উল্লাহ নূরীসহ মন্ত্রণালয় ও রাজউকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

রেজাউল/সাহেলা/এনায়েত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২১/২১০০ঘণ্টা 

Handout                                                                                                                      Number : 4402

Foreign Minister Momen Chairs the Commonwealth Ministerial Group on Guyana

Dhaka, 14 September : 

            Foreign Minister Momen Chairs the Commonwealth Ministerial Group on Guyana and reaffirms the proposal of the group for peaceful settlement of the dispute between Guyana and Venezuela through the intervention of the ICJ.

            Today, the Commonwealth Ministerial Group on Guyana met virtually. Foreign Minister Dr. A K Abdul Momen as Chair of the Group reiterated its firm and unswerving support for the maintenance and preservation of the sovereignty and territorial integrity of Guyana.  

            Bangladesh looks forward to steering the Commonwealth Ministerial Group on Guyana to reach a peaceful settlement of disputes through dialogue and international adjudication which also is in line with Bangabandhu Sheikh Mujibur RahmanÕs visionary Foreign Policy doctrine, said Foreign Minister Momen while chairing the second meeting of the Commonwealth Ministerial Group on Guyana under Bangladesh's chairmanship. Foreign Minister assured that as Chair, Bangladesh would steer the deliberations of this Ministerial Group's work towards a peaceful settlement of the territorial dispute between Guyana-Venezuela. 

            Bangladesh took over the chairmanship from South Africa for this Ministerial Group. Bangladesh Foreign Minister attended the meeting for the second time during his tenure as a Chair. The Group is currently overseeing the long-standing territorial dispute between the British Guyana and Venezuela over their maritime territory. 

            Commonwealth Secretary-General Baroness Patricia Scotland and Foreign Ministers of Antigua and Barbuda, Canada, Guyana, Jamaica and the UK were present in the meeting. 

#

Tohidul/Sahela/Sanjib/Joynul/2021/2040 hours

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ৪৪০১
 
প্যারা অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত
 
ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :
আজ সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্যারা অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশ দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ন্যাশনাল প্যারা অলিম্পিক কমিটি অভ্ বাংলাদেশ (এনপিসি)-এর সাথে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল।  
সভাপতির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত তিনটি প্যারা অলিম্পিক গেমসে বাংলাদেশ দল কিছু আইনি জটিলতায় অংশগ্রহণ করতে পারে নাই। সকল জটিলতার নিরসন করে প্যারা অলিম্পিক গেমসসহ কমনওয়েলথ ও এশিয়ান প্যারা অলিম্পিকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। 
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা অত্যন্ত মেধাবী উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার স্পোর্টসের উন্নয়নের পাশাপাশি প্যারা স্পোর্টস এর উন্নয়নে সমান্তরালভাবে কাজ করছে। যার ফলে বাংলাদেশ সর্বশেষ স্পেশাল ওয়ার্ল্ড অলিম্পিক গেমসে ২২টি স্বর্ণপদকসহ ৩৮টি পদক অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে। 
সভায় এ বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল প্যারা অলিম্পিক কমিটি (আইপিসি)’এর জেনারেল এসেম্বলিতে এনপিসি যাতে সদস্যপদ লাভ করতে পারে সে বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হয় এবং মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (ক্রীড়া -১) কে প্রধান করে  ৫ সদস্য বিশিষ্ট  একটি কমিটি গঠন  করে দেওয়া হয়। কমিটিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সার্বিক বিষয়  বিবেচনা করে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। 
#
আরিফ/সাহেলা/এনায়েত/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২১/২১৫৫ঘণ্টা 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর :  ৪৪০০

 

বিএনপির জন্মটাই পেছনের দরজা দিয়ে এবং সেকারণেই

তারা সবসময় পেছনের দরজা খোঁজে

                                       -- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :

          আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, 'বিএনপির উদ্দেশ্য নির্বাচন নয়, দেশে একটি গন্ডগোল লাগিয়ে পেছনের দরজা দিয়ে কিছু করা যায় কি না, সেই অপচেষ্টা। বিএনপির জন্মটাই পেছনের দরজা দিয়ে এবং সেকারণেই তারা সবসময় পেছনের দরজা খোঁজে।'

          মন্ত্রী আজ রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ প্রচার সেলে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে নির্বাচন নিয়ে বিএনপির মন্তব্যের জবাবে একথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বিএনপি ২০১৪ সালেও নির্বাচন বানচাল করতে চেয়েছিল, পাঁচশ' ভোটকেন্দ্র পুড়িয়ে, নির্বাচন কর্মকর্তাসহ মানুষ পুড়িয়েও পারেনি, ভোট হয়েছে। ২০১৮ সালেও প্রথমে বয়কট ও পরে অংশ নেয় তারা। সাড়ে ১২ বছর ধরে তাদের তর্জন-গর্জন শুনে আসছি, খালি কলসি বাজে বেশি।'

          বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা শাখা থেকে ১১ জন সাংবাদিক নেতার ব্যাংক হিসাব খতিয়ে দেখার উদ্যোগ সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, 'পত্রিকায় এটি দেখেছি। সরকার এটি দেখতেই পারে, কিন্তু কী কারণে এটি করা হলো সেবিষয়ে আমি খোঁজ নেব।'

          দীর্ঘদিন অপ্রকাশিত ১০টি দৈনিক পত্রিকার ঘোষণাপত্র বাতিলাদেশ বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, প্রায় চারশ' পত্রিকা চরম অনিয়মিত রয়েছে, যারা প্রায় দু'বছর চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদফতরে পত্রিকা জমা দেয়নি। এগুলো ভূতুড়ে পত্রিকা, যেদিন বিজ্ঞাপন পায় সেদিন কয়েক কপি ছাপে আর অনেকে অল্প কয়েক কপি ছেপে শুধু তথ্য মন্ত্রণালয় আর কিছু গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে দেয়। ভূতুড়ে পত্রিকার কী প্রয়োজন সেটিই প্রশ্ন এবং এগুলো বন্ধের দাবি সাংবাদিকদেরই।     

          এর আগে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্তির অকুতোভয় প্রাণ মাস্টারদা সূর্যসেন এবং প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার স্মরণে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত 'চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠন ১৯৩০ এবং তারুণ্যের প্রেরণা' শীর্ষক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ। সূর্যসেন, প্রীতিলতা এবং তাদের সহযোগী বিপ্লবীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তাদের দেশপ্রেম বাল্যকাল থেকেই তাকে দেশ ও মানুষের জন্য কাজে প্রেরণা যুগিয়েছে।

          ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাইস্বামীর সভাপতিত্বে ও সহযোগী সংস্থা ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক ড. নীপা চৌধুরীর সঞ্চালনায় আসাদুজ্জামান নূর এমপি, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীন আখতার, চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রদীপ ঘোষ এবং ইয়ুথ অপরচুনিটি সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ড. ওসামা বিন নূর ওয়েবিনারে বক্তব্য রাখেন।

          পরে মন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে পাবনা জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সাথে সভায় যোগ দেন। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমানের সভাপতিত্বে দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল, পাবনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রেজাউর রহিম লাল, সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স এমপি প্রমুখ সভায় বক্তব্য রাখেন।

#

আকরাম/সাহেলা/এনায়েত/সঞ্জীব/সেলিম/২০২১/১৯২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ৪৩৯৯

 

অশ্লীল চলচ্চিত্র প্রদর্শনকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা ও মালামাল জব্দ

 

ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :

          সাতক্ষীরায় দু’টি সিনেমা হলে অশ্লীল চলচ্চিত্র প্রদর্শনকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা ও মালামাল জব্দ করে। বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের তথ্য মতে জানা যায় যে, সাতক্ষীরায় সঙ্গীতা এবং লাবনী সিনেমা হলের ভিতরে-বাইরে অনুমোদনহীন অশ্লীল ছবি ও অশোভন পোস্টার প্রদর্শন করায় গতকাল সিনেমা হল দু’টিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়।

          মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে দু’টি হলেই অশ্লীল কাটপিস প্রদর্শনের সত্যতা পাওয়া যায়। এসময় লাবনী সিনেমা হল কর্তৃপক্ষকে নগদ অর্থ জরিমানা ও সিনেমা প্রদর্শনের সরঞ্জাম এবং সঙ্গীতা সিনেমা হলের সিনেমা প্রদর্শনের সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।

#

মোজাম্মেল/সাহেলা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২১/২১১০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর :  ৪৩৯৮

 

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

 

ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :

 

            স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩১ হাজার ৭২৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ২ হাজার ৭৪ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ ৩৪ হাজার ৪৪০ জন। 

          গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জন-সহ এ পর্যন্ত ২৭ হাজার ৭ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন।

          করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৮৬ হাজার ৬৬৮ জন।

#

ফেরদৌস/সাহেলা/সঞ্জীব/সেলিম/২০২১/১৮.৪০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                         নম্বর : ৪৩৯৭

বাংলাদেশ-নেপাল জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির ৩য় বৈঠকে

দু’দেশের বিদ্যুৎ খাতে অধিকতর সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বারোপ

ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :

            বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-নেপাল জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির ৩য় সভা আজ উভয় দেশের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দু’দেশের বিদ্যুৎ খাতে অধিকতর সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়। জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির সভায় বাংলাদেশের পক্ষে বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মোঃ হাবিবুর রহমান এবং নেপালের পক্ষে বিদ্যুৎ, পানি সম্পদ ও সেচ সচিব দেবেন্দ্র কার্কি নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।

            স্টিয়ারিং কমিটির সভায় নেপালে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের বিপুল সম্ভাবনা এবং উভয় দেশের বিদ্যুতের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এই সম্ভাবনা কাজে লাগানোর বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উভয় দেশের মধ্যে ঋতুভেদে বিদ্যুৎ চাহিদার তারতম্যের আলোকে পারস্পরিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যের বিষয়টি সভায় গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হয়। নেপালে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা ও বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের নেপালের বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিনিয়োগের বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, নেপাল সরকার সেদেশে সম্ভাব্য যে ৫টি জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চিহ্নিত করেছে তার কোনটিতে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের সুযোগ থাকবে সে বিষয়ে নেপালের চলমান সমীক্ষার পর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। সভায় জানানো হয়, নেপালে বিদ্যুৎ কেন্দ্রে অর্থায়ন ও যৌথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সম্ভাব্য প্রকল্প চিহ্নিত করা, উভয় দেশের মধ্যে বিদ্যুৎ আমদানি-রপ্তানির পন্থা নির্ধারণ এবং আন্তঃদেশীয় বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত জয়েন্ট টেকনিক্যাল টিম (জেনারেশন) ও জয়েন্ট টেকনিক্যাল টিম (ট্রান্সমিশন) কাজ করছে। তবে সঞ্চালন লাইনের অংশ বিশেষ ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে নির্মিত হবে বিধায় বাংলাদেশ-ভারত-নেপাল ত্রিপক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে বিষয়টি নির্ধারণ হবে বলে সভায় মত প্রকাশ করা হয়। এসময় নেপালের পক্ষ থেকে বর্তমান সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে ভারতের মাধ্যমে নেপাল থেকে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে রপ্তানির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

            ভারতের জিএমআর গ্রুপ কর্তৃক নেপালে বাস্তবায়িতব্য ৯০০ মেগাওয়াট আপার কার্নালী জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুৎ থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বাংলাদেশে আমদানির অগ্রগতির বিষয়ে সভায় আলোচনা হয়। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, জিএমআর এবং এনভিভিএন এর মধ্যে এ সংক্রান্ত স্বাক্ষরিতব্য চুক্তিটি চূড়ান্তকরণের প্রক্রিয়ায় রয়েছে মর্মে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

            সভায় বাংলাদেশ ও নেপালে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্প্রসারণের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়ে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতার বিষয় পর্যালোচনা হয়। সভায় বাংলাদেশের সোলার হোম সিস্টেম কার্যক্রম ও নেট মিটারিং কার্যক্রমের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা ও কার্যক্রম গ্রহণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের SREDA এবং নেপালের Alternative Energy Promotion Centre এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। 

            জেএসসি সভায় বিদ্যুৎ খাতে ক্যাপাসিটি বিল্ডিং এর কার্যক্রম গ্রহণের বিষয়ে উভয় দেশ সম্মতি প্রকাশ করে। এসময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিপিএমআই এর প্রশিক্ষণ সক্ষমতার বিবরণ তুলে ধরা হয়।

            প্রসঙ্গত, গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতা সংক্রান্ত বাংলাদেশ-নেপাল জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভা ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ-নেপাল জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ ও জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির ২য় সভা ২০১৯ সালের জুন মাসে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশ-নেপাল জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপ ও জয়েন্ট স্টিয়ারিং কমিটির ৪র্থ সভা ২০২২ সালে নেপালে অনুঠিত হবে।

#

আসলাম/সাহেলা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২১/১৮৪৫ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর :  ৪৩৯৬

 

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব শিক্ষার্থীদের আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের

মধ্যে সুরক্ষা অ্যাপে টিকার নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে

ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :

            দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সব শিক্ষার্থীদের আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সুরক্ষা অ্যাপে টিকার নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। টিকার নিবন্ধন সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে গিয়ে টিকা নিতে পারবেন। চাইলে সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বরের পর যেকোনও দিন বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দিতে পারবে।

            আজ শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সাথে এক বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  শিক্ষা উপমন্ত্রী  মোঃ মহবিুল হাসান চৌধুরী, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের প্রতিনিধি,  মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা  বিভাগের  সচিব  মোঃ মাহবুব হোসেন,  স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া,  পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ,  বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক, কোভিড-১৯  বিষয়ক জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা সহ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ যুক্ত ছিলেন।

            বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরুর লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকের সিদ্ধান্তে জানানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের  শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাইকেই টিকার নিবন্ধন আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে। যেসব শিক্ষার্থীর  এনআইডি আছে অথচ টিকার নিবন্ধন এখনো করেননি তারা ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সুরক্ষা অ্যাপে টিকার নিবন্ধন সম্পন্ন করে টিকা নেবেন।

            আর যেসব শিক্ষার্থীর  এনআইডি নেই তারা জন্মসনদ ব্যবহার করে নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে শিক্ষার্থী হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ওয়েবলিংকে প্রবেশ করে শিক্ষার্থী নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। শিক্ষার্থী নিবন্ধন সম্পন্ন করার পর সুরক্ষা অ্যাপে টিকার নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

            আর যাদের জন্ম সনদও নেই তারা আগে জন্ম সনদ করে নিয়ে তারপর শিক্ষার্থী নিবন্ধন সম্পন্ন করবেন। শিক্ষার্থী নিবন্ধনের পর সুরক্ষা অ্যাপে টিকার নিবন্ধন করে বাধ্যতামূলকভাবে টিকা নিতে হবে।

            বৈঠকে সিদ্ধান্তে বলা হয়, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নামে শিক্ষার্থীদের টিকার নিবন্ধন সম্পন্ন করতে ইউজিসি ওয়েবলিংকে প্রবেশ করে জন্ম সনদ নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে শিক্ষার্থী হিসেবে নিবন্ধন করতে হবে। ইউজিসির এই লিংক সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটেও শিক্ষার্থী নিবন্ধন লিংক পাওয়া যাবে। ইউজিসি আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এ লিংকটি প্রকাশ করবে।

            যদি কোনো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ বছরের নিচে হয় সে ক্ষেত্রেও জন্ম সনদ ব্যবহার করে শিক্ষার্থী নিবন্ধন সম্পন্ন করে সুরক্ষা অ্যাপে নিবন্ধন করতে পারবেন।

            টিকার নিবন্ধন সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে গিয়ে টিকা নিতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের দ্রুত টিকা দেওয়া সম্পন্ন করতে কারিগরি সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

            বৈঠকে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা তাদের মতামত তুলে ধরেন। কত দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়া যায় সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো তাদের একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নিবে বলে সভায় জানানো হয়।

#

খায়ের/সাহেলা/সঞ্জীব/সেলিম/২০২১/১৮:০০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৪৩৯৫

 

জলবায়ু পরিবর্তনে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক গৃহের ব্যবস্থা করবে সরকার

                                                                                                                  -- পরিবেশমন্ত্রী

 

ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :

 

          পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিবিধ ঝুঁকি মোকাবিলায়  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায়  গঠিত জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে এ যাবৎ ৩ হাজার ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮০০টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসকল প্রকল্পের মাধ্যমে শুধু উপকূলীয় এলাকারই প্রায় তিন কোটি মানুষ উপকৃত হয়েছে।  তিনি বলেন, ভবিষ্যতে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গৃহহীনদের জন্য অধিক হারে গৃহনির্মাণ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার।

 

          আজ ঢাকায় মহাখালীস্থ পুরাতন বন ভবনে বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের কর্মকর্তাদের সাথে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

          মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট যাতে স্বাবলম্বীভাবে কাজ করতে পারে সেজন্য আইন সংশোধন,  মাঠপর্যায়ে অফিস স্থাপন এবং পর্যাপ্ত সংখ্যক জনবল নিয়োগ-সহ প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মন্ত্রী ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে নির্মিত সাইক্লোন সেল্টার কাম প্রাথমিক বিদ্যালয় ৪ তলা ভিত্তির উপর নির্মাণ করার এবং বজ্রপাত পূর্বাভাস সিস্টেম সারাদেশে স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

          জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ট্রাস্টের সচিব নাসির-উদ-দৌলা, পরিচালক মুহ. খায়রুজ্জামান,  বন অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের বন সংরক্ষক আর এস এম মুনিরুল ইসলাম এবং ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক শাকিলা ইয়াসমিন বক্তব্য রাখেন।

 

          মতবিনিময় সভার পূর্বে মন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে বাস্তবায়িত বিভিন্ন কার্যক্রমের আলোকচিত্র প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

 

#

দীপংকর/সাহেলা/সঞ্জীব/সেলিম/২০২১/১৭:৩৫ ঘণ্টা

 

Handout                                                                                                          Number : 4394

 

The government will provide houses for those affected by climate change
                                                                        -- Minister of Environment
 

Dhaka, September 14 :


            Environment, Forest and Climate Change Minister Md. Shahab Uddin said the present government led by Prime Minister Sheikh Hasina is working sincerely to address various risks related to climate change. So far, 800 projects have been undertaken at a cost of Tk 3,800 crore with the funding of the Climate Change Trust Fund.  About 30 million people in the coastal areas alone have been benefited from these projects.  He said the government would take steps to build more houses in future for the homeless due to climate change.


            The Environment Minister was speaking as the chief guest at an view exchange meeting with officials of the Bangladesh Climate Change Trust at the Old  Forest  Building  in Mohakhali today.


            The Environment Minister said all necessary steps would be taken to amend the law, set up field offices and recruit adequate manpower so that the Climate Change Trust could function independently. The Minister directed the concerned to construct the Cyclone Shelter Cum Primary School on a 4-storey foundation and to set up a lightning forecast system across the country.

            The meeting was chaired by Masud Ahmed, Managing Director of the Climate Change Trust while Nasir-ud-Daulah, Secretary of the Trust;  Md. Khairuzzaman, Director, S  M  Munirul Islam, Conservator of the Forest Department and Shakila Yasmin, Assistant Director of the Trust spoke on the occasion.


            Prior to the meeting, the Minister visited the photo Exhibition of various activities implemented with the funding of the Climate Change Trust Fund and gave instructions to the concerned on various issues.

#

Dipankar/Sahela/Sanjib/Salim/2021/17.30 Hrs

তথ্যবিবরণী                                                                                             নম্বর : ৪৩৯৩

'নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকার বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে'

                                        -ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা

ঢাকা, ৩০ ভাদ্র (১৪ সেপ্টেম্বর) :

          'সরকার নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা তৈরিতে বহুমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। যা জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার ২০৪১ সালে কর্মস্থলে নারীর অংশগ্রহণ ৫০:৫০ উন্নীত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা।

          প্রতিমন্ত্রী আজ চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ এলাকায় মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালকের কার্যালয় ও প্রস্তাবিত ভবন নির্মাণ স্থান পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, আর্থিক সহায়তা, সামাজিক নিরাপত্তা ও পণ্য বিপনন নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা করছে। সকল বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় বহুমুখী কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হচ্ছে। আমি ২০১৯ সালে এখানে এসে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের বহুতল ভবন নির্মাণের ঘোষণা করেছিলাম। প্রথম ফেজেই চট্টগ্রামে দশ তলা ভবন নির্মাণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। এই ভবনে প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল, ডে-কেয়ার সেন্টার ও নারী উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্যের বিক্রয় কেন্দ্র থাকবে। যার মাধ্যমে চট্টগ্রামের নারীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবে '। 

          বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সরকারের চলমান কার্যক্রম বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী ইন্দিরা বলেন, 'বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে জাতীয়, বিভাগীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে কমিটি কাজ করছে। সচেতনতামূলক কার্যক্রম বৃদ্ধি ও সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজ থেকে বাল্যবিয়ে নির্মূল করা সম্ভব হবে'।  

          প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা পরে মন্ত্র

2021-09-14-16-32-d4562ceb5a380f6a54285de09325aca8.doc 2021-09-14-16-32-d4562ceb5a380f6a54285de09325aca8.doc

Share with :

Facebook Facebook