তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২১st নভেম্বর ২০২১

তথ্যবিবরণী ২১ নভেম্বর ২০২১

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর: ৫৫১৪

রাষ্ট্রপতির সাথে তিন বাহিনীর প্রধানগণের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর):

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদের সঙ্গে আজ বঙ্গভবনে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দীন আহমেদ, নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান সাক্ষাৎ করেন। 

          সাক্ষাৎকালে তিন বাহিনীর প্রধানগণ করোনা প্রেক্ষাপটে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ তাদের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আশা করেন এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

          রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম, রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মোঃ জয়নাল আবেদীন এবং সচিব (সংযুক্ত) মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

#

ইমরানুল/পাশা/সঞ্জীব/আব্বাস/২০২১/২০৪৬ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                            নম্বর : ৫৫১৩

দ্য ইউনাইটেড নেশনস সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফ্রেমওয়ার্ক ২০২২-২০২৬ প্রকাশিত

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :   

আজ ঢাকায় এনইসি-২ সম্মেলন কক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়ের উদ্যোগে দ্য ইউনাইটেড নেশনস সাস্টেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফ্রেমওয়ার্ক (ইউএনএসডিসিএফ) ২০২২-২০২৬ প্রকাশিত হয়েছে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই অনুষ্ঠানটি ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে হয়েছে।

এই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এবং পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবনের স্বপ্ন ছিল একটি দারিদ্র্য ও শোষণমুক্ত সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা। জাতির পিতার সেই অর্থনৈতিক দর্শন অনুসরণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বে করোনা পূর্ববর্তী গত এক দশক আমাদের গড়ে ৭ দশমিক ৪ শতাংশ অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। এমনকি অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ মহামারিকালে গত বছর যেখানে বৈশ্বিক অর্থনীতি ৩ শতাংশ সংকুচিত হয়েছে, এমন ক্রান্তিকালেও বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশ শীর্ষ পাঁচটি সহনশীল অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে। অতি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সভার টেকসই উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২০২১-এ আমাদের উন্নয়ন প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে এসডিজি প্রগ্রেস অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করেছে। স্বাধীনতার লগ্ন থেকেই জাতিসংঘ বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি ও বিশ্বস্ত অংশীদার এবং আমাদের সার্বিক উন্নয়ন অর্জনে এই সংস্থা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। মহামারির ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে এবং ২০৩০ এজেন্ডা অর্জনে আবারও গতি অর্জনে এই ফ্রেমওয়ার্ক ভূমিকা রাখবে। জাতিসংঘ বাংলাদেশকে তার অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে সহযোগী হিসাবে পূর্বের ন্যায় কাজ করবে বলে অর্থমন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন।

স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, দেশ এলডিসি থেকে উত্তরণ হতে চলেছে। ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশ হওয়ার লক্ষ্য অর্জন এবং এই উন্নয়নের সুবিধাসমূহ যেন সবাই সমানভাবে পায়, তা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব। বাংলাদেশের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীগুলোর জীবনে বাস্তব ও টেকসই পরিবর্তন আনার লক্ষ্য অর্জনে এই ফ্রেমওয়ার্ক কাজ করবে।

উক্ত প্রকাশনা অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমা, বাংলাদেশে জাতিসংঘের সংস্থাগুলোর প্রধানগণ, নিউইয়র্কে ইউএন ডেভেলপমেন্ট কোঅরডিনেশন অফিসের পরিচালক রবার্ট পাইপারও পূর্ব-ধারণকৃত বক্তব্য রাখেন।

          বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন এবং জাতিসংঘের পক্ষে আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো যৌথভাবে মোড়ক উন্মোচনের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

#

তৌহিদুল/পাশা/সঞ্জীব/শামীম/২০২১/২০১০ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                                                  নম্বর :  ৫৫১২

সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে স্মারক

ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

 

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :   

          সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী ২১ নভেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে ‘বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার ফোর্সেস’-এর সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী-এর সদস্যগণের সহযোগে গঠিত হয়ে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী অস্তিত্ব লাভ করে। সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ডাক অধিদপ্তর দশ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকিট, দশ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫ (পাঁচ) টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর প্রকাশ করেছে। 

            ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আজ ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে স্মারক ডাকটিকিট ও উদ্বোধনী খাম অবমুক্ত করেন এবং  ডাটাকার্ড প্রকাশ করেন। মন্ত্রী এই সময় বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করেন। সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে মন্ত্রী বিবৃতি দিয়েছেন।

          ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ২১ নভেম্বর-কে স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে একটি মহান দিন উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলেন বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর থেকে। এই মহান দিনটির ৫০ বছর আগে যুদ্ধের ময়দানে বীরত্ব ও ত্যাগের মহিমা স্মারক ডাকটিকিটের মাধ্যমে  স্মরণীয় করে রাখতে পারা আমাদের জন্য খুবই গৌরবের। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোস্তাফা জব্বার বলেন, বাঙালি জাতিকে স্বাধিকার আদায়ে উদ্বুদ্ধ ও প্রস্তুত করে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাতে স্বাধীনতার ঘোষণা দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালি সেনা, ছাত্র, ও সাধারণ জনতা মিলে গড়ে তোলেন সামরিক বাহিনী। শুরু হয় দুর্বার মুক্তিযুদ্ধ। 

            মন্ত্রী বলেন, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনযুদ্ধ। মুক্তিযুদ্ধের মাঠেই বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর জন্ম হয়। জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী মনে-প্রাণে একাত্ম হয়ে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে। তার মধ্য দিয়ে জনগণের সঙ্গে সেনাবাহিনীর আত্মার ও রক্তের সম্পর্ক তৈরি হয়। বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী জাতির সাহস, আস্থা, আত্মবিশ্বাস এবং গর্বের প্রতীক উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,  বাংলাদেশের  জাতীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ অতি গুরুত্ববহ ও অপরিহার্য ভূমিকা পালন করছেন।  তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়েও তিনি তাঁর আজীবনের স্বপ্ন একটা আধুনিক ও গর্ব করার মতো সশস্ত্র বাহিনী গঠনের কাজ শুরু করেন। সেনাবাহিনীকে পুনর্গঠন করে ব্রিগেড পর্যায়ে উন্নীত করেন। সীমাহীন বৈদেশিক মুদ্রার সংকট সত্ত্বেও তিন বাহিনীর জন্য আধুনিক অস্ত্র সরঞ্জামাদি আনেন এবং সেনাবাহিনীর মর্যাদার প্রতীক বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। পঁচাত্তরের পর দেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া দীর্ঘ ২১ বছরের অপশাসনে সৃষ্ট পশ্চাদপদতা থেকে আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াবার সংগ্রাম চলছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নেতৃত্বে। গত ১৩ বছরে সশস্ত্র বাহিনী একটি আধুনিকতার মহাসড়কে ওঠে এসেছে। মন্ত্রী বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে লড়াই করে যাঁরা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছেন বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সেই সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর সম্মান এবং প্রগাঢ় শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

          স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মোঃ খলিলুর রহমান, সশস্ত্র বিভাগের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইকবাল আহমেদ, বিটিআরসি‘র ভাইস চেয়ারম‌্যান সুব্রত রায় মৈত্র  এবং ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সিরাজ উদ্দিন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন বিভিন্ন সংস্থা প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

          ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব ডাকটিকিট প্রকাশের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

#

শেফায়েত/পাশা/মোশারফ/শামীম/২০২১/১৯৫৪ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর :  ৫৫১১

বাংলালিংক এবং যমুনা অয়েল কোম্পানি লিঃ শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে লভাংশ জমা দিলো ৩ কোটি টাকা

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :                                                   

          মোবাইল কোম্পানি বাংলালিংক এবং যমুনা অয়েল কোম্পানি তাদের লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ প্রায়
৩ কোটি ১৩ লাখ টাকা শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে জমা দিয়েছে।

          আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ানের হাতে কোম্পানি দু’টির প্রতিনিধিগণ নিজ নিজ কোম্পানির পক্ষে গত এক বছরে তাদের কোম্পানির লভ্যাংশের চেক হস্তান্তর করেন।    বাংলালিংকের মানবসম্পদ এবং প্রশাসন বিভাগের প্রধান মনজুলা মোর্শেদ এর নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদল শ্রম প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের কোম্পানির গত এক বছরের লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ ১ কোটি ৬৯ লাখ ৪৫ হাজার ১৬২ টাকা এবং যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড এর মার্কেটিং বিভাগের জিএম মো. আইয়ুব হোসেন এর নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদল এক কোটি ৪৪ লাখ ২৬ হাজার ৮৭২ টাকার চেক প্রতিমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।

          বাংলাদেশ শ্রম আইন অনুযায়ী দেশি-বিদেশি কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানের বছর শেষে মোট লাভের ৫ ভাগের এক-দশমাংশ শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে জমা দেয়ার বিধান রয়েছে। আজ পর্যন্ত ১২০টি দেশি-বিদেশি এবং বহুজাতিক কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠান  প্রায় ৬’শ ১৩ কোটি টাকা জমা দিয়েছে।                                                              

    #                                                 

আকতার/পাশা/মোশারফ/শামীম/২০২১/১৮৫৭ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                            নম্বর : ৫৫১০

বিএনপি চায় খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকুক -ড. হাছান মাহমুদ

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :                                                   

          আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি’র উদ্দেশ্য বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য ভালো করা নয়, বিএনপি চায় বেগম জিয়া সবসময় অসুস্থ থাকুক। তাহলে উনারা সবসময় বলতে পারবেন তাকে বিদেশ পাঠাতে হবে। তারা বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করছেন, যেটি অনভিপ্রেত। 

          রোববার রাজধানীর বনানীতে একটি অভিজাত হোটেলে বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষে এসোসিয়েশন অভ টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-এটকো আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকশেষে বেগম জিয়াকে বিদেশে নিতে বিএনপির শনিবারের গণঅনশন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী একথা বলেন। 

          মন্ত্রী বলেন, 'গতকাল বেগম জিয়াকে বিদেশ নেয়ার জন্য নয়া পল্টনে তাদের কার্যালয়ের সামনেসহ বিভিন্ন জায়গায় গণঅনশন করা হয়েছে। নয়া পল্টনের কার্যালয়ের সামনে দোকানপাট থেকে খবর যেটি জানা যাচ্ছে, গণঅনশনের সময় সেখানে খাবারের দোকানগুলোতে ভালো বেচা-বিক্রি হয়েছে। সেখানে অনেক রাজনৈতিক নেতা বক্তব্য রেখেছেন যাদেরকে মানুষ রাজনীতিতে পরিত্যক্ত মনে করে। যারা রাজনীতিতে গুরুত্বহীন হয়ে গেছেন, তারা সেখানে গিয়ে অনেকেই তাদের গুরুত্বটা বাড়ানোর চেষ্টা করেছেন।' 

          ড. হাছান বলেন, 'আমার প্রশ্ন হচ্ছে বাংলাদেশে হাজার হাজার, লক্ষ লক্ষ মানুষের চিকিৎসা হয় এবং ভালো চিকিৎসা হচ্ছে। বাংলাদেশে বিশ্বমানের বেশ কয়েকটি হাসপাতালও হয়েছে। বেগম জিয়াকে তার হাঁটুর ব্যথার জন্য কিংবা পেটের অসুবিধার জন্য কেন বিদেশ পাঠাতে হবে।' 

          'কথায় কথায় তারা বেগম জিয়াকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে চাচ্ছেন, না কি বেগম জিয়া পালাতে চাচ্ছেন, সেটিই হচ্ছে প্রশ্ন' বলেন তথ্যমন্ত্রী। 

          ইতিপূর্বেও বেগম জিয়া যখন অসুস্থ হয়েছিলেন তখনও বিএনপি প্রতিদিন বেগম জিয়াকে 'বিদেশ পাঠাতে হবে, পাঠাতে হবে' এই জিকির তুলেছিল, কিন্তু তিনি দেশের ডাক্তারদের চিকিৎসায় ভালো হয়ে ঘরে ফেরত গিয়েছেন উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, অবশ্যই বেগম জিয়া সুস্থ থাকুক এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরত যান সেটিই আমি কামনা করি, তবে তার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি অনভিপ্রেত।

#

আকরাম/পাশা/মোশারফ/শামীম/২০২১/১৮৩৮ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                            নম্বর : ৫৫০৯

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ নিজ সংস্থাকে হজের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে

                                                                                              -ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :   

          ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান বলেছেন, আগামী হজ (২০২২ খ্রি./১৪৪৩হি.) সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থাকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিজ নিজ কার্যক্রম সম্পন্ন  করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী আজ (২১ নভেম্বর, ২০২১ খ্রি., রবিবার) সকাল ১১.০০ টায় ধর্ম  বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পবিত্র হজ ২০২২ খ্রি./১৪৪৩ হি. সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণের নিমিত্ত হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত অংশীজনদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। 

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোভিড -১৯ করোনা ভাইরাস মহামারি পরিস্থিতির কারণে ২০২০খ্রি./১৪৪১ হি. এবং ২০২১ খ্রি./১৪৪২ হি. সালে সৌদি আরবের বাইরের দেশ হতে হজযাত্রীগণ সৌদি আরব গমন করতে পারেননি। বর্তমানে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় পবিত্র ওমরাহ্ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ হতে বিপুল সংখ্যক ওমরাহ যাত্রী সৌদি সরকার প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধি ও অন্যান্য শর্তাবলী পালন সাপেক্ষে ওমরাহ পালন করছেন। 

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, আশা করা যায়, সার্বিক পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৮ জুলাই, ২০২২ খ্রি/ ৯ জিলহজ্জ ১৪৪৩ হিজরি পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে এবং বাংলাদেশি হজযাত্রীগণ হজে অংশগ্রহণ করবেন। 

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে সৌদি-বাংলাদেশ হজ চুক্তির পর বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে। তবে আগামী হজ সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে  হজের অনেক কার্যক্রমের প্রস্তুতি এখন থেকেই  শুরু করতে হবে। 

          প্রতিমন্ত্রী আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে জানান, ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর অনুরোধে সৌদি সরকার বাংলাদেশ হতে সিনোভ্যাক/সিনোফার্মা টিকা গ্রহণকারী ওমরাহ যাত্রীগণ বুস্টারডোজ ছাড়াই ওমরাহ্ পালন করতে পারবেন।

          বৈঠকে প্রাক-নিবন্ধনের বিদ্যমান অবস্থা, নিবন্ধিত হজযাত্রীদের বিদ্যমান অবস্থা, হজ প্যাকেজ, প্রাক নিবন্ধন ও নিবন্ধন কার্যক্রমের বর্তমান অবস্থা,  ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়, পাসপোর্ট, রোড টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ,  বাংলাদেশ হতে ওমরাহ্ পালনের নিমিত্ত সৌদি আরবে গমনকারী ব্যক্তিগণকে বুস্টারডোজ প্রদান, হজ যাত্রীদের জন্য টিকা ক্রয়, ইলেকট্রনিক হেলথ প্রোফাইল, হজের কার্যক্রম বিষয়ে প্রচার- প্রচারণা, হজ এজেন্সি নবায়ন ও তালিকা প্রকাশ সহ বিবিধ  বিষয়ের করণীয় নির্ধারণ করা হয়।

          ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী এনামুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে ধর্ম, স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন, স্বাস্থ্য, তথ্য, সিভিল এভিয়েশন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, হজ অফিস, ঢাকা ও জেদ্দা, পাসপোর্ট, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি), সোনালি ব্যাংক, ইসলামিক ফাউণ্ডেশন ও হজ্জ এজেন্সিস এসোসিয়েশন অভ্ বাংলাদেশ (হাব) সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর, সংস্থার প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

#

আনোয়ার/পাশা/সঞ্জীব/মোশারফ/শামীম/২০২১/১৯০০ ঘণ্টা  

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর :  ৫৫০৮

টেলিভিশন জীবন, সমাজ ও দেশ গঠনে কাজ করবে -বিশ্ব টিভি দিবসে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) :                                                   

          'টেলিভিশন শুধু বিনোদন বা সংবাদের জন্যই নয়, টেলিভিশন জীবন, সমাজ ও দেশ গঠনে কাজ করবে, সেটিই হোক বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে আমাদের লক্ষ্য' বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

          রোববার ২১ নভেম্বর বিশ্ব টেলিভিশন দিবস উপলক্ষ্যে এদিন দুপুরে রাজধানীর বনানীতে একটি অভিজাত হোটেলে এসোসিয়েশন অভ টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স-এটকো আয়োজিত 'বাংলাদেশে টেলিভিশন চ্যানেলের বিকাশ' গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন। 

          এটকো'র সভাপতি অঞ্জন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সহসভাপতি ডিবিসি২৪ চ্যানেলের চেয়ারম্যান ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সঞ্চালনায় বৈঠকে প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ, প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ নিজামুল হক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাছিমা বেগম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেন, বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান, আরটিভি'র ভাইস চেয়ারম্যান ও এফবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট মোঃ জসিম উদ্দিন, দেশ টিভি'র ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ হাসান, একুশে টিভি'র প্রধান নির্বাহী পীযুষ বন্দোপাধ্যায় ও মাছরাঙা টিভি'র বার্তাপ্রধান রেজওয়ানুল হক রাজা বক্তব্য রাখেন। এটকোর পরিচালকবৃন্দ ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মঞ্জুরুল আহসান বুলবুলসহ জ্যেষ্ঠ টিভি সাংবাদিকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।  

          বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে বৈঠক আয়োজনের জন্য এটকোকে ধন্যবাদ জানিয়ে  তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী তাঁর প্রাণবন্ত কথনে বলেন, 'বাংলাদেশে আগে একটি টেলিভিশন ছিলো, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রা শুরু করেছিলেন। আজকে একে একে ৩৪টি টেলিভিশন সম্প্রচারে আছে, আরো কয়েকটি প্রস্তুতি নিচ্ছে, ৪৫টির লাইসেন্স দেয়া আছে। সাংবাদিক, কলাকুশলী ছাড়াও টেলিভিশন শিল্পে সবমিলিয়ে প্রায় লাখখানেক মানুষ যুক্ত। আরো অনেকেই কন্টেন্ট ও বিজ্ঞাপন বানায় ও বিক্রি করে। প্রায় পাঁচ কোটি বাড়িতে টেলিভিশন আছে। প্রচন্ড ব্যস্ত মানুষটিও একটি সময় একটু হলেও টেলিভিশন দেখেন, আমিও দেখি। সবকিছু দেখার সময়-সুযোগ হয় না, খবর দেখি।' 

          টেলিভিশনকে মানুষের প্রাত্যহিক জীবনের একটি অংশ বর্ণনা করে ড. হাছান বলেন, 'অনেকের ঘরে টেলিভিশন না থাকলেও দেখা যায় চায়ের দোকানে বসে টেলিভিশনে নাটক, সিনেমা দেখছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি মানুষের জীবনের ওপর টেলিভিশনের একটা প্রভাব আছে। পুরো টেলিভিশন শিল্পটা জীবন গঠনে ভূমিকা রাখবে। টেলিভিশন জীবন, সমাজ, দেশ গঠনে এবং রাষ্ট্রকে লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য টেলিভিশন কাজ করবে, এটিই বিশ্ব টেলিভিশন দিবসে আমার প্রত্যাশা।' 

          'প্রধানমন্ত্রী টেলিভিশন লাইসেন্সগুলো একজন একজন করে দিয়েছেন, কোনো টেন্ডারের মাধ্যমে নয়' স্মরণ করিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী যাদেরকে উপযুক্ত মনে করেছেন তাদেরকে দিয়েছেন, যাতে দেশ, সমাজ, সাংবাদিকরা উপকৃত হবে এবং একইসাথে দেশ ও সমাজ গঠনে অবদান রাখতে সক্ষম হবে। তাই এ দিবসে আমার  বিনীত অনুরোধ, আমরা যেন দেশাত্মবোধ, মমত্ববোধ, মূলবোধ এবং মেধায় সমৃদ্ধ একটি নতুন প্রজন্ম গঠনে এই টেলিভিশন শিল্পকে কাজে লাগাতে পারি, সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করবো।'

          টেলিভিশন শিল্পের উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপগুলো নিয়ে মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, 'অনেক সমস্যা সমাধান হয়েছে এবং অনেক সমস্যা আছে। বাংলাদেশে বিদেশি যে কোনো চ্যানেল সম্প্রচার করতে পারে। তবে তাকে আইন অনুযায়ী ক্লিনফিড পাঠাতে হবে। বাংলাদেশের কেউ কেউ বিদেশি চ্যানেলগুলোর ফিড ক্লিন করার দায়িত্ব নেয়ার চেষ্টা করছে। এর প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। কারণ, আইন অনুযায়ী ক্লিনফিড পাঠানো বিদেশি চ্যানেলগুলোরই দায়িত্ব। তারা নেপাল, শ্রীলংকা, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পাঠায়, সেখানে বাজার অনেক ছোট। আর আমাদের দেশে পাঠাবে না, আমরা দায়িত্ব নিয়ে ক্লিনফিড করবো, তার প্রয়োজন নেই। ক্যাবল নেটওয়ার্কে টিভির ক্রম ঠিক ছিলো না, এখন হয়েছে। ক্যাবল অপারেটররা নিজেরাই বিজ্ঞাপন দেখাতো, সেগুলো বন্ধ করা হয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে এটি দেখভাল করার দায়িত্ব দিয়েছি।'

          বিদেশি শিল্পীদের দিয়ে বিজ্ঞাপন বানালে শিল্পীপ্রতি দুই লাখ টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দিতে হবে। এতে আমাদের শিল্পীরা উপকৃত হবে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, মানুষকে ভাবায়, কাঁদায় এমন অনেক দেশি বিজ্ঞাপন আছে। বিদেশি বিজ্ঞাপনকে ডাবিং করে এখানে প্রচার বন্ধ করার জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ে আলোচনা করেছি, পদক্ষেপ নেয়া হবে। ক্লিনফিড হওয়ার কারণে দেশের টেলিভিশন শিল্প যে পাঁচশ’ বা সাতশ’ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন হারাতো সেগুলো এখন দেশের টিভিগুলো পাওয়া শুরু করেছে।

          দেশে টেলিভিশনগুলোর রেটিং বা টিআরপি একটা সংস্থা করতো, অন্যান্য দেশে কিভাবে করা হয়, বিশেষ করে ভারতে কিভাবে করা হয় অনেকগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে আমরা একটা সিদ্ধান্তে এসেছি এবং খুব সহসা আমরা এতে শৃঙ্খলা আনবো, জানান তিনি। 

          ক্যাবল অপারেটিং সিস্টেম ডিজিটাল করা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, সেটি একদিনেই চট করে হয়ে যাবে না, সেটিকে আমরা ভাগ করে দিয়েছি। ঢাকা ও চট্টগ্রামে প্রথম, পরে মেট্রোপলিটন শহর, পুরনো জেলা শহর, তারপর অন্যান্য জেলা শহরগুলোতে করবো।  এজন্য সবার সহযোগিতা ও প্রচার প্রয়োজন, কারণ মানুষকে সেট টপ বক্স নিতে হবে। এতে সরকারের বক্তব্য স্পষ্ট। জনগণের ওপর যাতে অযাচিতভাবে বেশি টাকায় সেট টপ বক্স বিক্রি করা না হয় সেটা আমরা মনিটর করবো। 

          হাছান মাহমুদ জানান, গণমাধ্যমকর্মী আইন চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। খুব সহসা এটি জাতীয় সংসদে পৌঁছাতে পারবো আশা করি। এটি পাস হলে সম্প্রচার গণমাধ্যমের সাথে সংশ্লিষ্টদের আইনী সুরক্ষা প্রতিষ্ঠা সম্ভবপর হবে। সম্প্রচার আইনও আইন মন্ত্রণালয়ে আছে, তারা কাজ সমাধা করলেই সেটি আমাদের মন্ত্রণালয় হয়ে জাতীয় সংসদে যাবে। 

          তথ্যমন্ত্রী আরো বলেন, 'আরটিভির সিইও আশিক রহমান বলেছেন, বিভিন্ন টেলিফোন কোম্পানিগুলো তারা এন্টারটেইনমেন্ট কন্টেন্ট তৈরি করে ইউটিউব চ্যানেল হিসেবে সেগুলো চালাচ্ছে। তাদেরকে সেই লাইসেন্স দেয়া হয়নি। সেজন্য বিটিআরসি এবং টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে আমরা বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়েছি। তারপর তাদের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে। এটকোও চিঠি দিতে পারে। লাইসেন্সের শর্তভঙ্গ করে কেউ কিছু করবে সেটি হতে পারে না।'

          অপর বক্তাবৃন্দ দেশে টেলিভিশনকে বেসরকারি খাতে উন্মুক্ত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান এবং এই শিল্পের বিকাশে সরকারের অব্যাহত সহায়তা কামনা করেন। টেলিভিশনকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা দেবার জন্য সরকারের প্রতি আবেদন রাখেন তারা।

#

আকরাম/পাশা/মোশারফ/শামীম/২০২১/১৮২৮ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                             নম্বর :  ৫৫০৭

নন কমিউনিকেবল ডিজিজেই সাধারণ মানুষের আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার বেশি হয়ে যায়

                                                                                                       -স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৬ অগ্রহায়ণ (২১ নভেম্বর) : 

          স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক  বলেছেন, “ক্যান্সার, কিডনী, হার্ট, ডায়াবেটিসের মতো অসংক্রামক রোগের (এনসিডিসি) কারণেই বর্তমানে দেশের মানুষের আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই রোগগুলোতে প্রতি বছর দেশে সর্বাধিক মৃত্যুসহ অনেক পরিবার প্রায় নিঃস্ব হয়ে যায়। এই ব্যাপারটির গুরুত্ব অনুধাবন করেই দেশের আট বিভাগেই আটটি উন্নতমানের ১৫ তলা বিশিষ্ট ক্যান্সার, কিডনী, লিভার চিকিৎসার হাসপাতাল নির্মাণ করা হচ্ছে। হাসপাতাল নির্মাণ কাজ একেবারেই শেষ পর্যায়ে আছে। এসব হাসপাতালে হাজারো রোগী বিনা খরচে এরকম নন-কমিউনিকেবল ডিজিজগুলোর চিকিৎসা লাভ করবে। এতে করে দেশের মানুষের আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার অনেকাংশেই কমে যাবে।”

          আজ সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিট কর্তৃক আয়োজিত ‘Dissemination on Pathways to Reduce Household Out-of-Pocket Expenditure’ শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

          স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসময় দেশে করোনায় গত প্রায় ৬শ দিনের মধ্যে ১ম মৃত্যু শুন্য হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দেশবাসীকে অভিবাদন জানান এবং এটিকে দেশের জন্য একটি বড় সফলতা বলে উল্লেখ করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “রাশিয়াসহ বিশ্বের বহু

2021-11-21-15-24-e4735c54871d0d78572bae320e1abb6a.doc 2021-11-21-15-24-e4735c54871d0d78572bae320e1abb6a.doc

Share with :

Facebook Facebook