তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

তথ্যবিবরণী ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর :  ৪৪৪৭

 

আমি জনগণের সেবক

            -- তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

 

জামালপুর, ২ আশ্বিন (১৭ সেপ্টেম্বর) :

 

          তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মুরাদ হাসান বলেছেন, আমার নির্বাচনী এলাকার ভোটার আমার মনিব, আমি তাদের সেবক।


          ডাঃ মুরাদ আরো বলেন, আপনাদের সেবা করতে চাই চাকর হিসেবে। এটা আমার দায়িত্ব, এর বাইরে আমার কোনো দায়িত্ব নেই। জনগণের সেবক হয়ে বেঁচে থাকতে চাই। বঙ্গবন্ধুর আদর্শে, চেতনা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার জন্য জীবন বিলিয়ে দিতে পারবো।


          বাংলাদেশ কারো দয়ায় নয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে কেনা বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার বাংলাদেশ। এই বাংলাদেশ ওই খুনি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশ নয়, এই বাংলাদেশ ওই বেগম জিয়া, খুনি রাজাকারের বাংলাদেশ নয়। এই বাংলাদেশ একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার খলনায়ক খুনি তারেক রহমানের নয়।


          এই মাটি দেশের বীর বাঙালির মাটি, বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে একটি শপথ উচ্চারণ করতে চাই, খুনি জিয়ার মরণোত্তর বিচার বাংলার মাটিতেই না হওয়া পর্যন্ত সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে’ এই শপথ।


          আজ সরিষাবাড়ী উপজেলার আওনা  ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।


          উপস্থিত নেতা-কর্মীর মাঝে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি হস্তান্তরকালে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, পবিত্র ভূমি চন্দ্রিমা উদ্যানে খুনি জিয়ার কবর থাকতে পারে না।


          তিনি আরও বলেন, আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে হাঁটছি, আমাদের যেতে হবে সমৃদ্ধির সর্বোচ্চ শিখরে। সমৃদ্ধির মহাসড়কে যেতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে।


          সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছানোয়ার হোসেন বাদশা-সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান হেলাল, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


#
 

গিয়াস/পাশা/রেজুয়ান/মোশারফ/রেজাউল/২০২১/২২১০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর :  ৪৪৪৬

 

অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে এসএমই

                                                 -- শিল্প প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২ আশ্বিন (১৭ সেপ্টেম্বর) :

 

          শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেছেন, উন্নত দেশসমূহের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখছে এসএমই। এখাতের মাধ্যমে উদ্যোক্তা তৈরি, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হচ্ছে। তিনি করোনা মহামারির সময়ে যেসকল শিল্প উদ্যোক্তা পিছিয়ে গেছে তাদেরকে ঋণ বিতরণে সহায়তা এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করার জন্য  ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আহ্বান জানান।

 

          প্রতিমন্ত্রী গতকাল ঢাকার আগারগাঁওয়ে এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্থাপিত 'ইনস্টিটিটিউট অভ্ এসএমই ফাউন্ডেশন ও বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার 'এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন ।

 

          এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুদুর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে  অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ।

 

          উল্লেখ্য,  প্রশিক্ষণসমূহকে আরো অর্থবহ করার জন্য ফাউন্ডেশন কর্তৃক ইনস্টিটিটিউট অভ্‌ এসএমই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। ইনস্টিটিটিউট অভ্ এসএমই ফাউন্ডেশনে ৩০ জন প্রশিক্ষণার্থীর জন্য একটি প্রশিক্ষণ ভেন্যু এবং ২০ জন প্রশিক্ষণার্থীর জন্য একটি কম্পিউটার ল্যাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীদেরকে মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হবে।

 

          শিল্প প্রতিমন্ত্রী 'ইনস্টিটিটিউট অভ্ এসএমই ফাউন্ডেশন ও বিজনেস ইনকিউবেশন সেন্টার' এর উদ্বোধন করেন ।

 

#

 

রফিকুল/পাশা/রেজুয়ান/মোশারফ/রেজাউল/২০২১/১৯২৬ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ৪৪৪৫ 

 

চন্দ্রিমায় জিয়ার লাশ থাকার কোনো প্রমাণ কোথাও নেই

                                --তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

 

ঢাকা, ২ আশ্বিন (১৭ সেপ্টেম্বর) :

 

          তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, চন্দ্রিমায় জিয়ার লাশ থাকার কোনো প্রমাণ কোথাও নেই। 

 

          আজ রাজধানীতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর সরকারি বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে সংসদে এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্য সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যথার্থই বলেছেন, জিয়ার লাশ কেউ দেখেননি। 

 

          হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, 'আমি রাঙ্গুনিয়ার মানুষ, যেখানে জিয়াকে প্রথম সমাহিত করা হয় বলে বিএনপি দাবি করে। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার তখনকার চেয়ারম্যান জহির সাহেব এখনো জীবিত। তিনি বলেছেন, তিনটি লাশ সেখান থেকে তোলা হয়েছিল, তার মধ্যে জিয়াউর রহমানের লাশ ছিলো না। এরশাদ সাহেব এবং জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠজন মীর শওকত দু'জনেই বলেছেন, তারা কেউ জিয়ার লাশ দেখেননি।'

 

          চন্দ্রিমা থেকে কবরটি সরিয়ে ফেলার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, লাশ ছাড়া কবর দাবি করা যেমন জনগণের সাথে প্রতারণা, তেমনি ইসলামের নিয়ম-নীতিবিরুদ্ধ। লাশ ছাড়া কবর রাখার কোনো কারণ আছে কি না, সেটিই জনগণের প্রশ্ন।   

 

          এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মন্তব্য 'আওয়ামী লীগ চিরস্থায়ী ক্ষমতার জন্য বিএনপির ওপর নির্যাতন করছে' এর জবাবে ড. হাছান বলেন, 'আওয়ামী লীগ জনগণের ক্ষমতায় বিশ্বাসী, জনগণ যতদিন চাইবে ততদিন আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনা করবে, এর একদিনও বেশি নয়। গত ১৩ বছরে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেভাবে দেশ এগিয়েছে, প্রতিটি নাগরিকের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে, তাতে মানুষ বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগের ওপর সন্তুষ্ট। পেট্রোলবোমা দিয়ে জীবন্ত, ঘুমন্ত মানুষ পুড়িয়ে হত্যাকারী, অবরোধের নামে মানুষকে অবরুদ্ধকারী বিএনপির সাথে তো জনগণের থাকার কথা নয়। বিএনপি নিজেরাই জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে নানা কর্মসূচি দিয়ে জনগণের কাছ থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।'

 

          'বিরোধীদল দমনেও আওয়ামী লীগ বিশ্বাসী নয়' উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, 'সন্ত্রাসী, পেট্রোলবোমা নিক্ষেপকারী বা ফৌজদারি অপরাধের আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে যদি বিএনপি অপরাধীদের পক্ষ নেয়, তাহলে তো দেশে কোনো ফৌজদারি আইনই কার্যকর করা যাবে না, বিচারও থাকবে না। সুতরাং বিএনপির এসমস্ত কথা হাস্যকর।' 

 

#

 

আকরাম/পাশা/রেজুয়ান/মেশারফ/রেজাউর/২০২১/১৮২০ ঘণ্টা

 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                       নম্বর :  ৪৪৪৪


এলডিসিগুলোকে আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া প্রয়োজন

                                                                          -- অর্থমন্ত্রী

ঢাকা, ২ আশ্বিন (১৭ সেপ্টেম্বর) :

            অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এর সাথে আজ জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (UNESCAP) নির্বাহী সচিব ভার্চুয়ালি আলোচনা করেন। সাক্ষাতে আগামী ২০-২২ অক্টোবর, ২০২১ অনুষ্ঠিতব্য Macroeconomic Policy, Poverty Reduction and Financing for Development (MPFD) সভায় বাংলাদেশের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ বিষয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী নীতিগত পরামর্শমূলক সেবা, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করে নানাভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য করায় UNESCAP এর প্রতি কৃজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি বাংলাদেশের জন্য UNESCAP এর সহায়তা অব্যাহত রাখতে এবং আরও শক্তিশালী করতে আশা ব্যক্ত করেন।

            বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সহনশীলতা ও প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ় নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। যদিও সকল দেশের মতো কোভিড-১৯ মহামারি আপাতত আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বাধা সৃষ্টি করেছে। তথাপিও, আমাদের অসাধারণ নেতা প্রধানমন্ত্রী ​​শেখ হাসিনা কর্তৃক এই কোভিড-১৯ ক্রান্তিকালে গৃহীত বিচক্ষণ আর্থিক এবং মুদ্রা নীতির কারণে আমরা চ্যালেঞ্জগুলো সফলভাবে পরিচালনা করতে পেরেছি। জীবন ও জীবিকার মধ্যে দূরদর্শী ভারসাম্য নিশ্চিত করে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে স্বাভাবিকতা ফিরে আসছে। ২০২০ সালের আইএমএফ-এর অক্টোবরের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্ব অর্থনীতিতে গড় ৪ দশমিক ৪ শতাংশের নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা যায়, সেসময়ে অতি অল্প কয়েকটি ইতিবাচক অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের জরিপ অনুযায়ী, মহামারি প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশ শীর্ষ পাঁচটি সহনশীল অর্থনীতির মধ্যে রয়েছে।

            অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের সঠিক পথে রয়েছে। তারপরেও, অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতা হ্রাস করার লক্ষ্যে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জনকারী এলডিসিগুলোকে ট্রানজিশন এবং ট্রানজিশন পরবর্তী পর্যায়ে আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়নের ২০৩০ এজেন্ডার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করার জন্য চতুর্মুখী কৌশলের নীতি বিবৃতি অনুমোদন করেছে। এখন আমরা এমন একটি উন্নয়ন পদ্ধতির অনুসরণ করছি যা আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক, সহনশীল এবং পরিবেশবান্ধব। কারণ আমাদের প্রধানমন্ত্রী UNESCAP এর ৭৭তম কমিশন অধিবেশনে তাঁর ভাষণে এটি ঘোষণা করেছেন এবং নিশ্চিত করতে একে অপরকে সাহায্য করার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।

            অর্থমন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন যে, UNESCAP এশিয়ান হাইওয়ে, ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে এবং ড্রাই পোর্টস উদ্যোগের ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি থাইল্যান্ড, ভারত এবং মিয়ানমারের ত্রিপক্ষীয় হাইওয়ে প্রকল্পে যোগদানের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে সহায়তা করার ক্ষেত্রে UNESCAP কে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের অনুরোধ করেন। যার মাধ্যমে UNESCAP-এর আঞ্চলিক এবং আন্তঃআঞ্চলিক উদ্যোগগুলো আরো বেশি জোরালো হবে। 

            বাণিজ্য সুবিধা, ডিজিটাল বাণিজ্য, সীমান্তে কাগজবিহীন বাণিজ্য, পুঁজিবাজার উন্নয়ন, পিপিপি নেটওয়ার্ক, টেকসই মাল্টিমোডাল পরিবহন, জ্বালানি নীতি এবং পরিকল্পনার ক্ষেত্রে আরো প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং ক্ষমতা বৃদ্ধির সহায়তার জন্যও UNESCAP কে অর্থমন্ত্রী অনুরোধ করেন। পাশাপাশি, দক্ষিণ-দক্ষিণ সহযোগিতার উপায় হিসেবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, নারীর ক্ষমতায়ন, সামাজিক সুরক্ষা, লিঙ্গ সমতা এবং এসএমই ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতাকেও কাজে লাগাতে পারে বলে উল্লেখ করেন।

            জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (UNESCAP) নির্বাহী সচিব আর্মিদা সালসিয়া আলিসজাহবান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি এই অপ্রত্যাশিত অভিঘাত কোভিড-১৯ সংকট মোকাবেলায় UNESCAP সহযোগিতা নিয়ে বাংলাদেশের পাশে থাকবেন বলে আশ্বস্ত করেন। পাশাপাশি, তিনি বাংলাদেশে আরো চাহিদাভিত্তিক সক্ষমতা নির্মাণ প্রকল্প সহায়তার মাধ্যমে UNESCAP এর কর্মপরিধি আরো বাড়ানোর আশা ব্যক্ত করেন।

#

তৌহিদুল/পাশা/রেজুয়ান/মোশারফ/রেজাউল/২০২১/১৭৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর :  ৪৪৪৩

 

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

 

ঢাকা, ২ আশ্বিন (১৭ সেপ্টেম্বর) :

 

            স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২৯ হাজার ৭৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১ হাজার ৯০৭ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১৫ লাখ
৪০ হাজার ১১০ জন। 

 

          গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৮ জন-সহ এ পর্যন্ত ২৭ হাজার ১৪৭ জন এ রোগে মৃত্যুবরণ করেছেন।

 

          করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ৯ জন।

 

#

 

নাসিমা/পাশা/রেজুয়ান/মোশারফ/রেজাউল/২০২১/১৭৩০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                             নম্বর : ৪৪৪২

 

ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দরের ২য় কার্গোগেইট এবং প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল-১ এর উদ্বোধন


পেট্রাপোল (পশ্চিমবঙ্গ), (১৭ সেপ্টেম্বর) :


            নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক যে কোন প্রতিবেশী দেশের জন্য রোল মডেল। রক্ত দিয়ে লেখা এ সম্পর্ক ছিন্ন করা যায়না। বর্তমানে দুদেশের সম্পর্ক যে উচ্চতায় পৌঁছেছে তা অনুসরণীয়। কালের বিবর্তনে উত্তীর্ণ রক্তে লেখা এ সম্পর্ক অক্ষুন্ন থাকবে। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদানকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন প্রতিমন্ত্রী।


            প্রতিমন্ত্রী আজ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁওয়ে পেট্রাপোল স্থলবন্দরের ২য় কার্গোগেইটের নির্মাণ কাজ এবং প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন-১ এর  উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত‍্যানন্দ রায় ও নিশিথ প্রামানিক,  বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী, ভারতীয় স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আদিত্য মিশ্র, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান  মোঃ আলমগীর।


            নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে ২৫ বছর মেয়াদি ‘মৈত্রী চুক্তির’ মাধ্যমে দু’দেশের সম্পর্কের যে গোড়াপত্তন করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় আসার পর তা আরো সংহত ও বহুমুখী হয়। তারই হাত ধরে গঙ্গা নদীর পানি চুক্তি, ছিটমহল বিনিময়,  ট্রানজিট সুবিধা প্রদান ও  সমুদ্রসীমানা চিহ্নিত করা হয়। ভারতের সীমান্ত নীতির প্রতিবেশীই প্রথম নীতির কারণে বাংলাদেশ এখন ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হয়ে উঠেছে।


            খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন হাজারো মানুষ ভ্রমণ, ব্যবসা এবং চিকিৎসার জন্য ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে গমণ করেন, তার প্রধানতম প্রবেশদ্বার হচ্ছে বেনাপোল ও পেট্রাপোল। ভারতের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ পর্যটক ও ব্যবসায়ীদের উন্নত সেবাদানের জন্য পেট্রাপোলে আরেকটি প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন নির্মাণ করায় তাদেরকে  ধন্যবাদ জানান প্রতিমন্ত্রী। 


            নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী  বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য সহজ করতে সহায়তার লক্ষ্যে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যৌথভাবে ত্রিপুরার সীমান্তবর্তী ফেনী নদীর উপর নির্মিত মৈত্রী সেতুর ভারচুয়ালি উদ্বোধনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ঘোষিত ২৪টি বন্দরের মধ্যে ১২টি বন্দর চালু আছে। বাকীগুলো পর্যায়ক্রমে চালু হবে।


#

জাহাঙ্গীর/মেহেদী/জুলফিকার/রেজ্জাকুল/মাসুম/২০২১/১২২৯ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৪৪৪১


এলডিসি বাণিজ্যমন্ত্রীদের ভার্চুয়াল সম্মেলন

গ্রাজুয়েশনের পর ১২ বছর বাণিজ্য সুবিধা অব্যাহত রাখার প্রস্তাবে সকলের সমর্থন চাইলেন বাণিজ্যমন্ত্রী


ঢাকা, ২ আশ্বিন (১৭ সেপ্টেম্বর) :

            বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, এলডিসি গ্রাজুয়েশন ও গ্রাজুয়েশন পরবর্তী সহজ উত্তরণের জন্য এলডিসি গ্রুপের পক্ষে বিশ্ববাণিজ্য সংস্থায় ট্রেড প্রেফারেন্স এর জন্য ১২ বছর সময় বর্ধিতকরণ এর যে প্রস্তাব করা হয়েছে তা সকল পক্ষকে সমর্থন করতে হবে।

            গতকাল জেনেভায় আঙ্কটাড (UNCTAD) সদর দপ্তর আয়োজিত স্বল্পোন্নত দেশসমূহের বাণিজ্যমন্ত্রীগণের ভার্চুয়াল সন্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তৃতাকালে বাণিজ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

            টিপু মুনশি বলেন, বাংলাদেশ শুল্ক ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা, ট্রিপস ওয়েভার কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন অর্জন করেছে। ডব্লিউটিও  “হংকং মিনিস্টেরিয়াল ডিক্লারেশন” অনুযায়ী শুল্ক ও কোটামুক্ত বাজার সুবিধা এবং “নাইরোবি মিনিস্টেরিয়াল ডিক্লারেশন” অনুযায়ী এলডিসির জন্য প্রিফারেন্সিয়াল রুলস অব অরিজিন উন্নত দেশসমূহকে প্রদান করতে হবে। এলডিসিভুক্ত দেশসমূহের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি ও কাঠামোগত উন্নয়নে আঙ্কটাডকে কার্যকর সহযোগিতা প্রদান করতে হবে।

            বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, এলডিসিভুক্ত দেশসমূহের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। কোভিড-১৯ এর অভিঘাত, ডিজিটাল ডিভাইড, জলবায়ুর বৈরী প্রভাব মোকাবিলার জন্য চলমান ইন্টারন্যাশনাল সাপোর্ট মেজার্স (আইএসএম) সমূহসহ যুগোপযোগী আন্তর্জাতিক সহায়তা দরকার। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী স্বল্পোন্নত দেশসমূহকে টেকনোলজি ট্রান্সফার এবং উৎপাদন ক্ষমতা বাড়াতে কাঠামোগত সহায়তা দিতে হবে। আগামীতে অনুষ্ঠেয়  আঙ্কটাড-১৫, এমসি-১২, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ অধিবেশন ওএলডিসি-৫ সন্মেলন ও কার্যক্রম সমূহে বিশ্বসম্প্রদায়ের প্রতিশ্রুতি  অনুযায়ী এলডিসি ও গ্রাজুয়েটিং এলডিসির স্বার্থ সংরক্ষণের বিষয়সমূহ কার্যকরভাবে উপস্থাপনের জন্য আঙ্কটাডকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

            উল্লেখ্য, আঙ্কটাড জাতিসংঘের আন্তরাষ্ট্রিক একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন বিষয়ে উন্নয়নশীল দেশসমূহকে নীতি ও উন্নয়ন সহযোগিতা দিয়ে থাকে। আগামী ৩ থেকে ৭ অক্টোবর আঙ্কটাড এর ১৫তম অধিবেশন ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত হবে। কোভিড-১৯ পরবর্তী এ অধিবেশন স্বল্পোন্নত দেশসমূহের পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও উন্নয়ন কর্মসূচি  প্রণয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আঙ্কটাড এর অধিবেশনে কোভিড প্রেক্ষাপটে স্বল্পোন্নত দেশসমূহের ট্রেড, ফিন্যান্স এবং টেকনোলজি সহযোগিতাসহ আগামী দশ বছরের জন্য অ্যাকশন প্ল্যান (২০২২-৩১) আলোচিত হবে। বর্ণিত প্রেক্ষাপটে উক্ত অধিবেশনের প্রাক-প্রস্তুতি হিসেবে ৪৬টি স্বল্পোন্নত দেশের বাণিজ্যমন্ত্রীগণের এ সন্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

            এ সন্মেলনের হোস্ট মালাওয়ির বাণিজ্যমন্ত্রী এবং আঙ্কটাডের সেক্রেটারি জেনারেল সেখানে উপস্থিত ছিলেন। এলডিসি বাণিজ্য মন্ত্রীগণের সন্মেলনে বাংলাদেশের সকল প্রস্তাবসহ একটি মিনিস্টেরিয়াল ডিক্লারেশন ঘোষিত হয়।

#

বকসী/মেহেদী/জুলফিকার/রেজ্জাকুল/মাসুম/২০২১/১২২৯ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ৪৪৪০

বিসিক অনলাইন মার্কেট উদ্বোধন করলেন শিল্পমন্ত্রী

 

ঢাকা, ০২ আশ্বিন (১৭ সেপ্টেম্বর) :

কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পসহ (সিএমএসএমই) সব উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য অনলাইনে বিক্রির জন্য চালু হয়েছে ‘বিসিক অনলাইন মার্কেট’। এ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে উদ্যোক্তারা তাদের উৎপাদিত পণ্য বিনামূল্যে প্রদর্শন ও বাজারজাতকরণ করতে পারবেন। 

গতকাল  সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ‘বিসিক অনলাইন মার্কেট (www.bscic-emarket.gov.bd)’ নামের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম উদ্বোধন করেন। 

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) চেয়ারম্যান মো. মোশতাক হাসানের সভাপতিত্বে শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য কাজিম উদ্দিন আহমেদ, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা প্রমুখ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বিক্রয় এখন বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন হয়েছে তাতে দেশে ই-কমার্সসহ অন্যান্য ডিজিটাল সার্ভিসের সুফল মানুষ ইতোমধ্যে ভোগ করতে শুরু করেছেন। ‘বিসিক অনলাইন মার্কেট’ শিল্প সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশের গতিকে আরো বেগবান করবে। 

শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, করোনা পরিস্থিতির ফলে উদ্যোক্তারা তাদের পণ্য বিক্রয়ে যে বাধার সম্মুখীন হয়েছিলেন বিসিকের এই অনলাইন মার্কেট হওয়ায় তা অনেকাংশে কমে যাবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেন, নাগরিকরা সরকারি ডিজিটাল সেবা গ্রহণসহ তথ্যপ্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিপূর্ণতায় এগিয়ে আসবে এটাই প্রত্যাশা। বিসিক অনলাইন মার্কেট প্ল্যাটফর্ম হবে একটি বিশ্বস্ত অনলাইন মার্কেট প্ল্যাটফর্ম।

#

হাসান/মেহেদী/জুলফিকার/রেজ্জাকুল/মাসুম/২০২১/১২২৯ ঘণ্টা

 

Handout :                                                                                                           Number: 4439

Foreign Minister urges for Commonwealth solidarity

Dhaka, 17, (September) :

Commonwealth leaders commended Prime Minister Sheikh Hasina’s humanitarian role in taking bold decision to give shelter to a huge number of Forcibly displaced Myanmar nationals (FDMN) and thus saving thousands of innocent lives, and her leadership of the Climate Vulnerable Forum (CVF). They made these comments during the 21st Commonwealth Foreign Affairs Ministers’ meeting (CFAMM) held virtually in London Yesterday.

Leading the Bangladesh delegation, Foreign Minister Dr. Momen highlighted the current impasse over the FDMNs voluntary repatriation to Myanmar and their partial relocation to Bhashan Char. He urged that Commonwealth toassist in persuading the government of Myanmar to follow their commitments.

Foreign Minister informed the Commonwealth leaders of the initiatives undertaken as the Chair of the Climate Vulnerable Forum (CVF). The Foreign Minister also called upon further collaboration between the Commonwealth and the CVF.

Dr. Momen urged the Commonwealth Member States to stand together more than ever for trade and economic recovery which was hampered due to the Covid pandemic. He also called upon the post-pandemic Commonwealth to demonstrate Commonwealth solidarity, connectivity and collective action to build back a more resilient, greener and sustainable post-Covid recovery.

            The Foreign Minister informed the meeting that as the lead country for the Commonwealth Business-to-Business Connectivity Cluster, Bangladesh has relentlessly championed for connecting the Commonwealth private sectors for creating a tech-driven low carbon business recovery model and a Commonwealth digital marketplace at the first High-level CW B2B Connectivity Dialogue organised by Bangladesh in November 2020.  

            Elizabeth Truss MP, the UK Secretary of State for Foreign, Commonwealth and Development Affairs chaired this meeting where Commonwealth Secretary-General and Foreign Ministers of the Commonwealth countries were present. Prior to this meeting, the Commonwealth Ministerial Group on Guyana was held on 14 September 2021, which was chaired by the Foreign Minister Dr. Momen.

#

Mehedi/Zulfika/Razzkul/Masum/2021/1123 hour

 

2021-09-17-16-24-2023bdd462ca43bd46e2ddc9d114a98d.doc 2021-09-17-16-24-2023bdd462ca43bd46e2ddc9d114a98d.doc

Share with :

Facebook Facebook