তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

তথ্যবিবরণী ৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

Handout                                                                                                                                Number : 4259

 

Government recognition and necessary financial assistance will be

provided to vulture conservation individuals and organizations.

                                                                 - Minister of Environment and Forest.


Dhaka, 4 September:


            Minister of Environment, Forest and Climate Change Md. Shahab Uddin said, vultures contribute a lot to protect the environment.  The Bangladesh government is working relentlessly to preserve  the vultures.  However, conservation of vultures and other wildlife is difficult for the government alone.  Therefore, individuals dedicated to the conservation of nature and wildlife, scientists have to work diligently from their respective positions to protect vultures.  He said the government will provide government recognition and necessary financial assistance to vulture conservation individuals and organizations.

            The Minister for Environment and Forests said this while addressing a webinar organized by the Forest Department on the occasion of International Vulture Awareness Day on Saturday from the official residence in Dhaka.

            Deputy Minister of Environment, Forest and Climate Change Begum Habibun Nahar, Secretary Md. Mostafa Kamal and Additional Secretary Iqbal Abdullah Harun addressed the webinar as the special guests under the chairmanship of Md. Amir Hossain Chowdhury, Chief Conservator of Forests.  Enam Ul Haq, Founder of Bangladesh Bird Club, Mukid Majumder Babu, Chairman of Nature and Life Foundation, Dr. SM Iqbal, President of Bangladesh Biodiversity Conservation Federation, Rakibul Amin, Country Representative of International Union for Conservation of Nature in Bangladesh and Molla Rezaul Karim of Wildlife and Nature Conservation spoke as a panelist on the occasion.  ABM Sarwar Alam, Program Manager, IUCN, presented the keynote address at the webinar.

            Referring to various initiatives taken by the government for the conservation of vultures, the minister said that in January this year, the government banned the harmful drug ketoprofen for vultures, which has set an example in the world in protecting vultures.  The cabinet also directed that other harmful drugs such as fluconazole and aceclofenac should not be allowed in our country.  Safe medicine for vultures Meloxicam has been suggested for use in infected animals.  The milestone we achieved in 2010 by banning diclofenac, a harmful drug for vultures nationwide, is also seen as a model for the global conservation community.  He said that 'Bangladesh National Vulture Conservation Committee' has been formed for vulture conservation.  In 2014, two regions of the country were declared as safe areas for vultures.  In 2015, two feeding stations have been set up at the Rema-Kalenga Wildlife Sanctuary in Habiganj and the Sundarbans to meet the demand for extra food during the vulture breeding season.

            The Forest Minister said all kinds of activities are being carried out for the conservation of vultures by giving priority to the ten-year Bangladesh Vulture Conservation Action Plan formulated in 2016.  In 2017, a vulture rescue and identification center has been set up at Singra in Dinajpur to conduct rescue and rehabilitation activities for sick and injured vultures.  So far, 115 Himalayan Griffon species of vultures have been rescued and released into the wild.  A vulture conservation team has been formed involving the local public for long-term monitoring of vulture habitat and management of vulture safe areas.  As a result of multi-pronged measures of the government, the breeding success of vultures in Rema-Kalenga of Habiganj has increased from 44 percent to 56 percent by 2020.  The minister called upon all to work together to protect the vultures that have survived so far.

#

Dipankar/Mehedi/Zulfikar/Rafiqul/Shamim/2021/1605  hours

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                  নম্বর : ৪২৫৮

 

স্বাস্থ্য শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে ভ্যাকসিন দেয়া হয়েছে
                                                                                             -স্বাস্থ্যম
ন্ত্রী

 

ঢাকা, ২০ ভাদ্র (৪ সেপ্টেম্বর) :

          স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ৮০ শতাংশের বেশি শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে ইতোমধ্যেই টিকার আওতায় আনা হয়েছে। টিকা প্রাপ্তির ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে বাকিদেরও টিকা দেয়া হবে।

          মন্ত্রী আজ রাজধানীর তেজগাঁও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কম্প্রিহেনসিভ (লাইসেন্সিং প্রি-রেজিষ্ট্রেশন) পরীক্ষা ২০২১ পরিদর্শন শেষে একথা বলেন। এসময় স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূর উপস্থিত ছিলেন।

          দেশে নার্সের সংখ্যা তুলনামূলক কম জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী একজন চিকিৎসকের বিপরীতে তিনজন নার্স থাকা দরকার। এক্ষেত্রে আমরা কিছুটা পিছিয়ে আছি। সরকারি ও বেসরকারি মিলে দেশে প্রায় ৭০ হাজার নার্স আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এটি বাড়িয়ে চিকিৎসকের সমান করা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইন মোতাবেক চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা বাড়ানো হবে।

          চীন থেকে ছয় কোটি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সাড়ে ১০ কোটি টিকা ক্রয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০২২ এর জানুয়ারি নাগাদ ক্রয়কৃত সাড়ে ১৬ কোটি টিকা পেলে আগামী বছরের শুরুতে দেশের অধিকাংশ মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া সম্ভব হবে।

          গণটিকাদান কর্মসূচিতে প্রথম ডোজ পাওয়া ব্যক্তিদের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, টিকা ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে যাদের প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে, তারা দ্বিতীয় ডোজও সময়মতো পাবেন। প্রথম ডোজ যে কেন্দ্রে দেয়া হয়েছে, সেই কেন্দ্রেই দ্বিতীয় ডোজ দেয়া হবে। গ্রামের মানুষের মধ্যে আগে টিকা নেয়ার আগ্রহ কম ছিল। এখন তাদের মাঝেও টিকার গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে।

#

 

মাইদুল/মেহেদী/জুলফিকার/রফিকুল/শামীম/২০২১/১৬৫০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                        নম্বর : ৪২৫৭

শকুন সংরক্ষণকারী ব্যক্তি ও সংস্থাকে সরকারি স্বীকৃতি ও আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে

                                                                   -পরিবেশ  ও বনমন্ত্রী

ঢাকা, ২০ ভাদ্র (৪ সেপ্টেম্বর) :৭

            পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন, পরিবেশ সংরক্ষণে প্রকৃতির পরিচ্ছন্নতাকর্মী শকুনের বিকল্প নেই। শকুন সংরক্ষণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। কিন্তু, শকুনসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণি সংরক্ষণ সরকারের একার পক্ষে কষ্টসাধ্য। তাই প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণি সংরক্ষণে নিবেদিত ব্যক্তিবর্গ ও বিজ্ঞানীদের শকুন রক্ষায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে একনিষ্ঠভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। তিনি বলেন, সরকার শকুন সংরক্ষণকারী ব্যক্তি ও সংস্থাকে সরকারি স্বীকৃতি ও প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

            মন্ত্রী আজ ‘আন্তর্জাতিক শকুন সচেতনতা দিবস’ উপলক্ষ্যে বন অধিদপ্তর আয়োজিত ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে  এসব কথা বলেন।

            শকুন সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ বছর জানুয়ারি মাসে সরকার শকুনের জন্য ক্ষতিকর ঔষধ কিটোপ্রোফেন নিষিদ্ধ করেছে, যা শকুন রক্ষায় বিশ্বব্যাপী একটি উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। অন্যান্য ক্ষতিকর ঔষধ যেমন ফ্লুনিক্সিন, এসিক্লোফেনাক যেন আমাদের দেশের বাজারে না আসে সে ব্যাপারেও মন্ত্রিপরিষদ নির্দেশনা দিয়েছে। শকুনের জন্য নিরাপদ ঔষধ মেলোক্সিক্যাম রোগাক্রান্ত পশুদের জন্য ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। ২০১০ সালে দেশব্যাপী শকুনের জন্য ক্ষতিকারক ঔষধ ডাইক্লোফেনাক নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে আমরা যে মাইলফলক অর্জন করেছি তা বিশ্ব সংরক্ষণ সম্প্রদায়ের কাছেও একটি মডেল হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তিনি বলেন, শকুন সংরক্ষণে ‘বাংলাদেশ জাতীয় শকুন সংরক্ষণ কমিটি’ গঠন করা হয়েছে। ২০১৪ সালে দেশের দু’টি অঞ্চলকে শকুনের জন্য নিরাপদ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। ২০১৫ সালে শকুনের প্রজননকালীন সময়ে বাড়তি খাবারের চাহিদা মেটানোর জন্য হবিগঞ্জের রেমা-কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে ও সুন্দরবনে দু’টি ফিডিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে।

            মন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সালে প্রণীত ১০ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ শকুন সংরক্ষণ কর্মপরিকল্পনাকে অগ্রাধিকার দিয়েই শকুন সংরক্ষণে সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ২০১৬ সালে অসুস্থ ও আহত শকুনকে উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দিনাজপুরের সিংড়ায় একটি শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এ পর্যন্ত ১১৫টি হিমালয়ান গ্রিফন প্রজাতির শকুন উদ্ধার এবং পরিচর্যার পর প্রকৃতিতে অবমুক্ত করা হয়েছে। শকুনের আবাসস্থলের দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষণ ও নিরাপদ এলাকার ব্যবস্থাপনার জন্য স্থানীয় জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করে শকুন সংরক্ষণ দল গঠন করা হয়েছে। সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে হবিগঞ্জের রেমা-কালেঙ্গায় শকুনের প্রজনন সফলতা ৪৪ শতাংশ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০২০ সালে ৫৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০২০ সালে ‘বাংলাদেশ জাতীয় শকুন সংরক্ষণ কমিটি’ এর ১০ম সভায় শকুনের দু’টি হটস্পট যথা- হবিগঞ্জের রেমা-কালেঙ্গা ও সুন্দরবনে বিদ্যমান শকুনের নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রাজস্ব খাতের আওতায় বাজেট বরাদ্দ এবং প্রতি দুই বছর অন্তর শকুনের অবস্থা মনিটরিং করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। টিকে থাকা শকুনগুলো রক্ষায় সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

            প্রধান বন সংরক্ষক মোঃ আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপ-মন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, সচিব মোঃ মোস্তফা কামাল এবং অতিরিক্ত সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন। এছাড়া, বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এনাম উল হক, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিদ মজুমদার বাবু, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ফেডারেশনের সভাপতি ড এস এম ইকবাল, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অভ্ নেচার এর কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ রকিবুল আমিন এবং বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিম অনুষ্ঠানে প্যানেলিস্ট হিসেবে বক্তব্য রাখেন। ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইইউসিএন এর প্রোগ্রাম ম্যানেজার এবিএম সরোয়ার আলম।

#

দীপংকর/মেহেদী/জুলফিকার/রফিকুল/শামীম/২০২১/ ১৬৪৯ ঘণ্টা

 

2021-09-04-11-10-ce9c8dd438b9fb4f6fa67ebc0a5ebc8a.doc 2021-09-04-11-10-ce9c8dd438b9fb4f6fa67ebc0a5ebc8a.doc

Share with :

Facebook Facebook