তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ মার্চ ২০১৫

তথ্যবিবরণী 16/03/2015

তথ্যবিবরণী                                                                                                                                                                                              নম্বর : ৭৬৮

চার দেশের ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে আন্তঃমন্ত্রণাল

ঢাকা, ২ চৈত্র (১৬ মার্চ) :   

          পাকিস্তান, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় ক্রিকেট দলের বাংলাদেশ সফর-২০১৫ উপলক্ষে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আজ যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

          যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার সভায় সভাপতিত্ব করেন। এসময় যুব ও ক্রীড়া  উপমন্ত্রী আরিফ খান জয় উপস্থিত ছিলেন।

          সফরকারী পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল আগামী ৭ এপ্রিল থেকে ৬ মে, ২০১৫ পর্যন্ত ৩টি ওডিআই ম্যাচ, ১টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ এবং ২টি টেস্ট ম্যাচ খেলবে। ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল ৫  জুন থেকে ২৯ জুন, ২০১৫ পর্যন্ত ১টি টেস্ট ম্যাচ ও ৩টি ওডিআই ম্যাচ খেলবে। দক্ষিণ আফ্রিকা জাতীয় ক্রিকেট দল ৩০  জুন থেকে ৪ আগস্ট, ২০১৫ পর্যন্ত ২টি আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচ, ৩টি ওডিআই ম্যাচ, ২টি টেস্ট ম্যাচ খেলবে এবং অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দল ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ অক্টোবর, ২০১৫ পর্যন্ত ১টি ৩দিনের অনুশীলন ম্যাচ এবং ২টি টেস্ট ম্যাচে অংশগ্রহণ করবে।

 

          সফরকারী জাতীয় ক্রিকেট দলসমূহের ম্যাচগুলো ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়াম, সাভারস্থ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খুলনাস্থ শেখ আবু নাসের স্টেডিয়াম এবং চট্টগ্রামস্থ জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।

          সভায় দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিতব্য এসব ক্রিকেট ম্যাচ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার নিমিত্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও বিভাগসমূহের সহযোগিতা কামনা করা হয়। সভায় দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিদের বাংলাদেশে অবস্থানকালে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে আহ্বায়ক করে একটি নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা হয়। সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও বিভাগের প্রতিনিধিবৃন্দ তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্বসমূহ সঠিকভাবে সম্পন্ন করার বিষয়ে আশ্বাস প্রদান করেন।

 

          সভায় অন্যান্যের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া সচিব নূর মোহাম্মদ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন ।

#

 

শফিকুল/সাইফুল্লাহ/মোশারফ/আব্বাস/২০১৫/১৮৩৩ ঘণ্টা  

তথ্যবিবরণী                                                                                                                                                                                          নম্বর : ৭৬৭

সংস্কৃতিমন্ত্রীর সাথে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

নতুন মেয়াদে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম অচিরেই চালুর আশাবাদ

ঢাকা, ২ চৈত্র (১৬ মার্চ) :

      সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এর সাথে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়স' তাঁর অফিসকড়্গে ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত Dr. Abbas Vaezi সৌজন্য সাড়্গাৎ করেন। এ সময় সংস্কৃতি সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস উপসি'ত ছিলেন।

      ইরানকে বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ মুসলিম ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ উলেস্নখ করে সাড়্গাতে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, দু’দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বিপাড়্গিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশ যেমন ইরানকে সহযোগিতা করে আসছে তেমনি ইরানও বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে আসছে। পারস্পরিক এ সহযোগিতার ড়্গেত্র ভবিষ্যতে আরো সম্প্রসারিত হবে বলে মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

      আসাদুজ্জামান নূর বলেন, সংস্কৃতি, আচার-অনুষ্ঠান, ধর্মীয় রীতি-নীতিসহ বিভিন্ন দিক থেকে ইরানের সাথে বাংলাদেশের রয়েছে তাৎপর্যপূর্ণ সাদৃশ্য। সমৃদ্ধ কাব্য-সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে ইরান বিশ্বব্যাপী সুপরিচিত ও সমাদৃত, যার প্রভাব আমাদের সাহিত্য-সংস্কৃতিতেও রয়েছে। বাংলা ও ফার্সি ভাষার মধ্যে অনেক যোগসূত্র বিদ্যমান। ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় রীতি-নীতির এ সাদৃশ্য আমাদের সম্পর্ককে সুদৃঢ় করেছে।

      সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি সহস্রাব্দপ্রাচীন। এদেশের আবহমান সংস্কৃতি বিশ্বসভায় বাংলাদেশকে দিয়েছে এক ভিন্ন মর্যাদা। বর্তমান সময়ে সাংস্কৃতিক যোগাযোগের মাধ্যমে এক দেশ অপরের কাছে আসতে পারে। তাই সংস্কৃতি বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ইরান পরস্পরকে আরো বেশি জানতে পারে।

      জনাব নূর আরো বলেন, বাংলাদেশ ও ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সাংস্কৃতিক চুক্তি রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম ঈঁষঃঁৎধষ ঊীপযধহমব চৎড়মৎধসসব (ঈঊচ) স্বাড়্গরিত হয়। কিন' এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় তা নতুন মেয়াদে করার জন্য একটি প্রসত্মাব ইতোমধ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইরানে প্রেরণ করা হয়েছে। এটি সম্পন্ন হলে দেশ দু’টির মধ্যে সম্পর্কের ড়্গেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হবে বলে তিনি মনত্মব্য করেন।

      ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ইরান বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাষ্ট্র। উভয়দেশ অত্যনত্ম আনত্মরিকতার সাথে পরস্পরের কাজ করে যাচ্ছে। এ সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করতে পারে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের মাধ্যমে। এদেশের সংস্কৃতিকে ইরানের মানুষের কাছে এবং ইরানের সংস্কৃতিকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে দু’দেশ সচেষ্ট রয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় নতুন মেয়াদে সাংস্কৃতিক বিনিময় কার্যক্রম চালুর ব্যাপারে বাংলাদেশ থেকে যে প্রসত্মাব ইরানে পাঠানো হয়েছে তা অচিরেই কার্যকর করতে ইরান পদড়্গেপ গ্রহণ করবে বলে তিনি মনত্মব্য করেন।

      রাষ্ট্রদূত এ বছরের মে মাসে ইরানে অনুষ্ঠেয় আনত্মর্জাতিক বইমেলায় বাংলাদেশকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান এবং এতে মন্ত্রী আগ্রহ প্রকাশ করেন।

#

কুতুবুদ-দ্বীন/সাইফুলস্নাহ/মোশারফ/রেজাউল/২০১৫/১৮১০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                                                                                       নম্বর : ৭৬৫

লালনের মতাদর্শে সবাইকে মানুষের সেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান ভূমিমন্ত্রীর

ঢাকা, ২ চৈত্র (১৬ মার্চ) :   

ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ এমপি বলেছেন, আগুনে পুড়িয়ে মানুষ হত্যা করার মতো জঘন্য পাপ আর কিছু হতে পারে না। অথচ এ জঘন্যতম কাজ করছে বিএনপি-জামায়াত জোট। হিংসার পথ, প্রতিহিংসার পথ ও জিঘাংসার পথ পরিহার করে লালনের মতাদর্শে মানুষের জয়গান তথা মানুষের সেবায় নিজেকে নিবেদিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গতকাল রাতে গাজীপুরের লোহাগাছিয়ার সাধুর বাজারে ফকির খালেক সাঁইয়ের আখড়া বাড়িতে তিন দিনব্যাপী বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম লালন স্মরণোৎসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের নামে হরতাল ও অবরোধে নাশকতা ও মানুষ পুড়িয়ে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত জোট। তারা মানবতাবিরোধী তথা মানব জাতির শত্রম্ন।

গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন সবুজ এর সভাপতিত্বে এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শ্রীপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা জাহান স্বপ্না ও অনুষ্ঠানের আয়োজক ফকির খালেক সাঁই।

 

#

 

রেজুয়ান/মোহাম্মদ আলী/অনসূয়া/খাদীজা/শুকলা/আসমা/২০১৫/১৫৩০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                              নম্বর : ৭৬৪

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিকাশে নারী নেতৃত্ব গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে

                                                         - স্পিকার

ঢাকা, ২ চৈত্র (১৬ মার্চ) :   

 

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার এবং সিপিএ নির্বাহী কমিটি’র চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নারীদের রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। নারীরা রাজনৈতিকভাবে সচেতন হলেই রাজনীতিতে নারী প্রতিনিধিত্বের সুষ্ঠু বিকাশ সম্ভব। টেকসই উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ বিকাশে নারী নেতৃত্ব গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। গতকাল নিউইয়র্কের ইউ এন ওয়ান হোটেলে ঈড়সসড়হবিধষঃয ঘধঃরড়হধষ ডড়সবহ'ং গধপযরহবৎরবং (ঘডগ) এর বার্ষিক পরামর্শ সভায় (অহহঁধষ ঈড়হংঁষঃধঃরড়হ) বক্তৃতাকালে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক উন্নয়ন এবং টেকসই আর্থসামাজিক উন্নয়নে নারী নেতৃত্ব মূল্যবান অবদান রাখবে। সেক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর বিদ্যমান গঠনতন্ত্রে নারীদের জন্য অংশগ্রহণমূলক গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব সৃষ্টির প্রয়াস থাকতে হবে। যাতে নারীরা নিজেদের অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে নিজেদের সমৃদ্ধ করে আগামী দিনে জাতীয় সংসদসহ সকল ক্ষেত্রে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব বজায় রাখতে পারে এবং নারী ক্ষমতায়নকে এগিয়ে নিয়ে নিজেদের নেতৃত্বের আসনে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

তিনি আরো বলেন, ২০১৫ পরবর্তী নতুন উন্নয়ন এজেন্ডার সামগ্রিক লক্ষ্য হওয়া উচিত দারিদ্র্যমোচন। কিন' সেখানে মানব কল্যাণের বিষয়টির উপর জোর দিতে হবে। জীবনযাত্রার গুণগত মান উন্নয়নের মাধ্যমেই সেটি অর্জন করতে হবে। নারীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের মাধ্যমে নারীকে আর্থসামাজিক, রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রে ক্ষমতায়িত করতে হবে। তাহলেই মানব কল্যাণ নিশ্চিত হবে। কেননা সমাজের এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে বাদ রেখে কোন মানব কল্যাণ হতে পারে না।

স্পিকার বলেন, রাজনীতিতে সকলের সমান সুযোগ গণতন্ত্রের মূলবাণী। রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণের বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। রাজনীতিতে সমানাধিকার প্রতিষ্ঠায় নারীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের সকল বাধা দূর করতে হবে। রাজনৈতিক নেতৃত্বে নারীদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বে একটি রোল মডেল। আগামী দিনে বিশ্ব রাজনীতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলাসহ সকল জাতীয় ও আনত্মর্জাতিক ফোরামে নারীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে। রাজনীতি ও সিদ্ধানত্ম গ্রহণ প্রক্রিয়ায় নারীদের সমানাধিকার নিশ্চিতকরণে ঈঊউঅড কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া ‘বেইজিং পস্ন্যাটফর্ম’সহ বিভিন্ন আনত্মর্জাতিক সেমিনার ও সংগঠনের মাধ্যমে নারীদেরকে রাজনৈতিক নেতৃত্বে আরও ব্যাপক অনত্মর্ভুক্তির বিষয়ে অনেক অগ্রগতি হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, নারীদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব রাজনৈতিক প্রভাব ও সিদ্ধানত্ম গ্রহণে ভূমিকা রাখে। তাইতো ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠায় নারী নেতৃত্বকে এগিয়ে নিয়ে নারীকে সিদ্ধানত্ম গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত করে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নকে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

অনুষ্ঠানে উগান্ডা পার্লামেন্টের স্পিকার রেবেকা কাডাগা (জবনবপপধ কধফধমধ), নাইজেরিয়ার মহিলা ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রী হাজিয়া জইনব মাইনা (ঐধলরুধ তধরহধন গধরহধ), কমনওয়েলথ এর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল

ড. জোসেফাইন ওজিয়াম্বো (উৎ. ঔড়ংবঢ়যরহব ঙলরধসনড়) বক্তৃতা করেন। এছাড়া ইউএন ওমেন, কমনওয়েলথ ফাউন্ডেশন, ওইসিডি সহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ বক্তৃতা করেন। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স'ায়ী প্রতিনিধি আব্দুল মোমেন এ সময় উপসি'ত ছিলেন।

#

মঞ্জুর/মোহাম্মদ আলী/অনসূয়া/খাদীজা/শুকলা/আসমা/২০১৫/১২৩০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                                                                                          নম্বর : ৭৬১

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী   

ঢাকা, ২ চৈত্র (১৬ মার্চ) :  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :  

“সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবসে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। দেশের সকল শিশুসহ দেশবাসীর প্রতি জানাচ্ছি আনত্মরিক শুভেচ্ছা।

বাল্যকাল থেকেই বঙ্গবন্ধু ছিলেন নির্ভীক, অমিত সাহসী এবং মানবদরদি। তিনি ছিলেন বাংলার আবালবৃদ্ধবনিতার অধিকার আদায়ের শেষ আশ্রয়স'ল। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ও প্রখর স্মৃতিশক্তির অধিকারী বঙ্গবন্ধুর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের মূল লড়্গ্য ছিল বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করা। পাকিসত্মানিরা প্রথমেই আঘাত হানে আমাদের মাতৃভাষা বাংলার উপর। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সাধারণ ধর্মঘট পালনকালে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ পর্যনত্ম তিনি বারবার কারারম্নদ্ধ হন। কখনও জেলে থেকে কখনও-বা জেলের বাইরে থেকে জাতির পিতা ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রম্নয়ারির বিয়োগানত্মক ঘটনার সময় বঙ্গবন্ধু অনত্মরিন অবস'া থেকে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ’৫৪-র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮-র আইয়ুব খানের সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬২-র শিড়্গা কমিশন বিরোধী আন্দোলন, ’৬৬-র ছয় দফা, ’৬৮-র আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭০-এর নির্বাচন এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ জাতির পিতার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। তাঁর সম্মোহনী ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব সমগ্র জাতিকে একসূত্রে গ্রথিত করেছিল। যার ফলে আমরা পেয়েছি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। বিকাশ ঘটেছে বাঙালি জাতিসত্তার।

জাতির পিতা শুধু বাঙালি জাতিরই নয়, তিনি ছিলেন বিশ্বের সকল নিপীড়িত-শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায় ও মুক্তির অগ্রনায়ক। তিনি যখন স্বাধীন বাংলাদেশের পুনর্গঠন কাজে আত্মনিয়োগ করেন, তখনই ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও উন্নয়নের ধারাকে নস্যাৎ করে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও উন্নয়নকে সত্মব্ধ করে দেওয়া হয়। অবৈধ সামরিক সরকারগুলো বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংবিধানকে ড়্গত-বিড়্গত করে। স্বাধীনতাবিরোধী, যুদ্ধাপরাধী ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিকে পুনর্বাসিত করে। জনগণ ভাত ও ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়।

জাতির পিতার হত্যাকারীদের প্রচলিত আদালতে বিচার ও রায় কার্যকর করার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতি আজ কিছুটা হলেও দায়মুক্ত হয়েছে। ফাঁসির আদেশপ্রাপ্ত অবশিষ্ট পলাতক আসামিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকর করার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। মানবতাবিরোধী-যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চলছে। বিচারের রায় বাসত্মবায়ন শুরম্ন হয়েছে। স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী এবং গণতন্ত্রবিরোধী শক্তির সকল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

শিশুদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর মমতা ছিল অপরিসীম। তাই তাঁর জন্মদিনকে শিশুদের জন্য উৎসর্গ করে ‘জাতীয় শিশু দিবস’ ঘোষণা করা হয়েছে। এই দিনে আমি সর্বশক্তিমান আলস্নাহর কাছে জাতির পিতার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং আগামীদিনের কর্ণধার শিশু-কিশোরদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবসে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে শিশুদের জন্য নিরাপদ আবাসভূমিতে পরিণত করার শপথ নিতে হবে। শিশুর ব্যক্তিত্ব গঠন ও দেশপ্রেম জাগ্রত করা এবং আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে তাদেরকে প্রিয় মাতৃভূমি ও জাতির পিতার সংগ্রামী জীবনের প্রকৃত ইতিহাস জানাতে হবে।

আসুন, শিশুদের কল্যাণে আমরা আমাদের বর্তমানকে উৎসর্গ করি। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে উদ্‌বুদ্ধ হয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি। দলমতনির্বিশেষে সকলে মিলে বঙ্গবন্ধুর ড়্গুধা, দারিদ্র্য ও নিরড়্গরতামুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলি।

               জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

                    বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

 

নুরএলাহি/মোহাম্মদ আলী/অনসূয়া/খাদীজা/শুকলা/আসমা/২০১৫/১২০০ ঘণ্টা  

 

 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                                                                                              নম্বর : ৭৬০

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলড়্গে রাষ্ট্রপতির বাণী 

ঢাকা, ২ চৈত্র (১৬ মার্চ) :   

      রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলড়্গে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন : 

      “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৫তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২০১৫ উপলক্ষে আমি এ মহান নেতার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। এ দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশের সকল শিশু-কিশোরকে জানাই আমার আনত্মরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

      সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন অত্যনত্ম হৃদয়বান, মানবদরদি কিন' অধিকার আদায়ে আপোশহীন। স্কুল জীবন থেকেই তাঁর মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলি পরিলক্ষিত হয়। চলিস্নশের দশকে এই তরম্নণ ছাত্রনেতা হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ও শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের সংস্পর্শে এসে সক্রিয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হন। এ মহান নেতার চিনত্মা-চেতনায় সবসময় কাজ করত বাংলা, বাঙালি ও বাংলাদেশ। তিনি ছিলেন বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা। ’৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ’৫৪ এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ’৫৮ এর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ’৬৬ এর ৬ দফা, ’৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান ’৭০ এর নির্বাচনসহ বাঙালির মুক্তি ও অধিকার আদায়ে পরিচালিত প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন। এজন্য তাঁকে জীবনে বহুবার কারাবরণ করতে হয়েছে; সহ্য করতে হয়েছে অমানবিক নির্যাতন। তবুও তিনি কখনো অধিকারের প্রশ্নে আপোশ করেননি। বাঙালি জাতির এই অবিসংবাদিত নেতা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এদেশের আপামরজনগণ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জন করে বহু কাঙ্ক্ষিত স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ। তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য আজ এদেশের মানুষের কাছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু এক ও অভিন্ন সত্তায় পরিণত হয়েছে। সামগ্রিক বিচারে বঙ্গবন্ধু একজন ব্যক্তি নন, তিনি এক অনন্যসাধারণ ইতিহাস। তিনি নিজ গুণ ও কর্মে পারিবারিক গ-ি পেরিয়ে সমাজ, দেশ ও সমকালীন বিশ্বে চির ভাস্বর হয়ে আছেন। তিনি কেবল বাঙালির নন, বিশ্বে নিপীড়িত-শোষিত মানুষের স্বাধীনতার প্রতীক, মুক্তির দূত।

      স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বসত্ম দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করেন। ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’ - এ পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তিতে আনত্মর্জাতিক পরিম-লে সম্পর্ক উন্নয়নে বন্ধুপ্রতিম দেশসহ অন্যান্য দেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স'াপনে তিনি জোর তৎপরতা চালান। তাঁর অনন্যসাধারণ গুণাবলি, বিশ্বমানের উঁচু নেতৃত্ব ও গ্র্রহণযোগ্যতার কারণে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্রম্নত পরিচিতি লাভ করে।

      স্বাধীনতার মহান স'পতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন তা বাসত্মবায়নের জন্য আমাদের নতুন প্রজন্মকে সোনার মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। শৈশব থেকেই তাদের মধ্যে সৎ গুণাবলির উন্মেষ ঘটাতে হবে। জ্ঞান-গরিমা, শিক্ষা-দীক্ষা, সততা ও নিষ্ঠাবোধ জাগ্রত করার মাধ্যমে তাদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে যাতে তারা নিজেদের গড়ার পাশাপাশি দেশ ও মানুষকে ভালোবাসতে শেখে।

      বাংলাদেশ জাতিসংঘ ‘শিশু অধিকার সনদ’ স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর অন্যতম। সরকার শিশু অধিকার সংরক্ষণ ও বাসত্মবায়নে অত্যনত্ম আনত্মরিক। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগকে আমি সাধুবাদ জানাই। শিশুদের সুন্দর ভবিষ্যৎ এবং সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে আমি দলমতনির্বিশেষে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানাই।

      আমি জাতির পিতার ৯৫তম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করি।

      খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

 

আজাদ/মোহাম্মদ আলী/অনসূয়া/খাদীজা/শুকলা/আসমা/২০১৫/১২০০ ঘণ্টা 

 

 

Todays handout (3).doc Todays handout (3).doc

Share with :

Facebook Facebook