তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ জুন ২০২২

তথ্যবিবরণী ২৫ জুন ২০২২

Handout                                                                                                                      Number: 2584

 

Foreign Minister appeals for a visa-free Commonwealth Regime

 

Dhaka, 25 June:

Foreign Minister Dr. A K Abdul Momen called for strengthening free mobility of trade and investment and human resources and introducing a visa-free Commonwealth regime, during the 26th Commonwealth Heads of Government Meeting (CHOGM) meeting at the Rwandan capital Kigali today.

            President of Rwanda Paul Kagame officially welcomed more than thirty Heads of States, Foreign Ministers and delegates to this year’s CHOGM taking place from 24-25 June in Rwanda under the theme “Delivering a Common Future: Connecting, Innovating, Transforming.” The Commonwealth leaders discussed building more partnerships among Commonwealth countries in areas including sustainable and inclusive development, governance, and rule of law, post-covid recovery, youth technology, and innovation. 

While delivering a speech at the CHOGM executive session, Foreign Minister Momen reiterated that commitment made in COP 26 on limiting temperature increase within 1.5 degrees and mobilizing 100 billion climate finance must continue to remain the flagship agenda of the Commonwealth. He also proposed a crisis management mechanism in Commonwealth to address equitable access to global public health goods and services, including vaccines and therapeutics as well as mental health. He called upon Commonwealth nations to exert pressure on the Myanmar regime to comply with the ‘Provisional Measures’ by the ICJ and create a conducive environment in the Rakhine State for the safe, secure and dignified return of their nationals.

During the CHOGM the role of Bangladesh in climate change was commended by Australian Deputy Prime Minister and British Prime Minister while the Sultan of Brunei and Deputy Prime Minister of Malta commended Bangladesh on its pioneering role and initiative on Mental Health. 

While attending CHOGM and it’s sideline meetings, the Foreign Minister also had bilateral meeting with his counterpart of Commonwealth of Dominica, Jamaica, Sri Lanka, Australia and the UK. Issues of bilateral interest were discussed during the meetings. 

The two-day meeting ended with adopting declarations on childcare and protection reform; the Commonwealth Living Land Charter, the declaration on sustainable urbanization, and the Heads of Governments Communiqué. A Leader’s Statement was also adopted at the Retreat.

#

Mohsin/Pasha/Rafiq/Sanjib/Shamim/2022/2105 hours

তথ্যবিবরণী                                                                                                 নম্বর : ২৫৮৩

 

ইসলামাবাদে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পদ্মা সেতুর সরাসরি উদ্বোধন অনুষ্ঠান উদ্‌যাপন

 

ইসলামাবাদ, ২৫ জুন :

 

বাংলাদেশ হাইকমিশন, ইসলামাবাদ যথাযথ উৎসাহ ও উদ্দীপনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক বাঙালির স্বপ্নের পদ্মা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি পালন করেছে। এ উপলক্ষ্যে দূতালয় প্রাঙ্গণ বর্ণাঢ্য ব্যানার ও পোস্টারে সুসজ্জিত করা হয়। আমন্ত্রিত অতিথিসহ হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। এরপর পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের লাইভ স্ট্রিমিং এ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অতিথিবৃন্দ পরিবারে যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

 

লাইভ স্ট্রিমিং শেষে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার রুহুল আলম সিদ্দিকী তাঁর বক্তৃতায় বলেন, বাংলাদেশের আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদার প্রতীক পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক উদ্বোধনে আমরা সবাই অত্যন্ত আনন্দিত। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের নিয়োজিত সকল দেশি-বিদেশি প্রকৌশলী, পরামর্শক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, নিরাপত্তা তদারকিতে নিয়োজিত সেনাবাহিনী ও নির্মাণ শ্রমিকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ নিজস্ব অর্থায়নের সেতু নির্মাণের ঘোষণা দেশের জনগণের কাছে বিপুল সমর্থন পেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর সাহসিকতা, বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ও যুগোপযোগী সিদ্ধান্ত এবং জনগণের শক্তি হৃদয়ে ধারণ করে বাংলাদেশ সরকারের সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী দিনে গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্ন পূরণে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শোষণহীন, বঞ্চনাহীন, সমৃদ্ধ ও জ্ঞাননির্ভর জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার সক্ষম হবে।

 

আলোচনা শেষে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ওপর নির্মিত একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শিত হয়। এসময় হাইকমিশনার উপস্থিত সকলকে নিয়ে পদ্মা বহুমুখী সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে কেক কাটেন। সবশেষে জাতির পিতার আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

#

 

জামিল/পাশা/রফিক/সঞ্জীব/মাহমুদ/আব্বাস/২০২২/১৮২৩ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৫৮২

 

ইতালিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে পদ্মা সেতু উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত উদ্‌যাপন

 

ইতালি, ২৫ জুন :

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক আজ পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের সাথে সঙ্গতি রেখে বাংলাদেশ দূতাবাস, রোম প্রাঙ্গণে এক বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। উৎসবমুখর ও আনন্দঘন এ অনুষ্ঠানে ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা, বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, নারী নেতৃবৃন্দ, মিডিয়াকর্মীসহ দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

 

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোঃ শামীম আহসান স্বাগত বক্তব্যে বলেন, পদ্মা সেতু বাংলাদেশের গর্ব, আত্মনির্ভরশীলতা ও  আত্মমর্যাদার প্রতীক। বাঙালি জাতির এ গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক দিনে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিশেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাহসিকতা, বলিষ্ঠ সিদ্ধান্ত ও যুগোপযোগী পদক্ষেপের ফলেই সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে প্রমত্তা পদ্মার বুকে এই সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। অসংখ্য প্রতিকূলতা ও চক্রান্ত পরাভূত করে বাঙালির স্বপ্ন পূরণের এ দিনে এ সেতু নির্মাণের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দিত করে তিনি বলেন, সরকার ও জনগণের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টার ফলে এই সেতু নির্মাণের মাধ্যমে বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সুযোগ হয়েছে।

 

অনুষ্ঠানে জাতির এ মাহেন্দ্রক্ষণ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয় এবং পদ্মা সেতুর ওপর নির্মিত বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। উপস্থিত সকলে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার উপভোগ করেন। অনুষ্ঠান শেষে পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষ্যে নির্মিত গান (থিম সং) এক উৎসবের আমেজ তৈরি করে। এ গৌরবময় মুহূর্তে দূতাবাসের পক্ষ থেকে সকলকে আপ্যায়ন ও মিষ্টিমুখ করানো হয়।

 

#

 

পাশা/রফিক/সঞ্জীব/মাহমুদ/আব্বাস/২০২২/১৮০৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ২৫৮১

 

কোভিড-১৯ সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদন

 

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) :   

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর তথ্যানুযায়ী গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ হাজার ২৮০ জনের শরীরে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। এ সময় ৮ হাজার ৪৯২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।            

গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত ২৯ হাজার ১৩৮ জন করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন। করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৫১৯ জন।  

#

 

জাকির/পাশা/রফিক/সঞ্জীব/মাহমুদ/রেজাউল/২০২২/১৭২০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর : ২৫৮০

‍‍‍‍‍তিন জেলায় চাল, নগদ টাকা ও শুকনো খাবার বরাদ্দ

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) : 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা ও কিশোরগঞ্জ জেলায় বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চাল, নগদ টাকা ও শুকনো খাবার বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। গতকাল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে এ বরাদ্দ দেয়া হয়।

বরাদ্দকৃত জেলাসমূহের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় ২ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট, কুমিল্লা জেলায় ২’শ মেট্রিক টন চাল, ১৭ লক্ষ নগদ টাকা, ১ হাজার ৭০০ শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট এবং কিশোরগঞ্জ জেলায় ১’শ মেট্রিকটন চাল, ১০ লক্ষ নগদ টাকা এবং ২ হাজার শুকনো ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ।

এর আগে ‍‍দেশের ১১ টি জেলায় সাম্প্রতিক বন্যায়  মানবিক সহায়তা হিসেবে জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে ১৭ মে থেকে ২২ জুন পর্যন্ত ৪ হাজার ২০ মেট্রিক টন চাল, পাঁচকোটি ৩৬ লক্ষ টাকা এবং ৯৫ হাজার শুকনো  ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ।

বরাদ্দকৃত নগদ অর্থ শুধু আপদকালীন সময়ে বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে মানবিক সহায়তা হিসেবে বিতরণের জন্য দেয়া হয়েছে।

#

সেলিম/অনসূয়া/মেহেদী/শাম্মী/জুলফিকার/রেজ্জাকুল/মানসুরা/২০২২/১৫০৫ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                         নম্বর : ২৫৭৯

নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল-এ ‘পদ্মা সেতু’র উদ্বোধন উদযাপন

নিউইয়র্ক, ২৫ জুন : 

‘পদ্মা সেতু’র উদ্বোধনের ঐতিহাসিক মুহূর্ত যথাযথভাবে উদযাপনের জন্য আজ নিউইয়র্কে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। নিউইয়র্কে বসবাসকারী বীর মুক্তযোদ্ধা, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মিডিয়া নেতৃবৃন্দ ও কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে। উপস্থিত সকলে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পদ্মা সেতু’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার উপভোগ করে।

কনসাল জেনারেল ড. মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম পদ্মা সেতুকে আত্মবিশ্বাস ও প্রেরণার প্রতীক হিসাবে আখ্যায়িত করে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন জাতি হিসেবে আমাদের এক অনন্য অর্জন, যা শুধুমাত্র আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতার পরিচয়ই বহন করে না, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছে। রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ স্থাপিত হওয়ায় এ অঞ্চলের বহুমুখী উন্নয়নে এ সেতুর গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্পায়ন ও পর্যটন শিল্পে  অগ্রগতিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে এ সকল জেলার উন্নয়নের জন্য  নতুন দ্বার উন্মোচিত করার পাশাপাশি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে পদ্মা সেতু অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে এ সেতু ইতিবাচক অবদান রাখবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

#

অনসূয়া/মেহেদী/শাম্মী/রেজ্জাকুল/মানসুরা/২০২২/১৩৩০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                         নম্বর : ২৫৭৮

মুক্তিযুদ্ধ বিজয়ের পর সবচেয়ে আনন্দের দিন আজ - পদ্মা সেতু উদ্বোধনে তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) : 

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিনটিকে মুক্তিযুদ্ধের পঞ্চাশ বছর পর আবার সবচেয়ে আনন্দের দিন বলে আখ্যায়িত করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ।

আজ সকালে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে পদ্মা সেতু উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগদানকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'আজকের দিনটি সমস্ত বাঙালির জন্য অত্যন্ত আনন্দের। আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখেছি। মুক্তিযুদ্ধের পর মানুষের মধ্যে যে আনন্দ-উল্লাস ছিল, দীর্ঘ ৫০ বছরের পথচলায় বাঙালি যেন আজ আবার সেই একইরকম আনন্দ-উল্লাস করছে।'

ব্যক্তিগত অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে ড. হাছান মাহমুদ  বলেন, 'ছোটবেলায় দশ-এগারো বছর বয়সে যখন মাঠের কোণে দাঁড়িয়ে বা বাড়ির ছাদ থেকে ঈদের চাঁদ দেখতাম, তখন যে আনন্দ হতো, আজকের আনন্দ ঠিক একইরকম। দেশের সব মানুষ আজ খুশি। যদি সুযোগ থাকতো, দেশের সব মানুষ এখানে এই পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে হাজির হতো।'

'বাঙালি হার না মানা জাতি' উল্লেখ করে সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, 'আমরা যে হার মানি না, সমস্ত ষড়যন্ত্রকে ছিন্ন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা দেখিয়ে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু যেমন স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, বঙ্গবন্ধুকন্যাও দেখিয়ে দিয়েছেন যে, তার নেতৃত্বে বাঙালি মাথা নত করে না, সমস্ত প্রতিবন্ধকতা উপড়ে ফেলে বাঙালি মাথা উঁচু করেই চলতে পারে, সমস্ত প্রতিকূলতা জয় করে লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে।'

#

আকরাম/অনসূয়া/মেহেদী/শাম্মী/জুলফিকার/রেজ্জাকুল/মানসুরা/২০২২/১৫১৫ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                              নম্বর : ২৫৭৭

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) : 

 

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল ২৬ জুন ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ২৬ জুন মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।

২০১৮ সালের নির্বাচনি ইশতেহারে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা সরকার গঠনের পর মাদক নিয়ন্ত্রণে নতুন নতুন কার্যক্রম গ্রহণ করি। মাদক অপরাধ দমনে ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ ঘোষণা অনুযায়ী মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ডসহ দেশের সকল আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন কাজ করে যাচ্ছে। এ সংক্রান্ত আইন যুগোপযোগী করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে অবৈধ মাদক ব্যবসায়ীদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।  

একটি সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে মাদকাসক্তদের সুচিকিৎসার প্রয়োজন। এ জন্য আমাদের সরকার বহুমুখী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে মাদকাসক্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিত বেসরকারি ও পরামর্শকেন্দ্রগুলোকে সরকারি অনুদান প্রদানের পাশাপাশি তাদেরকে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। সরকারি পর্যায়ে চিকিৎসা সেবা বাড়াতে বিদ্যমান সরকারি কেন্দ্রগুলোতে শয্যাসংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং ঢাকার কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রটি ২৫০ শয্যায় উন্নীতকরণসহ ঢাকার বাইরে সাতটি বিভাগে ২০০ শয্যা মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র স্থাপনের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচাররোধে আমাদের সরকার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। 

মাদক নির্মূল করার জন্য আইনের প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি করে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ও সমাজের সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে মাদকের চাহিদা অচিরেই অনেকাংশে হ্রাস পাবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

আমি দিবসটি উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।  

                                                                                                     জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

                                                                                                      বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

আশরাফ/অনসূয়া/মেহেদী/শাম্মী/রেজ্জাকুল/মানসুরা/২০২২/১২০০ ঘণ্টা 

 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                              নম্বর : ২৫৭৬

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী  

ঢাকা, ১১ আষাঢ় (২৫ জুন) : 

            রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ আগামীকাল ২৬ জুন ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২২’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

“মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কর্তৃক ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২২’ পালনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই।

বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বেই কমবেশি মাদকের অপব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। কোনো দেশে মাদকাসক্তদের সংখ্যা ও মাদকের অপব্যবহার বেড়ে গেলে সে দেশের নিরাপত্তা, সুশাসন, অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে যায়। মাদকের অপব্যবহার ও পাচাররোধে সম্মিলিত উদ্যোগ খুবই জরুরি। বৈশ্বিকীকরণের প্রভাব ও তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় উৎকর্ষ তথা ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের মাধ্যমে মানুষের জীবনযাত্রায় যেমন ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, তেমনি প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে আন্তর্জাতিক মাদক চোরাকারবারীরা মাদকের উৎপাদন, বিপণন ও পাচারে তথ্যপ্রযুক্তিকে অন্যায়ভাবে কাজে লাগিয়ে পৃথিবীর একপ্রান্ত হতে অপর প্রান্তে মাদক পৌঁছে দিচ্ছে। ফলে মাদকসহ অনেক জীবননাশকারী দ্রব্য সহজেই মাদকসেবীদের হাতের নাগালে চলে আসছে। বর্তমানে যুবসমাজ ট্র্যাডিশনাল ড্রাগস গ্রহণের পরিবর্তে সিনথেটিক ড্রাগস এর  দিকে ঝুঁকে পড়ছে যা শরীরের জন্য আরো বেশি ক্ষতিকর। এ বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরসহ আইন প্রয়োগকারী সকল সংস্থাকে তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমি আশা করি নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে দেশে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধের পাশাপাশি ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা পাবে দেশের যুবসমাজ।

বর্তমান সরকার মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি ঘোষণা করেছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধকল্পে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা (Comprehensive Action Plan) প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন করছে। মাদকাসক্তদের যথাযথভাবে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ‘National Gideline for Management of Substance Use Disorders, Bangladesh’ প্রণয়ন করা হচ্ছে। দেশের যুবসমাজকে মাদকের নীল দংশন থেকে রক্ষা করতে সমাজের সকল স্তরে মাদকের কুফল সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলা প্রয়োজন। মাদকের বিরুদ্ধে এ লড়াইয়ে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শক্ত পারিবারিক বন্ধন সন্তানকে মাদক ও জঙ্গিবাদের কুপ্রভাব থেকে দূরে রাখে, তাকে সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমি মাদকের অপব্যবহার প্রতিরোধে ছাত্র-শিক্ষক, অভিভাবকসহ সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানাচ্ছি।

আমি ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস-২০২২’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করছি।

জয় বাংলা।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশে চিরজীবী হোক।”

#

হাসান/অনসূয়া/মেহেদী/শাম্মী/রেজ্জাকুল/মানসুরা/২০২২/১২১০ ঘণ্টা 

2022-06-25-15-13-5d1e58aa64a34b47a5fec887cc1a0a40.doc 2022-06-25-15-13-5d1e58aa64a34b47a5fec887cc1a0a40.doc

Share with :

Facebook Facebook