তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

তথ্যবিবরণী ৯ ডিসেম্বর ২০১৯

তথ্যবিবরণী                                             নম্বর : ৪৬৬২                                                                                          

 

অজয় রায়ের মৃত্যুতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর শোক

                       

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :

     বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক অজয় রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

     আজ এক শোকবার্তায় মন্ত্রী অজয় রায়ের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

     মহান মুক্তিযুদ্ধে এবং শিক্ষাঙ্গনে অজয় রায়ের অবদানের কথা স্মরণ করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশ এবং পদার্থ গবেষণার ইতিহাসে অজয় রায়ের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

#

মারুফ/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০১৯/২১১৮ ঘণ্টা  

 

তথ্যবিবরণী                                           নম্বর : ৪৬৬১                                                                                         

২০২০ সালে ফাইভ জি জগতে পা দেবে বাংলাদেশ

                  --- মোস্তাফা জব্বার

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :

     ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ২০২০ সালে ফাইভ জি (৫এ) জগতে পা দেবে বাংলাদেশ। এটি নতুন সভ্যতার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

     আজ রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ডিজিটাল ও সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সাত সদস্যের একটি আমেরিকান বিশেষজ্ঞ দলের সাথে বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

     মন্ত্রী বলেন, ফাইভ জি শিল্প, বাণিজ্য, কৃষি, শিক্ষা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে অভাবনীয় ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, ফাইভ জি’র ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। ফাইভ জি সম্প্রসারণে ইতোমধ্যে রোডম্যাপ তৈরি করা হয়েছে। ২০২৬ সালের মধ্যে সারা দেশে সম্প্রসারণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১৬, ১৭ এবং ১৮ জানুয়ারি ডিজিটাল মেলায় সবচেয়ে গুরুত্ব দিয়ে ফাইভ জি লাইভ দেখানো হবে।

     মন্ত্রী বলেন, ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আমেরিকান প্রতিনিধিদলের সাথে আলোচনায় আমেরিকান মালিকানাধীন কোম্পানির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যে অনেক সময় আমাদের চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে সে বিষয়টিকে তাদের অবহিত করা হয়েছে। বিষয়টিকে তারাও গুরত্ব দিয়ে দেখছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে আমাদের সংকটে ফেলে দেয়। এর মাধ্যমে গুজব রটানো, জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের বিস্তার ঘটানো হয়। নিরাপত্তা বিষয়ে আগামীতে সরকার এবং কোম্পানি পর্যায়ে আলোচনা অব্যাহত রাখা হবে।

     বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব নুর-উর- রহমান, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মোহসিনুল আলম, ইউ এস স্টেট ডিপার্টমেন্টের সাইবার বিশেষজ্ঞ জন পিলেটিস, লিসা জি এবং ড্যানিয়েল

লারসন-সহ বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধŸতন কর্মকর্তা ও আমেরিকান দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ অংশগ্রহণ করেন।

#

আকতারুল/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০১৯/২০৪০ঘণ্টা  

 

তথ্যবিবরণী                                            নম্বর : ৪৬৬০                                                                                            

অধ্যাপক অজয় রায়ের মৃত্যুতে পরিবেশ মন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :

     একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট পদার্থবিদ অধ্যাপক অজয় রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।

     এক শোকবার্তায় মন্ত্রী জানান, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অবদানের জন্য বাংলাদেশের মানুষ তাঁকে চিরদিন স্মরণ করবে।

     উল্লেখ্য, একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট পদার্থবিদ ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক অজয় রায় (৮৫) আজ রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।

#

দীপংকর/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০১৯/২০০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৬৫৯
 
বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি
 
ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :
বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ ২৫ দশমিক ৮ স্কোর করে ১১৭টি দেশের মধ্যে ৮৮তম হয়েছে। এর আগে ২০০০ সালে বাংলাদেশের স্কোর ছিলো ৩৬, যা ক্ষুধা সূচকে ‘ভীতিকর’ অবস্থাকে নির্দেশ করে। ২০১০ সালে স্কোর কিছুটা কমে হয় ৩০ দশমিক ৩। অর্থাৎ ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করে যাচ্ছে।
আজ কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বিশ্ব ক্ষুধা সূচক ২০১৯ এর প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে বাংলাদেশ সার্বিকভাবে উন্নতির দিকেই রয়েছে। বাংলাদেশ শিশু মৃত্যু  হ্রাসে ভালো করেছে এবং অন্যান্য সূচকেও ভালো করবে। পুষ্টিহীনতা, খর্বাকৃতি শিশু এবং শিশু মৃত্যু হার বাংলাদেশে হ্রাস পেয়েছে। সরকার সামাজিক নিরাপত্তার নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। 
উল্লেখ্য, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে কোন্টির জনগণ কতটা খাদ্যাভাব অর্থাৎ ক্ষুধায় পীড়িত, তা তুলে ধরা হয় বিশ্ব ক্ষুধা সূচক বা গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে। এই সূচকে শূন্য থেকে ১০০ পয়েন্টের মাপকাঠিতে যাচাই করা হয় কোন্ দেশটি কতটা ক্ষুধাপীড়িত। এই মাপকাঠিতে শূন্য হচ্ছে সবচেয়ে ভালো স্কোর, যার অর্থ সেই দেশটিতে ক্ষুধা নেই, আর ১০০ হচ্ছে সবচেয়ে ভয়াবহ অবস্থা। ১০ এর কম স্কোর পাওয়ার অর্থ সেই দেশে ক্ষুধার সমস্যা কম। ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ স্কোরের অর্থ তীব্র ক্ষুধা, ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ অর্থ ভীতিকর ক্ষুধা আর ৫০ বা তার বেশি স্কোর বলতে বোঝায় চরমভাবে ভীতিকর ক্ষুধায় পীড়িত দেশকে।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জাতীয় পুষ্টি সেবার লাইন ডিরেক্টর ডা. এসএম মোস্তফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পুষ্টি কাউন্সিলের মহাপরিচালক ডা. শাহ নেওয়াজ, কনসার্ন ওয়ার্ল্ডওয়াইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর একেএম মুসা এবং হেলভেটাস বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর উম্মে হাবিবা।
#
গিয়াস/মাহমুদ/রাহাত/মোশারফ/জয়নুল/২০১৯/ ঘণ্টা
 

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৬৫৮

জাতিসংঘের ‘কমন ফান্ড ফর কমোডিটিজ’ এর নতুন প্রধান বাংলাদেশ

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :

            জাতিসংঘের কমন ফান্ড ফর কমোডিটিজ (সিএফসি) এর পরবর্তী ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।

            গত বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সিএফসি’র গভর্নিং কাউন্সিলের ৩১তম বার্ষিক সভায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অপর ৫ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে নেদারল্যান্ডসে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ মুহম্মদ বেলাল আগামী ৪ বছরের জন্য এ পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

            বর্তমানে বাংলাদেশ, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন, জার্মানি, ইতালী, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, ভারত, পাকিস্তান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ইত্যাদি দেশ-সহ ১০১টি দেশ এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, আফ্রিকান ইউনিয়ন ইত্যাদি-সহ ৯টি সংস্থা এই সংগঠনের সদস্য এবং এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের অ্যামস্টারডামে।

            উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের কমন ফান্ড ফর কমোডিটিজ তার নিজস্ব অর্থায়নে জাতিসংঘভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর ভোগ্যপণ্য উৎপাদনকারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রকল্প সহায়তা দিয়ে থাকে।

#

আকরাম/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৯/১৯০০ঘণ্টা

Handout                                                                                                                     Number : 4657

Bangladesh new Head of UN-CFC

Dhaka, 9 December :

            Bangladesh secured the post of Managing Director of the UN Common Fund for Commodities (CFC) on winning the election among 6 candidates, held at 31st CFC Governing Council meeting in Amsterdam this Wednesday, December 4.

            Bangladesh Ambassador to the Netherlands Sheikh Mohammed Belal will, therefore, be the next Managing Director of the Common Fund for Commodities (CFC), an autonomous intergovernmental financial institution established within the framework of the United Nations for the next four years. The CFC is mandated to enhance the socio-economic development of commodity producers and contribute to the development of society as a whole through projects financed from its own resources.

            Presently, 101 States including Bangladesh, Netherlands, UK, Russia, China, Germany, Italy, Brazil, Argentina, India, Pakistan, Saudi Arabia, UAE, Egypt, Indonesia, Malaysia and 9 organizations including the European Union and African Union are the members of CFC, and it is now headquartered in Amsterdam, the Netherlands.

            In the past, Bangladesh received funding support from the CFC for the projects in dairy, bamboo, tea, jute, fishery, sugarcane, meat, rubber-wood,  medical plants and herbs, kenaf, etc. sectors.

            For the next four years, Ambassador Belal will, therefore, be working as Managing Director of the CFC, based in Amsterdam, the Netherlands after completing his tenure as Ambassador of Bangladesh to the Netherlands, Croatia, and Bosnia and Herzegovina.

#

Akram/Mahmud/Mosharaf/Joynul/2019/1800hours 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৪৬৫৬

অধ্যাপক অজয় রায়ের মৃত্যুতে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :     

          একুশে পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট পদার্থবিদ ও একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক অজয় রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

          এক শোকবার্তায় প্রতিমন্ত্রী জানান, মুক্তিযোদ্ধা অজয় রায়ের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল মহান ভাষা আন্দোলন ও ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানেও।  মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অবদানের জন্য বাংলাদেশের মানুষ তাঁকে আজীবন স্মরণে রাখবে।

          প্রতিমন্ত্রী প্রয়াতের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।   

          অন্য এক শোকবার্তায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল এনডিসি  অজয় রায়ের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

#

ফয়সল/পরীক্ষিৎ/শামীম/২০১৯/১৬৪৯ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৪৬৫৫

বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত ১৯ জাতি ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের উদ্বোধন কাল

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :     

          ১৯ দেশের অংশগ্রহণে কাল থেকে ঢাকায় শুরু হতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার ৭ম আসর ‘ইওনেক্স-সানরাইজ বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল চ্যালেঞ্জ ২০১৯’। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর আসন্ন জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ প্রতিযোগিতা জাতির পিতার মহান স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত, জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি ও তথ্যসচিব আবদুল মালেক। 

          সোমবার সকালে ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম কমপ্লেক্সের শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামে ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তথ্যসচিব বলেন, ‘আগামী ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা এই আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট জাতির পিতার অমর স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করছি। এ সংবাদ সম্মেলন থেকে আমরা জাতির পিতা ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাই।’ 

          দেশের অন্যান্য ক্রীড়া অনুষ্ঠানের চেয়ে ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক দেশ অংশগ্রহণ করে থাকে এবং প্রতিবছর এ সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, জানান ফেডারেশন সভাপতি।

          কাল দুপুর ২টায় শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ ইনডোর স্টেডিয়ামের উডেন ফ্লোরে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সভাপতি ও তথ্যসচিব আবদুল মালেক এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল।

          আবদুল মালেক জানান, ১০-১৫ ডিসেম্বর টুর্নামেন্টের সিনিয়র ও ১৭-২২ ডিসেম্বর জুনিয়র গ্রুপের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। অস্ট্রেলিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা- চার মহাদেশের ১৯টি দেশের ১১২ জন পুরুষ ও ৫৬ জন প্রমীলাসহ মোট ১৬৮ জন প্রতিযোগী এতে অংশগ্রহণ করবেন।

          ব্যাডমিন্টন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ও ব্যাডমিন্টন এশিয়া’র সার্বিক তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের ব্যবস্থাপনায় এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশসহ ১৯টি দেশের প্রতিযোগিরা অংশ নিচ্ছে। ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের সহসভাপতি জহুরুল ইসলাম স্বপন, সাধারণ সম্পাদক আমীর হোসেন বাহার, প্রধান নির্বাহী মশিউর রহমানসহ কর্মকর্তারা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। 

#

আকরাম/পরীক্ষিৎ/জসীম/শামীম/২০১৯/১৬৩৪ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৪৬৫৪

জাতীয় ভ্যাট দিবস ও জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহে রাষ্ট্রপতির বাণী          

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :     

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ১০ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস, ২০১৯’ ও ‘জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহ, ২০১৯’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :  

          “জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উদ্যোগে ১০ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস’ এবং ১০-১৫ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহ’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। ভ্যাটদাতা ও ব্যবসায়ীবৃন্দকে উৎসাহ প্রদানের পাশাপাশি ভ্যাট বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে আমি মনে করি। জাতীয় ভ্যাট দিবস উপলক্ষে আমি ব্যবসায়ী, ভোক্তাসাধারণ ও ভ্যাট আহরণ কাজে নিয়োজিত সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।

          রাষ্ট্র পরিচালনাসহ রাষ্ট্রের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে অব্যাহত রাখতে রাজস্ব অপরিহার্য উপাদান। রাজস্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীলতা যেমন অর্জন হচ্ছে তেমনি বিশ্ব দরবারে উন্নত জাতি হিসাবে নিজেদের পরিচয় তুলে ধরাও সম্ভব হচ্ছে। বর্তমান সরকার রাজস্ব প্রবৃদ্ধির এই ধারাকে আরো গতিশীল করার উদ্যোগ হিসাবে জনকল্যাণমুখী রাজস্ব নীতি গ্রহণ করেছে। ভ্যাট ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার প্রয়াসে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নতুন ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২’ বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আহরণে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।

          রাজস্বের প্রধান উৎস হচ্ছে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট। যথাযথভাবে ভ্যাট আদায়ে রাজস্ব আহরণকারী কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও যোগাযোগ বৃদ্ধি খুবই জরুরি। ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস’ ও ‘জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহ’ পালনের মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও ভোক্তাসাধারণের মধ্যে ভ্যাট সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাষ্ট্রের রাজস্ব ভান্ডার সমৃদ্ধ হবে -এ প্রত্যাশা করি।

          আমি ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস, ২০১৯’ ও ‘জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহ, ২০১৯’ এর সার্বিক সফলতা কামনা করছি।   

          খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

আজাদ/পরীক্ষিৎ/সুবর্ণা/শামীম/২০১৯/১২৩৪ ঘণ্টা

 

 

Handout                                                                                                              Number : 4653

Prime Minister’s message on the International Human Rights Day

Dhaka, 9 December :  

            Prime Minister Sheikh Hasina has given the following message on the occasion of the International Human Rights Day : 

            "On the auspicious occasion of the International Human Rights Day, I, on behalf of the Government and the people of Bangladesh, reiterate our strong commitment to uphold human rights and fundamental freedoms of all people around the world as enshrined in the Universal Declaration of Human Rights (UDHR).

            Human rights and fundamental freedoms are the core values that Bangladesh stands for. Bangladesh achievd its independence through a nine-month long War of Liberation in 1971 that aimed at putting an end to oppression, discrimination and injustice to people of this land. Therefore, the fundamentals of UDHR that 'all human beings are born free and equal in dignity and rights' is deeply embedded in our genesis. Bangladesh's first constitution, which was adopted after the liberation war, thus enumerated all human rights as fundamental rights and fundamental principles of State policy.

            Our commitment to human rights is aptly reflected in the maiden speech of Bangladesh to the United Nations General Assembly, where the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman stated 'The Very struggle of Bangladesh symbolized the universal struggle for peace and justice. It was, therefore, only natural that Bangladesh, from its very inception, should stand firmly by the side of the oppressed people of the world.'

            Our government has prioritized human rights, especially by creating opprtunities for all, irrespective of race, ethnicity, color, religion, caste or/and background guided by the constitutional pledge. We have invested in human development to improve the quality of lives of our people and thus better enjoy of civil, political, social, economic and cultural rights and freedoms to realize our overarching goal for equality, human dignity and social justice.

            Bangladesh, as a responsible member of international community also maintains a strong bond of cooperation and collaboration with the international partners including the United Nations and its human rights mechanism. Bangladesh has been actively contributing towards the promotion and protection of human rights for all. We are hosting over one million persecuted Rohingyas from Myanmar in Bangladesh and lead the humanitarian response for them. Bangladesh continues to urge the international community to work towards ensuring the fundamental human rights of the Rohingya population including their right to return to their homeland, self-identification and other basic human rights and their right to seek justice.

            Bangladesh renews its firm commitment to stand by the United Nations and the international community in their efforts towards building a future based on shared values of equality and human dignity.

Joi Bangla, Joi Bangabandhu

May Bangladesh Live Forever."

#

Sarwar/Parikshit/Zulfikar/Shamim/2019/1228 hours

Not to publish before 5 PM

আজ বিকাল পাঁচটার পূর্বে প্রচার বা প্রকাশ করা যাবে না

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর: ৪৬৫২

জাতীয় ভ্যাট দিবস ও জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ ( ৯ ডিসেম্বর) :    

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ ডিসেম্বর ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস, ২০১৯’ ও ‘জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহ, ২০১৯’ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:

          “জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের উদ্যোগে ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস, ২০১৯’ ও ‘জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহ, ২০১৯’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।

          এ উপলক্ষে দেশের আপামর জনগণ, ব্যবসায়ী এবং ভ্যাট আহরণ ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত রাজস্ব কর্মীদের জানাচ্ছি আমার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

          সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রতিষ্ঠিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ১৯৭২ সাল থেকে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের মাধ্যমে দেশকে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ভ্যাট দেশের অভ্যন্তরীণ রাজস্বের অন্যতম প্রধান উৎস। রাজস্ব আয় থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়েই সরকার উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সেবা প্রদানের ব্যয় নির্বাহ করে থাকে। এই অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বর্তমান সরকার মজবুত ও টেকসই অর্থনৈতিক ভিত্তি বিনির্মাণ করছে।

          দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে রাজস্বের গুরুত্ব অনুধাবন করে রাজস্ব আইনসমূহ সংস্কার ও প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। আমাদের সরকার রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে যুগোপযোগী ও শক্তিশালী করার যাবতীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সময় ও অর্থ সাশ্রয়ী আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থা প্রবর্তনের লক্ষ্যে ১ লা জুলাই ২০১৯ হতে নতুন মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ কার্যকর হয়েছে। এতে অনলাইনের মাধ্যমে ভ্যাট প্রদানের প্রক্রিয়া সহজতর হওয়ার পাশাপাশি রাজস্ব আহরণও বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। ফলে ব্যবসা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ রাষ্ট্রের রাজস্ব ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়ন আরো বেগবান হবে।

          দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন এবং জাতির পিতার আজন্ম লালিত স্বপ্ন-ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে সকলকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।

          আমি ‘জাতীয় ভ্যাট দিবস, ২০১৯’ ও ‘জাতীয় ভ্যাট সপ্তাহ, ২০১৯’ এর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।        

                                                                                        জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

                                                                                         বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

ইমরুল/পরীক্ষিৎ/জুলফিকার/সুবর্ণা/শামীম/২০১৯/১১০৫ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                       নম্বর : ৪৬৫১

বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :      

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

          “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে ১০ই ডিসেম্বর ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। 

          মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও সুরক্ষায় তরুণ সমাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘মানবাধিকার সুরক্ষায় তারুণ্যের অভিযাত্রা’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

          সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তরুণ বয়সেই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার কাজ শুরু করেন। তিনি আজীবন বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করেছেন। মানুষের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য বারবার কারাবরণ করেছেন। জাতির পিতা চেয়েছিলেন শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে যেখানে প্রতিটি মানুষ মানবিক মর্যাদা, সাম্য ও ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা লাভ করবে। তিনি ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারকে রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করেন।

          আওয়ামী লীগ সরকার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নির্যাতনের মুখে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আমরা আশ্রয় দিয়েছি। তাঁদের জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তাসহ নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনের লক্ষ্যে বিশ্ব সম্প্রদায়কে সম্পৃক্ত করে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

          আমরা দেশের জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর। আমরা সকল মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিচার করার মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছি। জাতির পিতার হত্যার বিচারের রায় কার্যকর করা হয়েছে। ’৭১ এর যুদ্ধাপরাধী-মানবতাবিরোধীদের বিচারের রায় কার্যকর করা হচ্ছে।

          আমরাই ২০০৯ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণয়ন করি। সরকার ইতোমধ্যে কমিশনকে শক্তিশালী করার বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। বর্তমানে কমিশন স্বাধীন এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমান সরকারের সময় বাংলাদেশ তিনবার জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছে। আমরা মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে শ্রমিকের অধিকার, শিশু, নারী, প্রতিবন্ধীর অধিকারসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করেছি। এ সকল কনভেনশন কার্যকর করার লক্ষ্যে আমাদের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সুনির্দিষ্ট কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। পিছিয়ে-পড়া জনগোষ্ঠীসহ সকল মানুষের মানবাধিকার সুরক্ষা, সমঅধিকার, অর্থনৈতিক ক্ষমতা নিশ্চিতকরণে সরকার ইতোমধ্যেই বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং ভবিষ্যতে আরো করবে।

          আমি মানবাধিকার সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, সিভিল সোসাইটি, গণমাধ্যম, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আরো কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

          আমি বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।  

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

সরওয়ার/পরীক্ষিৎ/জসীম/সুবর্ণা/শামীম/২০১৯/১৩৫২ ঘণ্টা  

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৪৬৫০

বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী          

ঢাকা, ২৪ অগ্রহায়ণ (৯ ডিসেম্বর) :     

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :  

          “মানবাধিকার সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘মানবাধিকার দিবস’ উদ্‌যাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। তরুণরা জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার। এ প্রেক্ষাপটে মানবাধিকার দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য “মানবাধিকার সুরক্ষায় তারুণ্যের অভিযাত্রা” অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে আমি মনে করি।

          মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর মানবাধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডিসেম্বরের ১০ তারিখে মানবাধিকার দিবস পালিত হয়ে আসছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সাম্য, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ১৯৭২-এর সংবিধানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সকল মানবাধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়। মানবাধিকার সুরক্ষাকল্পে সরকার ২০০৯ সালে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠা করে। একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসাবে এ কমিশন মানবাধিকার সুরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে যাচ্

2019-12-09-21-24-c103ac3faa0f59439e6ba7fba3033366.docx 2019-12-09-21-24-c103ac3faa0f59439e6ba7fba3033366.docx

Share with :

Facebook Facebook