তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮

তথ্যবিবরণী 2/2/2018

তথ্যবিবরণী                                                                                   নম্বর :  ৩৮৮

ডা. জোহরা বেগম কাজীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে
                    -- নৌপরিবহণমন্ত্রী

ঢাকা, ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) :

    নৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, চিকিৎসাসেবা বিশেষ করে গাইনি চিকিৎসায় ডা. জোহরা বেগম কাজীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। গাইনি চিকিৎসকদের কাছে তিনি দৃষ্টান্ত হয়ে আছেন। মন্ত্রী আজ ঢাকায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ডা. জোহরা বেগম কাজীর দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    অধ্যাপক ডা. জোহরা বেগম কাজী স্মৃতি উদযাপন পরিষদ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

     জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোঃ মোজাম্মেল হক খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট চক্ষু বিশেষঞ্জ অধ্যাপক সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মোঃ সিরাজুল হক খান, বিএমএ’র সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, বিশিষ্ট স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ জাতীয় অধ্যাপক শাহলা খাতুন, বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, অধ্যাপক লতিফা সামসুদ্দিন ও বিয়াম ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক শেখ মুজিবর রহমান।

    শাজাহান খান বলেন, ডা. জোহরা কাজী কুসংস্কার, ধর্মান্ধতার বেড়াজাল থেকে বেড়িয়ে এসে সমাজ সংস্কারক হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি উপমহাদেশের প্রথম বাঙালি মুসলিম মহিলা চিকিৎসাবিদ- এজন্য আমরা গর্বিত।

#

আলম/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                   নম্বর :  ৩৮৭

শান্তিচুক্তির সফল বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম
                                     --  বীর বাহাদুর উশৈসিং

বান্দরবান, ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) :

    পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, শান্তিচুক্তির সফল বাস্তবায়নে এগিয়ে যাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। শান্তিচুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারছে। বান্দরবানের গুংগুরু  পাড়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে গুংগুরু আগাপাড়া বৌদ্ধবিহারসহ  কয়েকটি  উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন শেষে গুংগুরু পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ প্রাঙ্গণে এক জনসভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা  প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনা শান্তি ও উন্নয়নের প্রতীক। ১৯৯৭ সালে সম্পাদিত  শান্তিচুুক্তি তারই একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ইতিমধ্যে তিনি  বিশ্বের কাছে উন্নয়ন ও অগ্রগতির রোলমডেল হিসেবে বিবেচিত হয়েছেন।

    বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ম্রাসা খেয়াংয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে  উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ শফিউল আলম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ আলী হোসেন, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ক্য সা প্রু,  ফিলিপ ত্রিপুরা,  সিং ইয়ং ম্রো এবং  তিং তিং ম্যাসহ হেডম্যান, কারবারী  ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

#

জুলফিকার/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/২০৩০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                            নম্বর : ৩৮৬
 
প্রধান বিচারপতি হলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
                              
ঢাকা, ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) : 
 
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন। এ নিয়োগ তাঁর শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
 
আজ শুক্রবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে তাঁর নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
 
#
 
রেজাউল/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/আব্বাস/২০১৮/১৯১২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                   নম্বর :  ৩৮৫

খুব শিগগিরই ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি চালু হবে
                                           -- আইনমন্ত্রী

ঢাকা, ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) :

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, নিবন্ধন অধিদপ্তরে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং খুব শিগগিরই এটা চালু হবে। এটা কেউ আটকে রাখতে পারবে না। ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতির গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, আজকে যদি ডিজিটাল পদ্ধতি আমরা গ্রহণ না করি বাংলার জনগণ আমাদেরকে আস্তাকুঁড়ে ফেলবে।

    মন্ত্রী আজ ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে বাংলাদেশ রেজিস্ট্রেশন সার্ভিস এসোসিয়েশনের (বিআরএসএ) বার্ষিক সাধারণসভায়  প্রধান অতিথির বক্তৃতায়  এসব কথা বলেন।

    আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১১ সালে নিবন্ধন পরিদপ্তরকে অধিদপ্তরে উন্নীত করার ব্যাপারে নীতিগতভাবে সম্মত হওয়ার পরও তা আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় বিলম্বিত হয়  এবং  ২ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে প্রতিষ্ঠানটিকে অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয়। তিনি বলেন, নিবন্ধন পরিদপ্তর অধিদপ্তরে উন্নীত হওয়ায় নিবন্ধন কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্যসহ জনগণকে সেবা দেওয়ার সুযোগ আগের চেয়ে বেড়ে গেছে। এসুযোগ কাজে লাগিয়ে জনগণকে উন্নত সেবা দিয়ে তাদের মন জয় করার জন্য নিবন্ধন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান আইনমন্ত্রী।

    আনিসুল হক বলেন, নাগরিক সুবিধা বাড়াতে সরকার জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আধুনিক সুযোগসুবিধা সংবলিত রেজিস্ট্রি ও সাবরেজিস্ট্রি অফিস ভবন নির্মাণ করার জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে এবং এপ্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।  

    বিআরএসএ’র সভাপতি দ্বীপক কুমার সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আইন ও বিচার বিভাগের সচিব আবু সালেহ শেখ মোঃ জহিরুল হক, নিবন্ধন পরিদপ্তরের মহাপরিদর্শক খান মোঃ আব্দুল মান্নান এবং বিআরএসএ’র মহাসচিব শেখ কাওসার আহমেদ বক্তৃতা করেন।
    
#

রেজাউল/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮৫০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                   নম্বর :  ৩৮৪

দরিদ্র মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম প্রসারিত করা হয়েছে
                                                  -- জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী

কেশবপুর (যশোর), ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) :

    দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তাবলয় কার্যক্রম আরও প্রসারিত করা হয়েছে। তাদের বিভিন্ন ধরনের ভাতা ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেক আজ যশোরের কেশবপুরে গৌরিঘোনা ইউনিয়নের কাশিমপুর গ্রামে এক জনসভায় একথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোলমডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারের সসম্মানে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, সরকার দেশের সকলক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ করেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

    অনুষ্ঠানে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি তপন কুমার ঘোষ, কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মোড়ল, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাসিমা সাদেক, গৌরিঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

#

মাসুম/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮৪০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                            নম্বর : ৩৮৩  
 
এভিয়েশন সেক্টরের উন্নয়নে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে
                              ----বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী
ঢাকা, ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) : 
 
বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল বলেছেন, বিশ^ ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে আর ছোট হয়ে আসার অন্যতম অনুষঙ্গ এভিয়েশন শিল্পের অভূতপূর্ব উন্নয়ন। বর্তমান বিশ্বে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, পর্যটন এবং আন্তঃরাষ্ট্রিক সম্পর্ক উন্নয়নে এভিয়েশন সেক্টর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ এর গুরুত্ব উপলদ্ধি করে এভিয়েশন সেক্টরের উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এয়ার নেভিগেশন, এক্সিডেন্ট ইনভেস্টিগেশনসহ বিমানবন্দরসমূহের উন্নয়ন ও মানবসম্পদ উন্নয়নেও কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। তিনি গতকাল চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ‘এশিয়া প্যাসিফিক মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্স অন সিভিল এভিয়েশন’ এ বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন।  
চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে গত ৩১ জানুয়ারি এসম্মেলন উদ্বোধন করেন চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী মা কাই (গধ কধর)। সম্মেলনে ৩১টি দেশের এভিয়েশন মিনিস্টারসহ ৩০০জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। 
#
 
তুহিন/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/আব্বাস/২০১৮/১৮৩৭ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                   নম্বর :  ৩৮২

আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরেই বাংলাদেশের সকল ঐতিহাসিক অর্জন
                                                          -- মায়া চৌধুরী

মতলব (চাঁদপুর), ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) :

    দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, বীরবিক্রম বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের হাত ধরেই বাংলাদেশের সকল ঐতিহাসিক অর্জন ও স্বীকৃতি এসেছে। ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত সকল আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, জেল খেটেছেন এবং স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন।  

    মন্ত্রী আজ মতলব ডিগ্রী কলেজ মাঠে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আন্তরিকতায় বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারি আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আজ ইউনিসেফের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সম্পদ। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শেষ হলেও অর্থনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির সংগ্রাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অব্যাহত রয়েছে। এ যুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে শামিল হতে হবে।

#

দেওয়ান/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭৫৫ ঘণ্টা

 


তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর :  ৩৮১

স্পিকারের সাথে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও
সামাজিক বিভাগের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলের বৈঠক

ঢাকা, ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) :

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাগ (ডেসা) এর আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেনমিন লিউ (তযবহসরহ খরঁ) গতকাল জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বৈঠকে মিলিত হন।

বৈঠকের শুরুতে স্পিকার ডেসার আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দারিদ্র্যবিমোচন, মানসম্মত শিক্ষা, কৃষি উৎপাদন, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, স্বাস্থ্য-পুষ্টি-সেবা, গড় আয়ু বৃদ্ধি, সামাজিকনিরাপত্তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়নসহ আর্থসামজিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ ব্যাপক  সফলতা অর্জন করেছে। এসময় তিনি বয়স্ক জনসংখ্যার কল্যাণে বাংলাদেশ যে সকল নীতি ও কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সে বিষয়েও আলোকপাত করেন। তিনি আর্থসামাজিক উন্নয়ন, এসডিজি বাস্তবায়ন ও এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় ডেসার সহযোগিতা কামনা করেন।

জবাবে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাগ (ডেসা) এর আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জেনমিন লিউ বলেন, আর্থসামাজিক খাতে বাংলাদেশ ব্যাপক উন্নয়ন কর্মকা- পরিচালনা করছে বিশেষ করে দারিদ্র্য নির্মূলে বাংলাদেশের সাফল্য সারাবিশ্বের জন্য উদাহরণ। তিনি আরও বলেন,  বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশসমূহ এবং এ অঞ্চলের মধ্যে একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এসময় তিনি স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটাগরি থেকে উত্তরণের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের নিশ্চয়তা দেন।

বৈঠকে অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন।

#

তারিক/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭৩০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                            নম্বর : ৩৭৮   
 
‘পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
 
ঢাকা, ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) : 
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপন উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
 
‘‘ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর ‘পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপন করতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
 
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সাথে পাসপোর্ট পরিদপ্তরকে পাসপোর্ট অধিদপ্তরে রূপান্তর করেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এ অধিদপ্তরকে গতিশীল ও যুগোপযোগী করতে বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। আমাদের সরকার ২০১০ সালে  মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) এবং  মেশিন  রিডেবল ভিসা (এমআরভি) প্রবর্তন করে। ফলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের পাসপোর্ট ও ভিসার গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বাংলাদেশি জনগণের বিদেশ ভ্রমণ সহজতর হয়েছে। এ পর্যন্ত ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর প্রায় ২ কোটি  মেশিন  রিডেবল পাসপোর্ট ও ৬ লাখ মেশিন রিডেবল ভিসা প্রদান করেছে। সরকার অচিরেই ই-পাসপোর্ট প্রবর্তন করতে যাচ্ছে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা কাক্সিক্ষত সময়ের মধ্যেই পাসপোর্ট হাতে পাচ্ছেন। 
 
বাংলাদেশ সাম্প্রতিক সময়ে  জোরপূর্বক বাস্তচ্যুত মিয়ানমারের রোহিঙ্গা নাগরিকদের মানবিক কারণে আশ্রয় প্রদান করেছে। ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭ হতে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর অত্যন্ত সফলতার সাথে নিবন্ধন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১০ লাখ  রোহিঙ্গার নিবন্ধন সমাপ্ত হওয়ায় আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
 
পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ উদযাপনের মাধ্যমে  সেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে এবং জনগণ হয়রানিমুক্ত  সেবা পাচ্ছেন। আমি আশা করি, ‘পাসপোর্ট নাগরিক অধিকার; নিঃস¦ার্থ সেবাই অঙ্গীকার’ এ সেøাগানকে সামনে রেখে অধিদপ্তর ভবিষ্যতে  সেবার আরও নতুন নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে এবং দেশপ্রেম, নিষ্ঠার সাথে কাজ করে পাসপোর্ট  সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে সক্ষম হবে।
 
আমি ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি এবং ‘পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ-২০১৮’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। 
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
#
 
ইমরুল/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭০৪ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                            নম্বর : ৩৮০   
 
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
 
ঢাকা, ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) : 
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
 
‘‘ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আমি এই ইউনিটের সদস্যসহ বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানা  চ্ছি। 
 
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চর ভয়াল রাতে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। আমি মহান মুক্তিযুদ্ধে ও বিভিন্ন সময়ে  দেশের জন্য আত্মোৎসর্গকারী দেশপ্রেমিক বীর পুলিশ সদস্যদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।
 
মহান মুক্তিযুদ্ধে অপরিসীম ত্যাগ ও বীরত্বগাঁথার ইতিহাসকে ধারণ করে সগৌরবে এগিয়ে চলেছে বাংলাদশ পুলিশ বাহিনী।  দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে এই বাহিনী উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের পাশাপাশি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পুলিশের সাফল্য দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে।
 
আমাদের সরকার বাংলাদেশ পুলিশ তথা ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশকে একটি দক্ষ, জনবান্ধব ও প্রতিশ্রুতিশীল বাহিনীতে উন্নীত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। ঢাকা  মেট্রোপলিটন পুলিশের জনবল বৃদ্ধি, প্রযুক্তির সংযোজন, যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ, বিশেষায়িত নতুন নতুন ইউনিট গঠনসহ বিদ্যমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
 
আমি আশা করি, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে অবদান রাখার মধ্যমে জাতির পিতার স¦প্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে পুলিশ বাহিনীর সদস্যগণ আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।
 
আমি ঢাকা  মেট্রোপলিটন পুলিশের ৪৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। 
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু,
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
#
 
ইমরুল/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭০২ ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                             নম্বর : ৩৭৭  
 
‘পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী
 
ঢাকা, ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি) : 
 
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ‘পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপন উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
 
‘‘ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ-২০১৮’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। 
 
বহির্গমণের জন্য  যেকোন দেশের নাগরিকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ দলিল হলো পাসপোর্ট। উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বর্তমান সরকার বাংলাদেশি নাগরিকগণকে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ও  বাংলাদেশে আগত বিদেশিদের মেশিন  রিডেবল ভিসা (এমআরভি) প্রদানে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর নিরলস প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।  সেবা প্রত্যাশীরা যাতে নির্বিঘেœ ও দ্রুততম সময়ে পাসপোর্ট ও ভিসা  সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে। আর এটা করতে পারলে এবারের পাসপোর্ট  সেবা সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘পাসপোর্ট নাগরিক অধিকার : নিঃস¦ার্থ সেবাই অঙ্গীকার’ যথার্থ হবে বলে আমার বিশ্বাস। 
 
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের কারণে বহির্বিশ্ব  থেকে বাংলাদেশে ভ্রমণেচ্ছুদের গমনাগমন বৃদ্ধি পাওয়ায় পাসপোর্ট ও ভিসার চাহিদা পূর্বের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। কাক্সিক্ষত প্রত্যাশা পূরণে পাসপোর্ট ও ভিসা প্রার্থীদের দক্ষতার সাথে সেবা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
 
‘পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ-২০১৮’ সফল  হোক-এ কামনা করি। 
 
আল্লাহ হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’
 
#
 
আজাদ/সেলিম/মোশারফ/পারভেজ/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৭০১ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর : ৩৭৯

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ৪৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা ২০ মাঘ (২ ফেব্রুয়ারি)

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ৪৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :  

          ''ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)-এর ৪৩তম প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে আমি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের সকল সদস্যকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। 

          বাংলাদেশ পুলিশ দেশের প্রাচীনতম প্রতিষ্ঠান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ দেশের সার্বিক উন্নয়নে তাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অভ্যুদয়লগ্নে বাংলাদেশ পুলিশের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিগত বছরগুলোতে অকুতোভয় পুলিশ সদস্যগণ জনগণের নিরাপত্তা ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেক সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন, আহত হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। আমি তাদের এ বীরত্বপূর্ণ অবদানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

‌          “শান্তি শপথে বলিয়ান” এ মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ঢাকা মহানগরের প্রায় দুই কোটি নাগরিকের জানমালের নিরাপত্তা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে দুষ্কৃতকারীচক্র তাদের অপরাধের কৌশল যেমন পরিবর্তন করছে তেমনি নতুন নতুন অপরাধের সাথে যুক্ত হচ্ছে। মাদক ও সাইবারক্রাইম কঠোরহস্তে দমন করতে পুলিশকে আরো তৎপর হতে হবে। এজন্য ডিএমপিসহ বাংলাদেশ পুলিশের সকল সদস্যকে যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগ নিতে হবে।

          বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অত্যন্ত দক্ষ ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে। এ বাহিনী তাদের পেশাদারিত্ব, দক্ষতা, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতির ব্যবহার এবং নানামুখী কৌশলের সমন্বয়ে নগরবাসীর নিরাপত্তা প্রদানসহ আইনশৃঙ্খলার উন্নয়নে আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে নগরবাসী তা প্রত্যাশা করে।

          মানুষের মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখতে এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে পুলিশকে জনগণের বন্ধু হিসেবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ আজ উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমতাভিত্তিক সমাজ গঠনে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের এ গতিকে ত্বরান্বিত করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ যথাযথ ভূমিকা পালন করবে-দেশবাসী তা প্রত্যাশা করে।

          আমি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তরোত্তর সফলতা কামনা করি।

          খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।''

#

আজাদ/সেলিম/মোশারফ/আববাস/২০১৮/১৭০১ ঘণ্টা 

Todays handout (8).docx Todays handout (8).docx

Share with :

Facebook Facebook