তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৩rd নভেম্বর ২০১৯

তথ্যবিবরণী ২৩/১১/২০১৯

তথ্যবিবরণী                                 নম্বর :  ৪৪৪১
 
২০২৪ সালে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে
                                                                  -- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী
 
ঈশ্বরদী (পাবনা), ৮ অগ্রহায়ণ (২৩ নভেম্বর) :
 
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেছেন, দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তারই ফলশ্রুতিতে এই রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এ কেন্দ্র থেকে ২০২৩ সালে ১২০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৪ সালে আরো ১২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ-সহ মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে।
 
মন্ত্রী আজ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির আমন্ত্রণে পাবনার ঈশ্বরদীতে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প পরিদর্শনে এসে এসব কথা বলেন। এ সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. আ ফ ম রুহুল হক এমপি, কমিটির সদস্য মোঃ মোজাফ্ফর হোসেন এমপি, বেগম শিরীন আহমেদ এমপি এবং হাবিবা রহমান খান এমপি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করেন। 
 
পরিদর্শন শেষে কমিটির চেয়ারম্যান বলেন, আমাদের ইঞ্জিনিয়ার ও রাশিয়ানদের কর্ম প্রচেষ্টায় এবং সুন্দর ব্যবস্থাপনায় কাজের অগ্রগতি দেখে আমরা অবিভূত। নিরাপত্তা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ফুকুসিমায় দুর্ঘটনার পর নতুন ব্যবস্থাপনায় বিশেষ করে ভূমিকম্প এবং দুর্ঘটনার বিষয়টি মাথায় রেখে এই প্রকল্পে নিরাপত্তার ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। 
 
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান-সহ অন্য সদস্যরা স্বচক্ষে কর্মযজ্ঞ দেখলেন। কর্মযজ্ঞ দেখে তাঁরা যদি খুশী হন, তাহলে আমরাও খুশী।
 
পরিদর্শনের সময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ইতি রানী পোদ্দার, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান মাহাবুবুল হক, প্রকল্প পরিচালক ড. শৌকত আকবর, প্রকল্পের উপদেষ্টা প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম, প্রকল্পের মুখ্য প্রশাসনিক কর্মকর্তা অলোক কুমার চক্রবর্তী, প্রকল্পের সাইট ইনচার্জ রুহুল কুদ্দুস উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে এএসই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং রূপপুর প্রকল্পের রাশিয়ান প্রকল্প পরিচালক সের্গেই লাসতোচকিন প্রকল্পের বিভিন্ন অংশের কাজের বাস্তবচিত্র বর্ণনা করেন।
 
এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় অধ্যাপক ডাঃ আ.ফ.ম রুহুল হকের সভাপতিত্বে প্রকল্পের পারমাণবিক চুল্লি বসানোর কাজের প্রস্তুতি ও অগ্রগতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।  
 
#
 
বিবেকানন্দ/রাহাত/মোশারফ/সেলিম/২০১৯/২১৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর :  ৪৪৪০

 

আবদুল গাফফার চৌধুরীকে ঋষিজের আজীবন সম্মাননা

 

ঢাকা, ৮ অগ্রহায়ণ (২৩ নভেম্বর)

 

সংবাদ-সাহিত্যের বরপুত্র, 'আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' অমর সংগীত রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরীকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করেছে গণসংগীত দল ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠী।

 

শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকায় শিল্পকলা একাডেমি'র সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠীর ৪৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গুণীজন সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আবদুল গাফফার চৌধুরীকে দেওয়া এ সম্মাননা স্মারকটি বিদেশে অবস্থানের কারণে তার পক্ষে গ্রহণ করেন সাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, তথ্যসচিব আবদুল মালেক ও ঋষিজ শিল্পী গোষ্ঠীর সভাপতি  ফকির আলমগীর সম্মিলিত হস্তে এ সম্মাননা অর্পণ করেন।

 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নত জাতি গঠনের লক্ষ্যে খাদ্য-বস্ত্র-বাসস্থান-শিক্ষা-যোগাযোগের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির জন্য সরকার বহুমুখী উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগে জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধিতে গণসংগীত অনন্য ভূমিকা পালনে সক্ষম।

 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্যসচিব আবদুল মালেক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে সমূলে উৎপাটন করতে হবে। আর এক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে দৃঢ়তর করার কোনো বিকল্প নেই।

 

দেশবরেণ্য সংগীতজ্ঞ ওস্তাদ মতিউল হক খান ও কিংবদন্তী সংগীত শিল্পী সুবীর নন্দীকে উৎসর্গীকৃত ঋষিজের এ আয়োজনে আরো চারজনকে সংবর্ধিত করা হয়। সাহিত্য-সংস্কৃতিতে ইমদাদুল হক মিলন, চলচ্চিত্রে কোহিনূর আক্তার সুচন্দা, অভিনয়ে মাহমুদ সাজ্জাদ ও সংগীতে কুমার বিশ্বজিৎ -এর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

 

#

 

আকরাম/নাইচ/মোশারফ/সেলিম/২০১৯/২০০০ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর :  ৪৪৩৯

 

মহেশখালীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট  ৯৬ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ

 

কক্সবাজার, ৮ অগ্রহায়ণ (২৩ নভেম্বর) :

 

আজ কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের নিকট ১২টি বাহিনীর মোট ৯৬ জন জলদস্যু ও অস্ত্র তৈরির কারিগর আত্মসমর্পণ করে।

 

          কক্সবাজার জেলা পুলিশ আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশের মাধ্যমে এ আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

           

          ২০১৮ সালের গত অক্টোবরে মহেশখালীতে ৪৩ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছিল। বর্তমানে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে। আজকে যারা আত্মসমর্পণ করলেন তারা যাতে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন তাদেরকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের প্রত্যেককে আজকে ৫০ হাজার টাকা করে দেয়া হলো। পরবর্তীতে তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে আরও সহযোগিতা করা হবে।

 

          উল্লেখ্য, যেসব জলদস্যু এখনও আত্মসমর্পণ করেনি তাদের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে তাদেরকে দ্রুত আত্মসমর্পণের জন্য মন্ত্রী আহ্বান করেন। অন্যথায় কঠোর পরিণতির জন্য অপেক্ষা করতে বলেন।

 

আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, বিশ্বে দ্রুত উন্নয়নশীল দশটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম একটি। এই উন্নয়নের অংশ হিসেবে শুধু কক্সবাজারেই মহেশখালী দ্বীপের কয়লা ও তাপ বিদ্যুৎ প্রকল্প, জিটিসিএল গ্যাস লাইন, এলএনজি টার্মিনাল-সহ ১৪ টি মেগা প্রকল্প চলমান। এসব উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তত তিন লাখ কোটি টাকার বিনিয়োগ রয়েছে। এসব উন্নয়ন কার্যক্রম থেকে সুফল পেতে টেকসই নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির জন্য কাজ করে যাচ্ছে সরকার।

 

          মন্ত্রী আরো বলেন, কক্সবাজার হবে বিশ্ব পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ কেন্দ্র। এ অঞ্চলকে নিরাপদ রাখতে ও মাদক দমনে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব, কোস্টগার্ড ও আনসার বাহিনী  সমন্বিতভাবে কাজ করবে।

         

 

#

 

অপু/নাইচ/মোশারফ/সেলিম/২০১৯/১৯৫০ ঘণ্টা

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর :  ৪৪৩৮

 

চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক  ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে

                                                                      -- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

 

চট্টগ্রাম, ৮ অগ্রহায়ণ (২৩ নভেম্বর)

 

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির হাব ও বাণিজ্যিক রাজধানী বন্দর নগরী চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসন, এলিভেটেড এক্সেপ্রেসওয়ে-সহ নানা প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। ধীরে ধীরে চট্টগ্রাম নগরীকে পরিচ্ছন্ন, নান্দনিক ও বাসযোগ্য করে গড়ে তোলা হচ্ছে। 

 

আজ চট্টগ্রামে হোটেল রেডিসন ব্লু’র মেজবান হলে চট্টগ্রাম ওয়াসা আয়োজিত চট্টগ্রাম মহানগরীর পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা স্থাপন প্রকল্পের (১ম পর্যায়) চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 

 

মন্ত্রী বলেন, পয়ঃনিষ্কাশন প্রকল্পের কাজ উচ্চ কারিগরি ও জটিল প্রকৃতির বিধায় এই প্রকল্পের স্যানিটেশন অবকাঠামোর প্রাথমিক নকশা ও নির্মাণের জন্য চট্টগ্রাম ওয়াসা আন্তর্জাতিক কারিগরি প্রতিষ্ঠান জেভি অভ্‌ এরিনকো এসডিএন এবং বিএইচডি মালয়েশিয়া, বাংলাদেশের অপর তিনটি সহযোগী পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সাথে আজ চুক্তি স্বাক্ষর হলো।

 

উল্লেখ্য, প্রকল্পটি বাস্তবাতি হলে আগামী ২০২৩ সাল নাগাদ প্রতিদিন প্রায় ১০০ মিলিয়ন লিটার পয়ঃবর্জ্য পরিশোধন করা সম্ভব হবে, যা মোট চাহিদার ৩৩ ভাগ। এর ফলে চট্টগ্রাম মহানগরীর প্রায় ২০ লাখ লোককে উন্নত পয়ঃ ব্যবস্থার আওতায় আনা সম্ভব হবে।

 

#

 

হাসান/নাইচ/মোশারফ/সেলিম/২০১৯/২১২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর :  ৪৪৩৭

 

বিসিআই’র সেমিনারে বাণিজ্যমন্ত্রী

শ্রীলংকা, ভুটান ও ইন্দোনেশিয়ার সাথে এফটিএ করতে কাজ করছে সরকার

 

ঢাকা, ৮ অগ্রহায়ণ (২৩ নভেম্বর) :

 

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহজ করতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। বাণিজ্যে ভালো করতে বিশ্বমান বজায় রেখে সবকিছু করা হচ্ছে। ২০২৪ সালে দেশকে এলডিসি থেকে বেরিয়ে যেতে হলে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। সে জন্য বিভিন্ন দেশের সাথে এফটিএ স্বাক্ষরের জন্য আন্তরিকতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। শ্রীলংকা, ভুটান, ইন্দোনেশিয়ার সাথে ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) স্বাক্ষরের জন্য আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী আজ ঢাকায় হোটেল ওয়েস্টিনে  বাংলাদেশ চেম্বার অভ্ ইন্ডাস্ট্রি আয়োজিত Ease of Doing Business : Way Forward শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

 

মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববাণিজ্যে ভালো করতে হলে বাণিজ্যে দক্ষতা অর্জন ও জটিলতামুক্ত বাণিজ্যের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। দেশের কর্মক্ষম যুবশক্তির প্রায় অর্ধেক নারী। এ বিপুল পরিমাণ নারী জনশক্তিকে পেছনে রেখে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। তাই দেশে মহিলাদের ব্যবসার পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে।

 

বাণিজ্যমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ কর্মক্ষম জনশক্তি রয়েছে। এদেরকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কারিগরি শিক্ষায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। দেশে এখন পরিবেশবান্ধব কারখানা গড়ে উঠেছে।

 

বাংলাদেশ চেম্বার অভ্ ইন্ডাস্ট্রি’র প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল আলম চৌধুরী (পারভেজ) এর সভাপতিত্বে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোর্শারফ হোসেন ভূঁইয়া, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল ইসলাম, ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত, এফবিসিসিআই-এর সাবেক প্রেসিডেন্ট মোঃ শফিউল আলম মহিউদ্দিনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সেমিনারে বক্তব্য রাখেন।

 

#

 

বকসী/নাইচ/মোশারফ/সেলিম/২০১৯/১৮৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর :  ৪৪৩৬

 

প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান

  -- শিল্প প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ৮ অগ্রহায়ণ (২৩ নভেম্বর) :

 

প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে মন্তব্য করেছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।  তিনি বলেন, আগামী দিনের যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব তৈরি করার দায়িত্ব প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে যথাযথভাবে পালন করতে হবে।

 

শিল্প প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর মিরপুরে মনিপুর স্কুল ও কলেজে স্থানীয় মেধাবী ও দরিদ্র ছাত্রছাত্রী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে স্বেচ্ছাধীন তহবিল হতে অনুদানের চেক এবং ব্যক্তিগত তহবিল হতে দরিদ্র মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি শিশুর জন্য অবশ্যই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি এ সময় মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করে তাদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানান। 

 

কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, একশ্রেণীর মুনাফাখোর, দুর্নীতিবাজ, দেশদ্রোহী দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। এ ধরনের দুর্নীতি ও সমাজবিরোধীকর্মের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা তৈরিতে জুমার নামাজে বয়ান করার জন্য মসজিদের ইমামদের প্রতি আহ্বান জানান শিল্প প্রতিমন্ত্রী।         

 

#

 

মাসুম/নাইচ/সেলিম/২০১৯/১৬৫০ ঘণ্টা

 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর :  ৪৪৩৫

 

সরকারি গুদামে ধান-চাল সরবরাহে দালাল- ফরিয়াদের দিন শেষ

                                                               -- খাদ্যমন্ত্রী

 

নওগাঁ, ৮ অগ্রহায়ণ (২৩ নভেম্বর) :

 

সরকারি গুদামে কৃষকের ধান-চাল সরবরাহে দালাল ফরিয়াদের দিন শেষ। অন লাইনের মাধ্যমে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনবে সরকার। এজন্য ‘কৃষকের অ্যাপস’ নামে একটি অ্যাপসের ব্যবহার শুরু হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে দেশের ১৬টি উপজেলায় এবারই প্রথম এই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। 

 

আজ নওগাঁর সাপাহারে চাষিদের মাঝে প্রণোদনার সার ও বীজ বিতরণ অনুষ্ঠানে  এসব কথা বলেন খাদ্যমন্ত্রী  সাধন চন্দ্র মজুমদার।

 

মন্ত্রী বলেন, অনলাইনে আবেদন করে অ্যাপসের মাধ্যমে চাষিরা ঝামেলাহীনভাবে সরকারি গুদামে ধান চাল সরবরাহ করতে পারবে। ধান চাল সরবরাহের জন্য প্রদত্ত স্লিপ দালাল ও ফরিয়াদের কাছে বিক্রি না করার জন্য কৃষকদের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান।

 

#

 

সুমন/নাইচ/সেলিম/২০১৯/১৬৪০ ঘণ্টা

 

2277dac0ebc9e34e0b121aac4ef9cff7.docx 2277dac0ebc9e34e0b121aac4ef9cff7.docx

Share with :

Facebook Facebook