তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৪ নভেম্বর ২০১৯

তথ্যবিবরণী ২৪/১১/২০১৯

তথ্যবিবরণী                                                                                                      নম্বর : ৪৪৫৪

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্থিরতা ছড়ানোর দায় রয়েছে সেবাপ্রদানকারী সংস্থারও

                                                                                   -- তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :

            তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অস্থিরতা ছড়ানোর দায় সার্ভিস প্রোভাইডার বা সেবাপ্রদানকারী সংস্থা এড়াতে পারে না।'

            আজ ঢাকায় শিল্পকলা একাডেমি'র চিত্রশালা মিলনায়তনে 'উগ্রবাদ ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে করণীয়' সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন। অভিনয় শিল্পী সংঘের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ পুলিশের সন্ত্রাস দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ (সিটিটিসি) প্রতিরোধ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প এ সেমিনার আয়োজন করে।

            মন্ত্রী বলেন, ‘ফেসবুক, ইউটিউব-সহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায় অস্বীকার করার উপায় নেই। এবিষয়টি এখন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত।'

            ‘ইউরোপ-আমেরিকার মানুষ মনে করে অনেকক্ষেত্রেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সমাজে অস্থিরতা ছড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে' উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, 'আমি এবিষয়ে কয়েকটি দেশের মতামত নিয়েছি। তারা এই ধরনের অপব্যবহারের জন্য সার্ভিস প্রোভাইডার বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন করেছে। আমরাও অনুরূপ ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নিচ্ছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একাউন্ট খুলতে জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহারের বিষয় নিয়েও আমরা আলোচনা করছি।' এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনুমতিহীন বিজ্ঞাপন নিয়ে সার্ভিস প্রোভাইডারেরা ব্যাপক অর্থ এদেশ থেকে নিয়ে যাচ্ছে। সেটিও নিয়মের মধ্যে আসা প্রয়োজন, বলেন ড. হাছান মাহ্‌মুদ। 

            ড. হাছান বলেন, ‘সংস্কৃতিচর্চা উগ্রবাদ-জঙ্গিবাদ রোধে অত্যন্ত কার্যকর। একারণে সংস্কৃতি চর্চার ব্যাপক প্রসার একান্ত প্রয়োজন। সরকার দেশীয় সংস্কৃতি চর্চার প্রসারে আন্তরিকভাবে কাজ করে চলেছে।'

            মন্ত্রী বলেন, 'বিদেশি সিরিয়াল প্রচারের জন্য আমরা যে কমিটি করে দিচ্ছি, তার অনুমতি নিতে হবে। আর আমাদের দেশে যথেষ্ট প্রতিভাবান শিল্পী থাকা সত্ত্বেও তাদের বাদ দিয়ে বিদেশি দ্বিতীয়-তৃতীয় গ্রেডের শিল্পীদের দিয়ে মডেলিং করিয়ে বিজ্ঞাপন নির্মাণ করে এদেশে প্রচার করতে হলেও অতিরিক্ত শুল্ক গুনতে হবে।' 

            আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'পুলিশ এবং গোয়েন্দা বাহিনী অত্যন্ত সফলভাবে উগ্রবাদ দমনে সক্ষম হয়েছে। নির্মূল না হলেও অন্যান্য অনেক দেশ থেকে আমরা এবিষয়ে অনেক বেশি সফল।'

            ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ- ডিএমপি'র সিটিটিসি ইউনিটের অতিরিক্ত কমিশনার মোঃ মনিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সেমিনারে অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি শহীদুজ্জামান সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম, ফেডারেশন অভ টিভি প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন-এফটিপিও আহ্বায়ক নাট্যকার মামুনুর রশীদ, বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব ড. ইনামুল হক, বিশিষ্ট অভিনেতা কে এস ফিরোজ,  ডিরেক্টরস গিল্ডের সভাপতি সালাহউদ্দীন লাভলু, অভিনয় শিল্পী সংঘের উপদেষ্টা তৌকির আহমেদ, জাহিদ হাসান, টিভি প্রযোজক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুনতাসীর সাজু, নাট্যকার সংঘের সাধারণ সম্পাদক এজাজ মুন্না, শিল্পী সাজু খাদেম, শবনম ফারিয়া, মৌসুমী হামিদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।  

            ডিএমপি'র সিটিটিসি ইউনিটের অতিরিক্ত উপকমিশনার মাহফুজা লিজা ও অতিরিক্ত উপকমিশনার নাজমুল ইসলাম বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপনা দেন। 

            বক্তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বজায় রাখার প্রযুক্তি ও ব্যবহারগত বিভিন্ন দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন ও এবিষয়ে পুলিশের সহায়ক ভূমিকার জন্য অকুণ্ঠ চিত্তে ধন্যবাদ দেন। 

#

আকরাম/নাইচ/রফিকুল/রেজাউল/২০১৯/২১৪৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ৪৪৫৩

 সংস্কৃতির বিনিময় পর্যটনের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে

                                             --বিমান প্রতিমন্ত্রী
 

ঢাকা, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :    

        বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী বলেছেন, বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সংস্কৃতির বিনিময় উন্নয়ন এবং প্রসার পর্যটনের বিকাশে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সংস্কৃতির বিনিময় রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি দুই দেশের জনগণের মধ্যে আন্তঃব্যক্তিক সম্পর্ক তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

          আজ ঢাকায় জাতীয় জাদুঘরে ঢাকাস্থ মালয়েশিয়ান হাইকমিশন ও ভ্রমণ ম্যাগাজিন কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত মালয়েশিয়ান বিখ্যাত চিত্রকর আব্দুল গফুর হাজি তাহিরের একক চিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

          চিত্র প্রদর্শনীটি ২৪-২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

          মাহবুব আলী বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত মালয়েশিয়ান চিত্রকর আব্দুল গফুর হাজি তাহিরের একক চিত্র প্রদর্শনীর সফলতা কামনা করে বলেন, হাজি তাহির শুধু মালয়েশিয়ার একজন বিখ্যাত চিত্রকরই নয় একই সাথে তিনি সমসাময়িক ইসলামিক ক্যালিওগ্রাফি জগতের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র।

          টিভি ব্যক্তিত্ব নওয়াজেশ আলী খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকাস্থ মালয়েশিয়ান হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত আমির ফরিদ আবু হাসান, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান রাম চন্দ্র দাস, ঢাকাস্থ রাশিয়ান বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পরিচালক মেক্সিম ডোবরোখোটব, মালয়েশিয়ান চিত্রকর আব্দুল গফুর হাজি তাহির ও ভ্রমণ ম্যাগাজিন সম্পাদক আবু সুফিয়ান।

#

তানভীর/ফারহানা/মোশারফ/আব্বাস/২০১৯/১৮৪৭ ঘণ্টা তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ৪৪৫২
 
নৈতিকতার মাধ্যমে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা করার আহ্বান খাদ্যমন্ত্রীর
 
ঢাকা, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :
খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, ব্যবসায়ীদের সেবার মনোভাব নিয়ে ও নীতি-নৈতিকতার মাধ্যমে পরিমিত লাভের কথা চিন্তা করে ব্যবসা করতে হবে। সহনশীল ও গ্রহণযোগ্য বাজার দর বজায় রেখে পণ্য বিক্রি করার আহ্বান জানা তিনি। 
আজ এফবিসিসিআই আয়োজিত রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর বছরব্যাপী চাহিদা, উৎপাদন, আমদানি, মজুত ব্যবস্থা, সরবরাহ ব্যবস্থাপনা ও যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। 
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব ব্যবসায়ী ভেজাল দিয়ে ও কারসাজি করে লাভবান হন; তিনিও অন্য পণ্যের একজন ভোক্তা। তখন ভোক্তা হিসেবে তিনিও ভেজাল এবং কারসাজির মাধ্যমে প্রতারিত হন। দেশে চালের যথেষ্ট মজুত আছে এবং চালের মূল্য বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, এখন চালের দাম একই রকম আছে। তিনি বলেন, দেশে যথেষ্ট খাদ্য মজুদ আছে; চালের দাম বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই। 
এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, আমদানিকৃত পেঁয়াজের মধ্যে ভারত, মিসর ও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আনা হচ্ছে বিমানে করে। মিয়ানমার থেকেও পেঁয়াজ আনা হচ্ছে। জাহাজে করে আনা পেঁয়াজও অতি শীঘ্র চলে আসবে। পাশাপাশি ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করবে। পেঁয়াজের দাম ইতিমধ্যে কমে গেছে এবং খুব তাড়াতাড়ি পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। 
এফবিসিসিআই সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া, খাদ্য সচিব, বাণিজ্য সচিব, শিল্প সচিব, প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআইয়ের নেতা এবং ব্যবসায়ী নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
#
সুমন/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৯/১৯৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ৪৪৫১   

 

চিনি ডিলারদের কেজি প্রতি ২ টাকা লাভ ও ২ টাকা পরিবহন খরচের সুবিধা প্রদান করা হবে

                                                                                        ---শিল্প প্রতিমন্ত্রী                                                                                          

ঢাকা, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :    

          প্রতি কেজি চিনির জন্য চিনি ডিলারদের ২ টাকা লাভ ও ২ টাকা পরিবহন খরচ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। এ সময় তিনি বলেন, ডিলারদের অবশ্যই বরাদ্দ অনুযায়ী নির্ধারিত পরিমাণ চিনি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উত্তোলন করতে হবে।

          আজ শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ চিনি ডিলার ব্যবসায়ী সমিতির সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিনি উৎপাদন ব্যয়বহুল। ভোক্তাদের সুবিধার বিবেচনা করে সরকার কম মূল্যে বাজারে চিনি সরবরাহ করে থাকে। ডিলাররা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাজারে চিনি না নিলে বাজারে চিনির ঘাটতি দেখা দেবার আশঙ্কা থাকে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিলাররা সুগার কর্পোরেশনের চিনি নিলে বাজারে ফ্রি সেলের কোন প্রয়োজন হয় না। তারা বরাদ্দ অনুযায়ী নির্ধারিত চিনি নেন না বলেই ফ্রি সেলে বিক্রি করা হয়।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, যে সকল ডিলার জামানতের টাকা ফেরত চেয়েছেন, তাদের  ডিলারশিপ বাতিল করে জামানত দ্রুত ফেরত দেয়া হবে। এজন্য কোন তদবির করা লাগবে না। চিনি নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চিনি কলগুলোকে লাভজনক করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।  

 

          অতিরিক্ত সচিব পরাগের সভাপতিত্বে সভায় বাংলাদেশ সুগার কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান অজিত কুমার পাল উপস্থিত ছিলেন।

#

মাসুম/ফারহানা/সঞ্জীব/আব্বাস/২০১৯/১৮৪৭ ঘণ্টা   

তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ৪৪৫০
 
উঁচু ভবনে উদ্ধার কাজে ফায়ার সেফটি কুশন ব্যবহƒত হবে
 
ঢাকা, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :
আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট তাঁর কার্যালয়ে ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী তিনটি ফায়ার সেফটি কুশন (ইনফ্ল্যাটেবল রেসকিউ কুশন) হস্তান্তর করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাজ্জাদ হোসাইনের নিকট ফায়ার সেফটি কুশনগুলো হস্তান্তর করেন। এ সময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান উপস্থিত ছিলেন।
দুর্ঘটনাগ্রস্ত উঁচু ভবন থেকে লোকজনকে উদ্ধার করতে ফায়ার সেফটি কুশন ব্যবহƒত হয়। কোন ভবনে আগুন লাগলে অথবা অন্য কোন দুর্ঘটনায় উঁচু ভবন থেকে সেফটি কুশনের উপর লাফিয়ে পরে জীবন রক্ষা করা সম্ভব। 
এর পর ভূমিমন্ত্রী সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত দুটি সভায় সভাপতিত্ব করেন। এ সময় ভূমি সচিব মোঃ মাক্ছুদুর রহমান পাটওয়ারী উপস্থিত ছিলেন। 
জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির সভায় ভূমিমন্ত্রী বলেন, জলমহাল ইজারায় কোন জনস্বার্থ বিরোধী সিন্ডিকেটকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। জলমহাল ইজারা নেওয়ার জন্য অসৎ উদ্দেশ্যে গঠিত সিন্ডিকেট আগের যেকোনো অবস্থা থেকে কমে এসেছে। পর্যায়ক্রমে তা বিলুপ্ত হয়ে যাবে। 
এরপর বিভাগীয় কমিশনার সমন্বয় সভায় ভূমি অধিগ্রহণের অর্থ গ্রহণে যেন কোন ক্ষতিগ্রস্তরা হয়রানির শিকার না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখতে উপস্থিত বিভাগীয় কমিশনারদের নির্দেশ প্রদান করেন ভূমিমন্ত্রী। ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব-সহ অন্য কর্মকর্তারা এবং এর আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থার প্রধান ও তাদের প্রতিনিধি ও বিভাগীয় কমিশনাররা উক্ত সভায় অংশগ্রহণ করেন।
#
নাহিয়ান/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৯/১৯২০ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ৪৪৪৯
 
 
ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণে কাজ করছে সরকার
                                   --- ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
ঢাকা, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান বলেছেন, ভূমিকম্প সহনীয় ভবন নির্মাণে সরকার কাজ করছে। বড়- মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণে জাপান সরকার এবং জাইকা অর্থ-সহ সকল প্রকার কারিগরি সহায়তা প্রদান করবে। 
প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ন্যাশনাল রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম আয়োজিত ‘দুর্যোগঝুঁকি হ্রাসে সেন্দাই কর্মকাঠামো বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জাপানের মতো একটি ভূমিকম্প দুর্যোগ সহনীয় দেশ উপহার দিতে সরকার কাজ করছে। এর অংশ হিসেবে পুরাতন ভবনগুলো সংস্কার করে ভূমিকম্প সহনীয় করে গড়ে তোলা হবে। দেশের প্রকৌশলী ও স্থপতিদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেয়া হবে যেন ভূমিকম্প সহনীয় ভবন ও অন্যান্য স্থাপনা নির্মাণে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। 
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ শাহ কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আরো বক্তৃতা করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এ বি তাজুল ইসলাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য মোঃ আফতাব উদ্দিন সরকার, মীর মোস্তাক আহমেদ রবি ও মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং ঢাকাস্থ সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শার্লোটা সিল্টার ও ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জী।
#
 
সেলিম/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৯/১৮৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ৪৪৪৮

ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদের মৃত্যুতে তথ্যমন্ত্রীর শোক

ঢাকা, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :    

তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজির আহমেদ সেলিমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ।

 

ফ্রান্স সময় রবিবার সকাল ৭টায় প্যারিসের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেনজির আহমেদের মৃত্যুর সংবাদে তথ্যমন্ত্রী তাঁর শোকবার্তায় বেনজির আহমেদ সেলিমকে একজন দক্ষ সংগঠক বলে অভিহিত করে বলেন, তাঁর মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ একজন যোগ্য নেতাকে হারালো।

 

মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ প্রয়াত বেনজির আহমেদ সেলিমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন ও  শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

#

আকরাম/ফারহানা/সঞ্জীব/রেজাউল/২০১৯/১৮১২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ৪৪৪৭

অবরোধ-হরতালে জনগণকে জিম্মি করলে রাজনীতিতে বিএনপি হবে জনবিচ্ছিন্ন দ্বীপবাসিন্দা

             -- তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :    

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেছেন, ‘অবরোধ-হরতালে আবার জনগণকে জিম্মি করতে চাইলে রাজনীতিতে ইতিমধ্যেই জনবিচ্ছিন্ন বিএনপি হবে জনবিচ্ছিন্ন নির্জন দ্বীপবাসিন্দা।’

আজ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তাদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি অতীতে দীর্ঘমেয়াদী হরতাল, অবরোধ করে জনগণকে জিম্মি করার রাজনীতি অনুসরণ করার কারণে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। রাজনীতি জনগণকে জিম্মি করার জন্য নয়, রাজনীতি জনগণের কল্যাণের জন্য।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘দিনের পর দিন জনগণকে জিম্মি করা প্রতিবাদের ভাষা নয়, যা বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি করেছে। প্রতিবাদের ভাষা মানুষের ওপর বোমা নিক্ষেপ নয়। তারা যদি আগের সেই ভুল পথ আবার অনুসরণ করার চেষ্টা করে, প্রথমত জনগণ সেই সুযোগ তাদের দেবে না। এরপরও যদি তারা চেষ্টা করে, ইতিমধ্যেই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন নির্জন দ্বীপের বাসিন্দা হয়ে যাবে।’

যুবলীগে নতুন নেতৃত্ব সুশিক্ষিত মার্জিত

যুবলীগের নতুন কমিটি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ড. হাছান বলেন, ‘একটি চমৎকার কমিটি হয়েছে। নানা কারণে যুবলীগকে নিয়ে যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল কিছু নেতৃত্বের কারণে। সেটার পর গতকাল সম্মেলনের মাধ্যমে যে কমিটি গঠিত হয়েছে, এটির নেতৃবৃন্দ  অত্যন্ত চমৎকার। যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মনির সুযোগ্য সন্তানের হাতে যুবলীগের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। তিনি অত্যন্ত সুশিক্ষিত মার্জিত একজন মানুষ। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী সাহিত্যে অনার্স করেছেন। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেছেন। তিনি দীর্ঘদিন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়িয়েছেন, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটিতে পড়িয়েছেন অনেক বছর।’

‘একইসাথে সাধারণ সম্পাদক পদে যাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে, তিনিও অত্যন্ত ভদ্র, ভালো এবং যুবলীগের নানা নেতাদের নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিলেও তাকে নিয়ে বিন্দুমাত্র কোনো প্রশ্ন নাই’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি সৎ, নিষ্ঠাবান একজন মানুষ। সুতরাং এ দু’জনকে নেতৃত্বে দেয়ার বিষয়ে আমি মনে করি যুবলীগের একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন হতে যাচ্ছে। যুব সমাজের একটি গাইডলাইন হিসেবে আগামী দিনগুলোতে কাজ করবে।’

ড. হাছান বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ এবং আওয়ামী লীগ পরিবার পরিচালিত হয়। এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠন অনেকগুলোর নেতৃত্ব যাদের হাতে অর্পণ করা হয়েছে, তারা সবাই স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ সৎ মানুষ। রাজনীতিকে যারা কলুষিত করতে চান, রাজনীতিতে বণিকায়ন এবং দুর্বৃত্তায়নের যে প্রক্রিয়া জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন এবং বেগম খালেদা জিয়া এবং এরশাদ ষোল কলায় পূর্ণ করেছিলেন, সেই চক্র থেকে বের করে এনে স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির, শিক্ষিত ও মার্জিত মানুষের হাতে রাজনীতি তুলে দিয়ে তিনি রাজনীতিকে এই বণিকায়ন এবং দুর্বৃত্তায়নের চক্র থেকে মুক্ত করে ভালো মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছেন। আমি মনে করি, এটি রাজনীতির জন্য যেমন মঙ্গল, দেশের জন্যেও মঙ্গল। আশা করি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে পথটি দেখিয়েছেন, অন্য দলগুলো যারা পেট্রোল বোমায় আশ্রয় নেয়, এখনো দুর্বৃত্তদের লালন করে, তারা এখান থেকে শিক্ষা নেবে।’

ওমানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

এর আগে ওমানের রাষ্ট্রদূত তায়িব সেলিম আল আলাভী (Taeeb Salim Al Alawi) তথ্যমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে মন্ত্রীকে তাদের সোমবার আয়োজিত জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানান। তথ্যসচিব আবদুল মালেক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষতের আলোচনা প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, ‘ওমানের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ওমানে প্রায় বিশ লাখ বিদেশি আছে। রাষ্ট্রদূতের ভাষ্য অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় সাত লাখ হচ্ছে বাংলাদেশি। দক্ষতার সাথে বাংলাদেশিরা সেখানে কাজ করছে এবং ওমানের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য, ওমানকে একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে, নিষ্ঠার সাথে, সততার সাথে কাজ করছে বলে রাষ্ট্রদূত  ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করেছি। ওমান রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে একসঙ্গে কাজ করবে বলে সে বিষয়টির ওপর রাষ্ট্রদূত গুরুত্বারোপ করেছেন। একইসাথে তারা রোহিঙ্গাদের জন্য কক্সবাজারে একটি ভিলেজ স্থাপনা করতে আগ্রহী এবং সেখানে এক হাজার ৬০০ পরিবারকে স্থান করে দেয়া হবে বলে জানান।’ 

#

আকরাম/ফারহানা/সঞ্জীব/রেজাউল/২০১৯/১৮০৮ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                          নম্বর : ৪৪৪৬ 
 

প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা উপহার
দেশের আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিআরটিসির নয়টি বাস প্রদান

 

ঢাকা, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :


সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিআরটিসি’র বাসসমূহ যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করে সঠিক ব্যবস্থাপনা ও যত্ন নিলে বাসগুলো থেকে দীর্ঘদিন সেবা পাওয়া যাবে। তিনি বলেন, বিআরটিসি একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানে কোনো অনিয়ম ও দুর্নীতি মেনে নেয়া হবে না।

আজ বিআরটিসি’র মতিঝিলস্থ বাস ডিপোতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের হাতে বাসের চাবি তুলে দেওয়া উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। দেশের আটটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিআরটিসি’র নয়টি বাস প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে দেয়া হয়েছে। 

বিআরটিসি’কে লাভের ধারায় ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, গণপরিবহনের সক্ষমতা বাড়াতে বিআরটিসি’র বহরে ইতমধ্যে ছয়শ’ বাস ও পাঁচশ’ ট্রাক যুক্ত হয়েছে। ব্যবস্থাপনা দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে সত্যিকার অর্থে সেবামুখী করতে হবে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে দুটি এবং বান্দরবান সরকারি কলেজ, সামসুল হক খান স্কুল এন্ড কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, বান্দরবান সরকারি মহিলা কলেজ, খুলনা সরকারি মহিলা কলেজ ও কুমুদিনী সরকারি কলেজের অনুকূলে একটি করে বিআরটিসি’র বাস প্রদান করা হয়। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মাঝে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আলাউদ্দিন এবং বিআরটিসি’র চেয়ারম্যান মো. এহছানে এলাহী বক্তব্য প্রদান করেন। এ সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের পাশাপাশি বিআরটিসি’র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 

#
 

নাছের/ফারহানা/সঞ্জীব/রেজাউল/২০১৯/১৭৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ৪৪৪৫

বিএসসির সক্ষমতা বাড়াতে আরো ১০টি জাহাজ সংগ্রহ করা হবে

                                          -- নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম, ৯ অগ্রহায়ণ (২৪ নভেম্বর) :    

          নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী বলেছেন, বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) এর সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্যে নতুন নতুন জাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে চীন থেকে ৩৯ হাজার মেট্রিক টনের ছয়টি জাহাজ সংগ্রহ করা হয়েছে। আরো ১০টি নতুন জাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। বিএসসি ভবিষ্যতে দেশের গন্ডি পেরিয়ে মেরিটাইম বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করতে পারবে। জ্বালানি তেল, কয়লার পাশাপাশি লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস (এলএনজি) বিএসসির জাহাজে পরিবহনের পরিকল্পনা রয়েছে।

আজ পতেঙ্গাস্থ চট্টগ্রাম বোট ক্লাবে বিএসসির ৪২তম বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খালিদ মাহ্‌মুদ জানান, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে বিএসসির মোট আয় হয়েছে ২৩০ কোটি ৭ লাখ টাকা এবং ব্যয় হয়েছে ১৭৪ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। নিট আয় হয়েছে ৫৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বিএসসির বহরে রয়েছে ৮টি জাহাজ। পুরনো হয়ে যাওয়া জাহাজগুলো বাদ দিয়ে নতুন জাহাজ সংগ্রহের মধ্য দিয়ে শিপিং কর্পোরেশনের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর সুমন মাহমুদ সাব্বির।

#

জাহাঙ্গীর/ফারহানা/সঞ্জীব/রেজাউল/২০১৯/১৭২৮ ঘণ্টা

 

Handout                                                                                                                     Number : 4444

Myanmar must stop unjustifiable campaign

against Bangladesh on Rohingya Repatriation

Dhaka, 24 November :

Continued rally of fabricated information, misrepresentation of facts, unsubstantiated claims, and unwarranted accusations to unjustifiably shift the onus of the Rohingya crisis on Bangladesh testifies the campaign of the Government of Myanmar to avoid its obligations to create an environment in Rakhine conducive for the sustained repatriation and reintegration of the forcibly displaced Rohingya in their homeland. At a recent press conference on 15th November 2019 by the Ministry of the State Counsellor’s Office of Myanmar, the spokesperson made another venture to unduly attribute the non-commencement of repatriation of the Rohingya entirely to non-cooperation and non-respect of bilateral arrangements by Bangladesh. Even they went further to resort to intimidation and also harsh criticism of the international community for the recent initiatives on the accountability of the perpetrators for atrocity crimes.

It is an established fact that the Rohingya crisis resulted from systematic disenfranchisement and brutal persecutions of this religious minority by the successive regimes in Myanmar. Continuation of the same by the present government is the sole reason for the gravity of the crisis. The crisis originated in Myanmar and the solution entirely lies there. None other than Myanmar should be responsible for prolongation of the crisis. Bangladesh has no interest in delaying the repatriation. Sincerity of Bangladesh in facilitating earliest repatriation of Rohingya as per bilateral instruments has been unquestionably established through its actions.

 In the presence of Myanmar official in Cox’s Bazar during the repatriation attempt in August 2019, the Rohingya made it clear to the world media that they possess strong desire to voluntarily return to their ancestral homeland if and only if they are assured of safety, security and sustainable living in Rakhine. Myanmar must not expect Bangladesh to cooperate in repatriation in an uncertain environment in Rakhine.

 Despite disappointing experiences in the past and greater challenges ahead, Bangladesh again primarily relied on bilateral engagements with Myanmar and concluded two instruments on return. As per bilateral instruments, Myanmar is under obligation to bring back normalcy in Rakhine and create an environment conducive for repatriation and reintegration of the Rohingya addressing the root causes, including safety and security, citizenship, freedom of movement, access to basic services and livelihood, return to places of origin or any nearest place of their choice. Moreover, Myanmar is entirely responsible to encourage the displaced Rohingya to return voluntarily in appropriate manner. Unfortunately, Myanmar has utterly failed to demonstrate any political will to fulfil its obligations and trying to shift the onus on Bangladesh.

Myanmar’s claim of return of a handful number of people, who are not verified, using their personal contacts with Myanmar officials does not testify any improvement of the ground reality in Rakhine. A recent comprehensive report on these returnees by Radio Free Asia rather reveals total lack of preparedness in ensuring a conducive environment on the part of Myanmar Government. While Myanmar claims that the situation in Rakhine is conducive enough for repatriation, it must allow the international community including UN officials, international media, and representatives of the prospective returnees to visit the places of return to assess the ground reality and help the returnees making an informed choice.

            Myanmar always alleges that Rohingya do not dare to express their desire to return due to intimidation and negative propaganda by ARSA elements and NGO staff. It is totally baseless and must have originated out of some ulterior motive. The Government of Bangladesh has taken adequate measures to ensure that the potential returnees are able to express their views on return without any influence or threat from any quarter. Myanmar is carrying out such propaganda to avoid its responsibility and misguide the international community. There are no ARSA activities at Rohingya camps. It is not possible to operate terrorist bases anywhere in Bangladesh because of high alertness and effective preventive measures by the security forces in the line with “zero tolerance policy” of the present Government under the Hon’ble Prime Minister Sheikh Hasina.

 Myanmar and Bangladesh have agreed in bilateral Arrangements to refrain from conceiving and implementing any policy which is discriminatory to any particular community. For the matter of return and reintegration, same procedure should apply to everybody, regardless of ethnic religious identity and without discrimination. It is pertinent to note that Myanmar has so far verified only 65 out of about 450 Hin

23f8645bb9884ac3ea6847450de99383.docx 23f8645bb9884ac3ea6847450de99383.docx

Share with :

Facebook Facebook