তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১১ মে ২০২২

তথ্যবিবরণী ১১ মে ২০২২

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ১৯০০

 

আল জাজিরার সাংবাদিক নিহতের ঘটনায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর শোক ও উদ্বেগ

 

ঢাকা, ২৮ বৈশাখ (১১ মে) :

 

আল জাজিরার প্রখ্যাত সাংবাদিক শিরীন আবু আকলেহ নিহতের ঘটনায় গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ। 

 

আজ অধিকৃত পশ্চিম তীরে ৫১ বছর বয়সি শিরীন আবু আকলেহ নিহতের সংবাদে মন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতার দায়িত্বপালনরত অবস্থায় তাঁর এ মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক এবং উদ্বেগজনক। প্রয়াত শিরীন আবু আকলেহ যুগে যুগে সাহসী সাংবাদিকতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবেন বলেন ড. হাছান মাহ্‌মুদ। 

 

#

 

আকরাম/নাইচ/সেলিম/২০২২/২২৪৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর : ১৮৯৯

 

ঘোষিত হলো হজ প্যাকেজ-২০২২

 

ঢাকা, ২৮ বৈশাখ (১১ মে) :

 

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও হজ ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ফরিদুল হক খানের সভাপতিত্বে আজ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে হজ ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় হজ ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটি হজ প্যাকেজ-২০২২ অনুমোদন প্রদান করে।

 

সভাশেষে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও হজ ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ফরিদুল হক খান এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিং হজ প্যাকেজ-২০২২ ঘোষনা করেন।

 

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী জানান, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির কারণে সৌদি সরকার কর্তৃক হজের ঘোষণা প্রদানে বিলম্বিত হওয়া এবং এখন পর্যন্ত সৌদি আরব হতে জনপ্রতি প্রকৃত খরচের বিবরণী না পাওয়ায় সম্ভাব্য ব্যয় বিবেচনা করে ২০২২ খ্রিস্টাব্দের সরকারি ব্যবস্থাপনা এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য হজ প্যাকেজ নির্ধারন করা হয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২২ সালে সরকারি ব্যবস্থাপনার জন্য ২টি প্যাকেজ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার এজেন্সিসমূহের জন্য একটি প্যাকেজের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১ এ সর্বমোট ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা প্যাকেজ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১ এর হজযাত্রীগণ পবিত্র মসজিদুল হারাম চত্বরের সীমানা থেকে সর্বোচ্চ ১০০০ মিটারের মধ্যে অবস্থান করবেন। সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-২ এ সর্বমোট ৪ লাখ ৬২ হাজার ১৫০ টাকার প্যাকেজমূল্য নির্ধারন করা হয়েছে। প্যাকেজ-২ এর হজযাত্রীগণ পবিত্র মসজিদুল হারাম চত্বরের সীমানা থেকে সর্বোচ্চ ১৫০০ মিটারের মধ্যে অবস্থান করবেন। 

 

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, এবছর  রুট টু মক্কা ইনিশিয়েটিভ এর আওতায় ঢাকা হযরত শাহজালাল বিমান বন্দর দিয়ে গমনকারী শতভাগ হজযাত্রীর সৌদি আরবের প্রি-এরাইভাল ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেক হজ এজেন্সি কমপক্ষে ১০০ জন এবং সর্বোচ্চ ৩০০ জন হজযাত্রী প্রেরণ করতে পারবে; হজ এজেন্সি ব্যতিত অন্য কোনো এজেন্সির নিকট হজযাত্রীর বিমান টিকেট বিক্রয়ের জন্য অনুমতি প্রদান করা যাবে না। কোনো হজ এজেন্সিকে কোনো অবস্থাতেই ৩০০ এর অধিক টিকেট প্রদান করা যাবে না। এছাড়া হজযাত্রীদের কুরবানী বাবদ ব্যয়ের অর্থ প্যাকেজ মূল্যের অতিরিক্ত ৮১০ সৌদি রিয়ালের সমপরিমাণ ১৯ হাজার ৬৮৩ টাকা সঙ্গে নিতে হবে। 

 

হজ ব্যবস্থাপনা নির্বাহী কমিটির সভায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কাজী এনামুল হাসান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব রিয়ার এডমিরাল (অব.) খোরশেদ আলম, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (হজ) মোঃ মতিউল ইসলাম, হজ এজেন্সীজ এসোসিয়েশন অভ্‌ বাংলাদেশ (হাব) এর সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তাসলিমসহ নির্বাহী কমিটির অন্যান্য সদস্য ও তাঁদের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

#

 

আনোয়ার/নাইচ/মাহমুদ/সেলিম/২০২২/২২০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর: ১৮৯৮

 

স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ৫ম স্বাস্থ্য জনসংখ্যা পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি গ্রহণ এবং

কোভিড ভ্যাক্সিন ক্রয়ে বড় অংকের অর্থিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক

                                                                          -- স্বাস্থ্যমন্ত্রী

                                                                

ঢাকা, ২৮ বৈশাখ (১১ মে) :   

 

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের দুটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সাথে বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বাংলাদেশ বিশ্বের ৫ম সফল দেশ হিসেবে বিশ্ব স্বীকৃতি পেয়েছে এবং দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম অবস্থানে রয়েছে। এই সাফল্য গোটা বিশ্বের পাশাপাশি বিশ্ব ব্যাংকেরও নজর কেড়েছে। একদিনে সোয়া এক কোটি ডোজ টিকা দিয়ে বাংলাদেশ নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছে। এসব কারণে বিশ্বব্যাংক কোভিডের পরবর্তী ঢেউ মোকাবিলায় বাংলাদেশের ভ্যাক্সিন ক্রয়ে বড় অংকের আর্থিক সহায়তা দেবার আশ্বাস দিয়েছে। এছাড়াও কোভিড সাফল্যের কারণে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতের অন্যান্য জরুরি চিকিৎসা সেবা খাতেও সহযোগিতা করতে উৎসাহিত হয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এই আর্থিক উদ্দীপনা নিঃসন্দেহে দেশের স্বাস্থ্যখাতের জন্য একটি বড় ইতিবাচক দিক হবে।"

 

আজ টেলিফোনে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের  নেতৃত্বে দেশের একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সাথে বিশ্বব্যাংকের দুটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের দু’টি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে বৈঠকের আলোচ্য বিষয়গুলি তুলে ধরার সময় একথা জানান মন্ত্রী।

 

বাংলাদেশ সরকারের সাথে বিশ্বব্যাংকের উচ্চ পর্যায়ের দু’টি প্রতিনিধি পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক দুটিতে বাংলাদেশের ৪র্থ স্বাস্থ্য জনসংখ্যা পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি বাস্তবায়নে অগ্রগতি, ৫ম স্বাস্থ্য জনসংখ্যা পুষ্টি কর্মসূচি গ্রহণ, কোভিড মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত কর্মসূচি আলোচনা হয়। এছাড়াও ভ্যাক্সিন ক্রয়ে বাংলাদেশ সরকারের ব্যায়িত অর্থের বিপরীতে ৩৫০ মিলিয়ন ডলারের বেশি রিইম্বার্স করার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।

 

মন্ত্রী আরো বলেছেন, এই বৈঠকে ৫ম স্বাস্থ্য জনসংখ্যা পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি গ্রহণের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং এই খাতে বিশ্বব্যাংকের নিকট হতে কমবেশি ১ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহযোগিতার বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। এছাড়াও ঢাকায় সাউথ এশিয়া অঞ্চলের রিজিওনাল সার্ভিলেন্স সেন্টার স্থাপন বিষয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

 

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে অন্যান্যের মধ্যে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব সাইফুল হাসান বাদল, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এএইচএম এনায়েত হোসেন, যুগ্মসচিব আব্দুস ছালাম খানসহ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে উপস্থিত ছিলেন।

 

#

 

মাইদুল/নাইচ/মাহমুদ/সেলিম/২০২২/২০৪৫ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর: ১৮৯৭

 

সাহিত্য না পড়লে মানুষ হওয়া যাবে না

                                -- শিক্ষামন্ত্রী                                                              

 

ত্রিশাল (ময়মনসিংহ), ২৮ বৈশাখ (১১ মে) :   

 

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সাহিত্য না জানলে মানুষ হওয়া যাবে না। তিনি আজ ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামাল, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাফেজ রুহুল আমিন মাদানী। এছাড়া অন্যান্য অতিথি ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

মন্ত্রী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনাদের প্রযুক্তিবান্ধব দক্ষ মানুষ হতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যত বিভাগ থাকুক যত বিষয়ই থাকুক, ডিগ্রি যে  সব বিষয়ে দেওয়া হোক না কেন তার জন্যও সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন পড়া অত্যাবশ্যক। যদি কেউ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র হন, কিংবা চিকিৎসা বিজ্ঞান, তার জন্যও। সাহিত্য, ইতিহাস, দর্শন পড়া অত্যাবশ্যক কারণ এই বিষয়গুলো আপনার মনোজগতকে প্রসারিত করতে পারে। আপনার চিন্তার গভীরতা দেবে।

 

 ‘শিক্ষিত বেকার তৈরি করতে চাই না’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেছেন, কর্মজগতের চাহিদা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অ্যাকাডেমিক মাস্টার প্ল্যান তৈরি করতে হবে। একশ বছর আগে যে বিষয়গুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হতো তার সবগুলো হয়ত এখন সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর জন্য প্রাসঙ্গিক নয়। কোথাও বন্ধ করতে হবে আবার কোথাও নতুন বিষয় খুলতে হবে। সে জন্য মাস্টার প্ল্যান করা এবং সময় সময় তা আপডেট করার প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, ‘চতুর্থ শিল্প বিপ্লব দরজায় কড়া নাড়ছে। তার জন্য তৈরি হতে হবে। আমরা যেসব শিক্ষার্থীদের গ্র্যাজুয়েট করছি তাদের চাকরির যোগ্য হিসেবে তৈরি করছি কি না? যাদের ডিগ্রি দিলাম তারা যদি চাকরি না পায়, উদ্যোক্তা হতে না পারে তাহলে তার সনদের কোনো দাম থাকবে না। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অনেক উন্নতমানের শিক্ষা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আমাদের অসাধারণ শিক্ষক রয়েছেন, গবেষণাও রয়েছে, একটু গুছিয়ে কাজগুলো করতে হবে, পরিকল্পনা করতে হবে। 

 

কর্ম জগতের ভালো ধারণা নিয়েই পাস করতে হবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বার বার অ্যাকাডেমিয়া লিংকেজের কথা বলছি। যারা গ্র্যাজুয়েট হচ্ছে তারা যা পড়ছে তার সঙ্গে যদি কর্ম জগতের চাহিদার যোগসূত্র না থাকে তাহলে জব রেডি হবে না।

 

#

 

খায়ের/নাইচ/মাহমুদ/সেলিম/২০২২/২১০০ ঘণ্টা

Handout                                                                                                            Number : 1896

Bangladesh and Bulgaria to celebrate the 50th

anniversary of the establishment of diplomatic relations this year


Dhaka, 11 May 2022:

            Bangladesh and Bulgaria will be celebrating the 50th anniversary of the establishment of diplomatic relations between the two friendly countries this year. On this historic occasion, Bangladesh and Bulgaria have decided to take up a number of initiatives to further strengthen bilateral partnership. The Bulgarian Ambassador Eleonora Dimitrova called on Foreign Minister Dr A K Abdul Momen at the Ministry of Foreign Affairs today to discuss about the initiatives and other issues of common interest. 

            Foreign Minister and the Bulgarian Ambassador recalled the official visit of Prime Minister Sheikh Hasina to Sofia in May 2016 to attend the Global Women Leader’s Forum and her meetings with the President and Prime Minister of Bulgaria. 

            The proposal of naming a street in Sofia after the Father of the Nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman and a road in Dhaka after the forefather of the Bulgarian National Revival, St. Paisiy Hilendarski has been discussed and both side agreed, in principle, to work on that.  

            Foreign Minister Momen appreciated Bulgarian support in various regional and international forum and sought their support for Bangladesh’s candidature to the United Nations Human Rights Council for the term 2023-25. Bulgarian Ambassador expressed willingness to employ Bangladeshi workers especially in the garments sector in Bulgaria. Foreign Minister Momen appreciated the initiative. 

            Foreign Minister Momen emphasized on regular exchange of business delegation between the two countries and highlighting the excellent opportunities in Bangladesh, he requested the Ambassador to encourage Bulgarian investors to invest in Bangladesh. Bulgarian Ambassador requested that Bangladesh can consider importing edible oil (sunflower oil), corn, etc. from Bulgaria.

#

Mohsin Reza/Pasha/Rahat/Rafiqul/Mahmud/Joynul/2022/1950 hours

তথ্যবিবরণী                                                                                                           নম্বর : ১৮৯৫

 তেলবীজের উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

ঢাকা, ২৮ বৈশাখ (১১ মে) : 

ভোজ্যতেলের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে আনতে তেলবীজের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য গবেষণা ও উৎপাদন বাড়ানোর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

আজ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) মিলনায়তনে কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের সাম্প্রতিক অর্জন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ নির্দেশনা প্রদান করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘ভোজ্যতেল আমদানিতে বছরে ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি খরচ হচ্ছে। ডাল আমদানি করতে হচ্ছে ৬ থেকে ৭ লাখ টন, তাতেও প্রচুর অর্থ বিদেশে চলে যাচ্ছে। আমাদের দেশে পটুয়াখালীসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে ডাল ও তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন হচ্ছে। ধানের উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত না করে অতিরিক্ত ফসল হিসাবে আরো কোথায় কোথায় এসব ফসলের উৎপাদন করা যায় তা খুঁজে বের করতে হবে এবং একই সঙ্গে গবেষণা বাড়াতে হবে।’ 

মন্ত্রী আরো বলেন, ভোজ্যতেলের ৯০ শতাংশই আমদানি করতে হয়। আমরা আমদানির অর্ধেকও উৎপাদন করতে পারি কি না সেটা দেখতে হবে, আমাদের সে সক্ষমতা রয়েছে। কোথায় সরিষার উৎপাদন বাড়ানো যায় সেটা নির্ধারণ করতে হবে। এক্সটেনশন সিস্টেম ডেভেলপ করতে হবে, যাতে দ্রুত এর উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। এটি করতে পারলে আগামী ৩-৪ বছরের মধ্যে ভোজ্যতেলের চাহিদার ৪০ ভাগ স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হবে। তবে এসব পণ্যের উৎপাদান বাড়াতে হলে ভালো মানের গবেষণার দরকার বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, সরকারের গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিচ্ছে। এ টাকা দিয়ে কি মানের গবেষণা হচ্ছে, কোন কোন জার্নালে প্রকাশিত হচ্ছে, সেগুলো মানসম্পন্ন কি না এ বিষয়গুলো দেখা হবে। শুধু গবেষণা করলে হবে না, মাঠ পর্যায়ে তা কি ফলাফল বয়ে আনছে সে বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

পেঁয়াজের উদাহরণ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ক’ দিন আগেই পেঁয়াজের ভরা মৌসুমে কৃষকরা দাম পাচ্ছিল না। এখন একটু দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষকরা একটু মূল্য পাচ্ছে। কৃষককে দাম পাওয়ার জন্যই আমদানি কিছুটা বন্ধ রাখা হয়েছে। কারণ, কৃষকেরা উৎপাদন খরচ তুলতে না পারলে আগামী বছর পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হবে না।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষিসচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম বলেন, দেশে এখনো গবেষণা সরকারি পর্যায়েই সীমাবদ্ধ। বিদেশে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতেরও ভূমিকা আছে । বেসরকারি খাতেও গবেষণা বাড়াতে হবে।

বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মোঃ বখতিয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস। 

#

কামরুল/পাশা/রাহাত/এনায়েত/রফিকুল/মাহমুদ/শামীম/২০২২/১৯৪৫ঘণ্টাHandout                                                                                                            Number : 1894

Bangladesh trying its best to combat land degradation and desertification
                                                                               -- Environment Minister

Dhaka, 11 May 2022:

            Minister for Environment, Forest and Climate Change Md. Shahab Uddin said the Government of Bangladesh is trying its best to combat land degradation and desertification. To this end, it has revised its National Environmental Policy giving special attention to combat land degradation and desertification. We have formulated National Action Program (NAP) for Combating Desertification, Land Degradation and Drought 2015-2024. Bangladesh has set voluntary targets to achieve Land Degradation Neutrality (LDN) by 2030 as per SDG Target 15.3 and the decision of COP13.

            The environment minister said this at ‘Round table 2, Land restoration: A path to sustainable post pandemic recovery’ in the conference of the parties (COP-15) to the United Nations Convention to Combat Desertification (UNCCD) held yesterday in Abidjan, Côte dIvoire.

            Environment Minister said roadside plantation, coastal afforestation and social forestry are some of the successful land-based adaptation programmes in Bangladesh. We have also formulated Bangladesh Climate Change Strategy and Action Plan (BCCSAP) and Bangladesh Delta Plan 2100 (BDP 2100) and is preparing Mujib Climate Prosperity Plan (MCPP). We have introduced best practices of SLM Technology for fast growing crops, vegetable and fruits. Barind, a north western part of the country is a best example to be turned into green area by introducing sustainable mechanism, he said.

            Shahab Uddin said Bangladesh is losing around 69,000 hectares land every year posing a serious threat to ensure the food security for an increasing population. One third of the country lies in the coast exposed to tidal floodings which leads to increased salinity. Forced migration of one million people from neighboring country to our country has created enormous threat to our land, life, environment, biodiversity, forest and ecosystems. The loss of soil, flora, fauna and ecosystems expand the risk of novel diseases like COVID-19 and Ebola. The north-western part of the country is under the threat of desertification. Land restoration is definitely a cost-effective strategy which can ensure green recovery. So, Bangladesh is encouraging and welcoming international cooperation and support through UNCCD secretariat as well as Global Mechanism.

            Earlier to this programme, the environment minister also joined and delivered speeches at High Level Interactive Dialogue on Future Proofing Land Use: Shifting patterns in production and Consumption in the conference of the parties (COP-15) to the United Nations Convention to Combat Desertification (UNCCD) held last night in Abidjan.

#

Dipankar Bar/Pasha/Rahat/Rafiqul/Joynul/2022/1910 hours

তথ্যবিবরণী                                                                                                                      নম্বর : ১৮৯৩

কানাডার হাইকমিশনার-বাণিজ্যমন্ত্রী বৈঠক

ভোজ্যতেল ক্যানোলা আমদানির প্রস্তাব কানাডার, বাংলাদেশে উৎপাদন করার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

ঢাকা, ২৮ বৈশাখ (১১ মে) :

          বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, কানাডা বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। কানাডার সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কানাডা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির বড় বাজার। উভয় দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিপুল সুযোগ রয়েছে, এ সুযোগকে কাজে লাগাতে চায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশ বিপুল পরিমাণ ভোজ্য তেল আমদানি করে থাকে। কানাডায় প্রচুর ক্যানোলা উৎপাদন হয়, স্বাস্থ্যসম্মত ভোজ্য তেল কানোলা বাংলাদেশে জনপ্রিয় হতে পারে। বাংলাদেশের স্পেশাল ইকোনমিক জোনে কানাডা ক্যানোলা ভোজ্য তেল ফ্যাক্টরি স্থাপন করে উৎপাদন করলে বাংলাদেশের চাহিদা মিটিয়ে পার্শবর্তী দেশে রপ্তানি করে লাভবান হতে পারে। বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বেশকিছু সুযোগ সুবিধার প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে কানাডা লাভবান হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিপুল পরিমাণ আলু উৎপাদন হয়, এগুলো রপ্তানির সুযোগ রয়েছে। এ ধরনের কৃষি পণ্যের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে গবেষণার কাজে কানাডা সহায়তা করলে বাংলাদেশ উপকৃত হবে।

          মন্ত্রী আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর অফিস কক্ষে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার ড. লিলি নিকোলস (Dr. LiLi Nicholls) এর সাথে বৈঠকের সময় এসব কথা বলেন।

          কানাডার হাইকমিশনার ড. লিলি নিকোলস বলেন, কানাডা বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী। কানাডায় বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বিপুল চাহিদা রয়েছে। কানাডার ক্যানোলা ভোজ্য তেল বাংলাদেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে রপ্তানি করার সুযোগ রয়েছে। উভয় দেশের গভ. টু গভ. (জিটুজি) পদ্ধতিতে বাংলাদেশ ট্রেডিং করপোরেশন অভ্ বাংলাদেশ (টিসিবি) এর মাধ্যমে আমদানি করতে পারে। এ বিষয়ে কানাডা সরকার সবধরনের সহযোগিতা করবে। তিনি বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের প্রশংসা করে বলেন, উভয় দেশের ব্যবসায়ীগণ পারস্পরিক দেশ সফর করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করতে পারে।

          মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশে^র মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ এখন উন্নত ও আধুনিক পদ্ধতিতে পোশাক  তৈরি ও রপ্তানি করছে। ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল বিশ্বর ১৫৭টি ফ্যাক্টরিকে লিড গ্রিন ফ্যাক্টরির সার্টিফিকেট দিয়েছে, এর মধ্যে প্রথম ১০টির মধ্যে ৯টিই বাংলাদেশে। বাংলাদেশে এখন নিরাপদ ও কর্মবান্ধব পরিবেশে শ্রমিকরা কাজ করছে। শ্রম আইন সংশোধন করে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে।

          অনুষ্ঠানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি) নুসরাত জাবীন বানু উপস্থিত ছিলেন।

#

বকসী/পাশা/রফিকুল/জয়নুল/২০২২/১৯০০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর: ১৮৯২

 

বিদেশি গণমাধ্যমে দেশের সঠিক চিত্রায়ণ করুন - ওকাবকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

                                 

ঢাকা, ২৮ বৈশাখ (১১ মে) :   

বিদেশি গণমাধ্যমে দেশকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে বিদেশি সংবাদ মাধ্যমগুলোর প্রতিনিধিদের সংগঠন ওভারসিজ করেসপন্ডেন্টস এসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ওকাব) সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

আজ রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘মিট দ্য ওকাব’ অনুষ্ঠানে একক বক্তৃতায় বিশ্ব গণমাধ্যমে দেশের প্রতিফলনের ক্ষেত্রে ওকাবের ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা করে তিনি এ আহ্বান জানান। ওকাব আহ্বায়ক বিবিসি বাংলার প্রতিনিধি কাদির কল্লোলের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব জার্মান প্রেস এজেন্সির প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম মিঠুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন মন্ত্রী। এপি, ডয়েচেভ্যালে, সিনহুয়া প্রতিনিধিসহ ওকাব সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়ার পর থেকে মন্ত্রণালয়ের কাজগুলো সুচারুভাবে করে যাওয়ার জন্য সাধ্যমতো চেষ্টা করছেন জানিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষা করা, গণমাধ্যমের অর্থবহ বিকাশ এবং সেই সাথে ভুয়া ও ভূঁইফোড় সাংবাদিক কিংবা পত্রপত্রিকার মাধ্যমে যাতে বৃহত্তর সাংবাদিক সমাজের বদনাম না হয় এবং সর্বোপরি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা -এগুলোর জন্য আমি নিরন্তন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে গত বছরের ১৫ মার্চ থেকে মন্ত্রণালয়ের নাম তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় করা হয়, যা আমাদের কাজের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।’

অনুষ্ঠানে অ্যামনেস্টি ইন্টারনেশনাল, রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারর্স এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাপ্রধান, নানা দেশের রাষ্ট্রপ্রধানবৃন্দ এবং বিশ্বের গণমাধ্যম গত একদশকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়নের প্রশংসা করেছে। অপরদিকে বাংলাদেশের পক্ষপাতদুষ্ট সমালোচনাকারী অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এমন একটি সংস্থা যারা ফিলিস্তিনি শিশুদের ঢিল ছোঁড়ার জবাবে ইসরায়েলি সেনাদের ব্রাশফায়ারে শিশু হত্যার প্রতিবাদ করে না, বাংলাদেশে বিএনপি-জামাত একশ’ জনেরও বেশি মানুষকে পেট্রোল বোমায় পুড়িয়ে হত্যা করলেও প্রতিবাদ করে না আবার মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের জন্য বলে। একারণে তারা বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। আর যে আফগানিস্তানে সংবাদ উপস্থাপনের কারণে নারীদের হত্যা করা হয়, গণমাধ্যমকে নারীদের প্রত্যাহার করতে হয়, যে দেশে সাংবাদিকতার সুযোগই নেই, তাদের পেছনে বাংলাদেশের অবস্থান দেখিয়ে রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারর্স নিজেরাই প্রমাণ করেছে যে তাদের মুক্ত গণমাধ্যম সূচক ও প্রতিবেদন বিদ্বেষপ্রসূত। একইসাথে টিআইবি সব বিষয়ে বিবৃতি দিতে গিয়ে রাজনৈতিক দলের সাথে তাদের পার্থক্য হারিয়ে ফেলছে।’   

মন্ত্রী হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘আমি মনে করি বাংলাদেশে সংবাদ মাধ্যম যেভাবে অবাধ স্বাধীনতা ভোগ করে, এটি অনেক উন্নয়নশীল দেশের জন্য উদাহরণ। যুক্তরাজ্যে কারো বিরুদ্ধে ভুল বা অসত্য রিপোর্ট হলে সেটির প্রেক্ষিতে মামলা হয়, সংবাদ মাধ্যমকে জরিমানা গুণতে হয়। সেখানে একজন এমপির বিরুদ্ধে অসত্য সংবাদ পরিবেশনের কারণে বিবিসির পুরো একটি টিমকে পদত্যাগ করতে হয়েছে। তিন মাস আগেও একটি ভুল সংবাদ পরিবেশনের ঘটনায় বিবিসির অনেককে পদত্যাগ করতে হয়েছে। সেখানে ২০১১ সালে ১৬৭ বছরের পুরনো পত্রিকা নিউজ অব দ্য ওয়ার্ল্ড একটি ভুল সংবাদ পরিবেশনের কারণে তাদের ওপর আদালতের জরিমানার পরিমাণ এতো বেশি ছিলো যে, তারা পত্রিকা বন্ধ করে দিয়ে কোম্পানিকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছে। এ ধরনের ঘটনা কন্টিনেন্টাল ইউরোপেও হয়, আমাদের দেশে কখনো এমন ঘটে নাই।’

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড ও অর্জনের কথা তুলে ধরতে গিয়ে মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ তার উদ্যোগে বিদেশি চ্যানেলগুলোর বিজ্ঞাপনমুক্ত সম্প্রচার সংক্রান্ত আইনের বাস্তবায়ন, কেবল নেটওয়ার্কে দেশি টিভি চ্যানেলগুলো সবার আগে এবং তাদের সম্প্রচারের তারিখ অনুযায়ী পরপর তাদের অবস্থান নিশ্চিত করা, ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কয়েক দফা মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে অবৈধ ডিশ টিভি উচ্ছেদ অভিযান করে বছরে দেশের ১ হাজার কোটি টাকার বেশি পাচার ও লোকসান হওয়া রোধ, বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণে দেশি শিল্পী ও শিল্পের সুরক্ষায় বিদেশি শিল্পী ও বিদেশে চিত্রায়িত বিজ্ঞাপন প্রচারের ওপর কর আরোপের কথা জানান।

একইসাথে বর্তমান বাস্তবতার নিরিখে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ব্যবস্থাপনায় নীতি প্রণয়ন, গণমাধ্যমকর্মী আইন ও সম্প্রচার আইনের খসড়া প্রণয়ন, প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিক পৃষ্ঠপোষকতায় সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে করোনায় গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য বিশ্বে নজিরবিহীন সহায়তা দান, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত চলচ্চিত্র শিল্পকে বাঁচাতে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ ও সংস্কারের ১ হাজার কোটি টাকার সহজ ঋণ তহবিল গঠন, চলচ্চিত্রে সরকারি অনুদান বৃদ্ধি এবং সাংবাদিকদের ডাটাবেজ তৈরির জন্য প্রেস কাউন্সিলকে নির্দেশনা দানের বিষয়েও আলোকপাত করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে দূরদর্শন ফ্রি ডিশের মাধ্যমের সমগ্র ভারতে বাংলাদেশ টেলিভিশনের সম্প্রচার শুরু এবং ১৪ জানুয়ারি ২০২০ থেকে প্রথমবারের মতো আকাশবাণীর মাধ্যমে সমগ্র ভারতে বাংলাদেশ বেতারের দৈনিক চারঘণ্টা সম্প্রচার এবং বাংলাদেশ বেতারে আকাশবাণীর অনুরূপ সম্প্রচার শুরুকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্জন বলে অভিহিত করেন তথ্যমন্ত্রী।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রসঙ্গে ড. হাছান বলেন, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেলেধরার গুজব রটনার প্রেক্ষিতে দেশে বহু নিরীহ মানুষ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে, জীবিত ব্যক্তিকে মৃত বলে প্রচার করা হয়েছে, গুজব রটিয়ে সাম্প্রদায়িক শান্তি বিনষ্টের অপচেষ্টা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘যখন ডিজিটাল বিষয়টি ছিলো না, তখন এটি ডিজিটাল সুরক্ষার কোনো আইনেরও প্রয়োজন ছিলো না কিন্তু যখন দেশ ডিজিটাল হয়েছে তখন এই মাধ্যমে যাতে কারো চরিত্রহনন, গুজব রটানো, হানাহানি সৃষ্টি কিংবা রাষ্ট্র, প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির গোপনীয়তা, স্বাধীনতা বা নিরাপত্তাহানি না ঘটে সেজন্য এ আইন। এটি গৃহিণী থেকে কৃষক, শ্রমিক, চাকুরিজীবী সকলের জন্য, কোনোভাবেই শুধু সাংবাদিকদের জন্য নয়, আপামর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেয়ার জন্য।’

#

আকরাম/পাশা/রাহাত/এনায়েত/রফিকুল/মাহমুদ/সেলিম/২০২২/১৮০০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী                                                                                                           নম্বর : ১৮৯১

জরাজীর্ণ সব ভবন ভেঙে দেশে ভূমিকম্প-সহনীয় ভবন নির্মাণ করা হবে

                                                                                   --ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ২৮ বৈশাখ (১১ মে) : 

জরাজীর্ণ সব ভবন ভেঙে দেশে ভূমিকম্প-সহনীয় ভবন নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ এনামুর রহমান। আজ সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত “দুর্যোগ মেকাবিলায় কতটা প্রস্তুত আমরা” শীর্ষক সংলাপে অংশ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জরাজীর্ণ সব ভবন ভেঙে ফেলবো। জাপানের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় ভূমিকম্প-সহনীয় নকশায় এগুলো নতুন করে তৈরি করা হবে। নকশা এমনভাবে করা হচ্ছে যেন ভবনগুলোর ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প সহনশীলতা থাকে। এরইমধ্যে নির্মিত কিছু ভবন আমরা পরীক্ষা করবো, কোনো দুর্বলতা থাকলে সেগুলো শক্তিশালী করা হবে। নতুন যেসব ভবন এখন হচ্ছে সেগুলো নির্মাণের ক্ষেত্রে বিএনবিসি (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড) মানতে হবে। তিনি বলেন, অবশ্য এক্ষেত্রে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ঐ

2022-05-11-16-45-8ea23b2f1f0a75f5e3391b38a169fc4a.doc 2022-05-11-16-45-8ea23b2f1f0a75f5e3391b38a169fc4a.doc

Share with :

Facebook Facebook