তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৯ নভেম্বর ২০১৯

তথ্যবিবরণী ১৯/১১/২০১৯

 

P R E S S  N O T E

নম্বর : ৪৩৭৪

ঢাকা, ৪ অগ্রহায়ণ (১৯ নভেম্বর) :    

          একটি মহল পরিকল্পিতভাবে দেশে গুজব ছড়ানোতে লিপ্ত রয়েছে। সম্প্রতি দেশে লবণের প্রাপ্যতা নিয়েও গুজব ছড়ানোর একটি অপচেষ্টা চলছে। ইতোমধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, প্রকৃতপক্ষে দেশে লবণের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং ডিসেম্বর মাসেই দেশে নতুন লবণ উৎপাদিত হয়ে বাজারে আসবে। বর্তমান মজুতের সাথে যোগ হবে নতুন উৎপাদিত লবণ। ফলে দেশে লবণের কোনো সংকট নেই বা এমন কোনো সম্ভাবনাও নেই।

          লবণ নিয়ে কিংবা অন্য কোনো বিষয়ে কোনো ব্যক্তি বা মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বা অন্য যে  কোনোভাবে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

#

সুরথ/ফারহানা/রফিকুল/রেজাউল/২০১৯/১৭৩০ ঘণ্টা

 

P R E S S  N O T E

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর : ৪৩৭৩

দেশে লবণের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে

ঢাকা, ৪ অগ্রহায়ণ (১৯ নভেম্বর) :    

দেশে বর্তমানে সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টনের বেশি ভোজ্য লবণ মজুদ রয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের লবণ চাষিদের কাছে ৪ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন এবং বিভিন্ন লবণ মিলের গুদামে ২ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন লবণ মজুদ রয়েছে।

এছাড়া সারাদেশে বিভিন্ন লবণ কোম্পানির ডিলার, পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পর্যাপ্ত  লবণ মজুদ রয়েছে। পাশাপাশি চলতি মাস থেকে লবণের উৎপাদন মওসুম শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া ও মহেশখালী উপজেলায় উৎপাদিত নতুন লবণও বাজারে আসতে শুরু করেছে।

দেশে প্রতি মাসে ভোজ্য লবণের চাহিদা প্রায় ১ লাখ মেট্রিক টন। অন্যদিকে লবণের মজুদ আছে সাড়ে ৬ লাখ মেট্রিক টন। সে হিসাবে লবণের কোনো ঘাটতি নেই।

 একটি স্বার্থান্বেষী মহল লবণের সংকট রয়েছে মর্মে গুজব ছড়িয়ে অধিক মুনাফা লাভের আশায় লবণের দাম অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। এ ধরণের গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।

উল্লেখ্য, লবণ সংক্রান্ত বিষয়ে তদারকির জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) প্রধান কার্যালয়ে ইতোমধ্যে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। যার নং: ০২-৯৫৭৩৫০৫ ও ০১৭১৫২২৩৯৪৯।

লবণ সংক্রান্ত যে কোনো তথ্যের জন্য কন্ট্রোল রুমের উল্লেখিত নম্বরসমূহে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

#

জলিল/অনসূয়া/জুলফিকার/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৯/১৫২৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ৪৩৭২

জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান অনস্বীকার্য

                                -আইসিটি প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ৪ অগ্রহায়ণ (১৯ নভেম্বর) :    

          জাতীয় অর্থনীতিতে নারীর অবদান অনস্বীকার্য উল্লেখ করে  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, জিডিপিতে তৈরি পোশাক শিল্পের অবদান শতকরা ৩৪ ভাগের বেশি। দেশের শতকরা ৮০ ভাগ নারী কর্মী এই শিল্পে কাজ করছে। তিনি বলেন, নারীরা তাদের সৃজনশীল চিন্তা ও উদ্ভাবনী মেধা বিকাশের মাধ্যমে যেন দেশে-বিদেশে অবদান রাখতে পারে সে লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন ‘আইডিয়া’, ‘নারীর ক্ষমতায়ন’ সহ বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 

          প্রতিমন্ত্রী আজ রাজধানীর আইসিটি টাওয়া‌রে ‘নারী উদ্যোক্তা দিবস’ উপল‌ক্ষে ‘আইডিয়া’ প্রকল্পের আওতায় ‘উদ্যোক্তা সংস্কৃ‌তি ও উদ্ভাবনী প‌রি‌বেশ তৈ‌রি‌তে নারীর ভূ‌মিকা’ শীর্ষক সে‌মিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা ব‌লেন। 

          প্রতিমন্ত্রী বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিশন  ২০২১ তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ ঘোষণার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে নারী-পুরুষের সম্মিলিত প্রয়াসে ইনক্লুসিভ উন্নয়নের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন বর্তমানে দেশে ৫ হাজার ৮৬৫টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার রয়েছে। প্রতিটি ইউডিসিতে একজন পুরুষের পাশাপাশি একজন নারী কাজ করছেন। ইতোমধ্যে ২১ টি জেলায় প্রায় সা‌ড়ে ১০ হাজার নারী উ‌দ্যোক্তা গ‌ড়ে তোলা হ‌য়ে‌ছে।  

          জুনাইদ আহমেদ আরো ব‌লেন, নারী পুরু‌ষের সমান অংশগ্রহণ নি‌শ্চিত কর‌তে সরকার স্টার্টআপ বাংলা‌দেশ কোম্পা‌নি তৈ‌রি কর‌ছে। তিনি ‘আইডিয়া’ প্রক‌ল্পের মাধ্যমে তরুণ নারী উ‌দ্যোক্তা‌দের নিরাপদ প‌রি‌বেশ নি‌শ্চি‌তে সং‌শ্লিষ্ট‌দের কাজ করার আহ্বান জানান।

          ‘আইডিয়া’ প্রক‌ল্পের প‌রিচালক মু‌জিবুল হ‌কের সভাপ‌তি‌ত্বে বন, প‌রি‌বেশ ও জলবায়ু প‌রিবর্তন উপমন্ত্রী হা‌বিবুন নাহার, বাংলা‌দেশ পোশাক প্রস্তুককারক ও রপ্তা‌নিকারক স‌মি‌তি-‌(বি‌জিএমইএ) এর সভাপ‌তি ড. রুবানা হক, বাংলা‌দেশ ক‌ম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী প‌রিচালক পার্থ প্রতীম দেব সেমিনারে বক্তব্য রা‌খেন।

#

শহিদুল/অনসূয়া/জুলফিকার/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৯/১৬১২ ঘণ্টা

Handout                                                                                                         Number: 4371

Foreign Minister inaugurates Smart NID Card in Abu Dhabi

Abu Dhabi, 19 November:

Foreign Minister Dr. A K Abdul Momen inaugurated the Smart NID Card and voter enrolment services at Bangladesh Embassy in Abu Dhabi on 18 November, 2019.

The Minister expressed his happiness over the launching of the Smart NID card service at the Mission. He commented that the facility will reduce hassles for them. He mentioned that different digitalized services are being extended to Bangladesh expatriates abroad.

Dr. Momen also encouraged the Bangladesh expatriates to send more remittance to Bangladesh as the government is providing lucrative incentives to the remitters. During his speech, the Minister highlighted the different success stories of Bangladesh and the tremendous development that has taken place in Bangladesh. He urged the expatriate nationals to help in presenting positive image about Bangladesh from their respective host countries.

Bangladesh Ambassador to UAE, Muhammad Imran and Officials concerned of Election Commission were also present during the inauguration.

Khadiza/Anasuya/Rezzakul/Shamim/2019/1430 hour

  আজ বিকাল পাঁচটার পূর্বে প্রচার বা প্রকাশ করা যাবে না

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর : ৪৩৭০

কবি বেগম সুফিয়া কামাল এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী      

ঢাকা, ৪ অগ্রহায়ণ (১৯ নভেম্বর) :    

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কবি বেগম সুফিয়া কামাল এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :  

          “বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম অগ্রদূত কবি বেগম সুফিয়া কামাল এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।

          বাংলা সাহিত্যের অন্যতম কবি বেগম সুফিয়া কামালের সাহিত্যে সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। শিশুতোষ রচনা ছাড়াও দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজসংস্কার এবং নারীমুক্তিসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।

          নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলেছিল। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম মহিলা হোস্টেলকে ‘রোকেয়া হল’ নামকরণের দাবি জানান। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে গঠিত আন্দোলনে কবি যোগ দেন। বেগম সুফিয়া কামাল শিশু সংগঠন ‘কচিকাঁচার মেলা’ প্রতিষ্ঠা করেন।

          সুফিয়া কামাল ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা; অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপোষহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। কবি বেগম সুফিয়া কামাল যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

          সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পচাঁত্তরের পনেরই আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে যখন এদেশের ইতিহাস বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনও তাঁর সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল। 

          আমি আশা করি, কবি বেগম সুফিয়া কামালের জীবনীচর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হবে। আমি তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।  

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

বাংলাদেশ চিরজীবী হোক”

#

সরওয়ার/অনসূয়া/জুলফিকার/শামীম/২০১৯/১০২১ ঘণ্টা

আজ বিকাল পাঁচটার পূর্বে প্রচার বা প্রকাশ করা যাবে না

  আজ বিকাল পাঁচটার পূর্বে প্রচার বা প্রকাশ করা যাবে না

তথ্যবিবরণী                                                                                               নম্বর : ৪৩৬৯

কবি বেগম সুফিয়া কামাল এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী          

ঢাকা, ৪ অগ্রহায়ণ (১৯ নভেম্বর) :    

 রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ কবি বেগম সুফিয়া কামাল এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :  

“গণতন্ত্র, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও নারীমুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত কবি সুফিয়া কামালের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।

কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা। তাঁর জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে। তখন বাঙালি মুসলমান নারীদের লেখাপড়ার সুযোগ একেবারে সীমিত থাকলেও তিনি নিজ চেষ্টায় লেখাপড়া শেখেন এবং ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা শুরু করেন। সুললিত ভাষায় ও ব্যঞ্জনাময় ছন্দে তাঁর কবিতায় ফুটে উঠত সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ও সমাজের সার্বিক চিত্র। তিনি নারীসমাজকে অজ্ঞানতা ও কুসংস্কারের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন। মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার, মুক্তিযুদ্ধসহ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলনে তিনি আমৃত্যু সক্রিয় ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, তিনি ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা।

কবি সুফিয়া কামাল নিজ উদ্যোগে শুধু নিজেকে শিক্ষিত করেননি, পিছিয়ে পড়া নারী সমাজকে শিক্ষার সুযোগ করে দেয়ারও আন্দোলন শুরু করেছিলেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ’ নারী অধিকার আদায়ের এক অনন্য প্রতিষ্ঠান। বিভিন্ন গণতান্ত্রিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর অবদানের জন্য তাঁকে ‘জননী সাহসিকা’  উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

কবি সুফিয়া কামাল তাঁর কাব্য প্রতিভা ও কর্মের গুণে আমাদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাকবেন। মহীয়সী এ নারীর জীবনাদর্শ ও সাহিত্যকর্ম একটি বৈষম্যহীন ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

আমি কবি সুফিয়া কামালের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

আজাদ/অনসূয়া/জুলফিকার/শামীম/২০১৯/১০১৮ ঘণ্টা

আজ বিকাল পাঁচটার পূর্বে প্রচার বা প্রকাশ করা যাবে না

dfb35ccdfc993979edaa3b100a24b9c1.docx dfb35ccdfc993979edaa3b100a24b9c1.docx

Share with :

Facebook Facebook