তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২nd ডিসেম্বর ২০১৯

তথ্যবিবরণী 2/12/2019

Handout                                                                                                                 Number : 4562

 

Bangladesh has made remarkable progress in socio-economic development

                                                                                              -- Law Minister


Dhaka, December 2 :


            Law Minister Anisul Huq said Bangladesh has made remarkable progress in socio-economic development, as its GDP growth reached 8.13 per cent in last fiscal year. 'The estimates of Bangladesh Bureau of Statistics (BBS) showed the GDP growth rose to 8.13 per cent in 2018-19 up from 7.86 per cent the previous year. Per Capita Income touched 1909 US Dollar. Now we are $302 billion economy moving forward with mega development projects
including Tk 300 billion worth Padma bridge, Tk 22 billion metro rail, elevated expressway, flyovers, dozens of economic zones and Payra seaport,' He said.


            Minister came up with the comment while speaking in a conference on inclusion, innovation and integration for inclusive governance in Bangladesh held at Bangabandhu International Conference Center of Dhaka.


            Anisul Huq said the government will form a high-powered district case coordination committee to dispose of all the pending cases across the country. “There are 34 lac cases still pending. The committee will play a successful role in disposing of all the pending cases immediately,” he said.


            About the scope and nature of the committee, the law minister said the committee will comprise of district judges, deputy commissioners and superintendents of police to make the effort a success.


            Responding to a query, Anisul said the number of pending cases is going up due to different reasons including absence of witnesses. “The district case coordination committee will deal with the issue collectively,” he said.

 

            United Nations Development Programme (UNDP) organized the programme. Among others, Advisor to the Prime Minister Professor Dr. Gowher Rizvi, Ambassador and Head of Delegation of European Union Rensje Teerink, Ambassador of Japan Naoki Ito, Resident Representative of UNDP Sudipto Mukerjee spoke in the function.

 

#

 

Rezaul Karim/Israt/Mosharf/Rezaul/2019/2117 Hours

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৫৬১
 
 বেঁচে থাকার সাহস, শক্তি ও উৎসাহ যোগায় প্যালিয়েটিভ কেয়ার
                                                 --- সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী
 
 
ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) :
সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, আমরা জানি যে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীদের নিরাময় সম্ভব নয়। কিন্তু প্যালিয়েটিভ কেয়ার (সাপোর্ট কেয়ার বা সহায়ক চিকিৎসা) এর মাধ্যমে মৃত্যু পথযাত্রী রোগীদের কষ্ট, যন্ত্রণা ও দুর্ভোগ অনেকাংশেই লাঘব করা সম্ভব। নিরাময় অযোগ্য রোগীদের মানসিক প্রশান্তি দেওয়ার জন্যই এ প্যালিয়েটিভ কেয়ার সিস্টেম। বেঁচে থাকার সাহস, শক্তি ও উৎসাহ যোগায় প্যালিয়েটিভ কেয়ার।
আজ রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে বিশ্ব হসপিস এ- প্যালিয়েটিভ কেয়ার দিবস উপলক্ষে প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অভ্ বাংলাদেশ আয়োজিত তিন দিনব্যাপী 
(২-৪ ডিসেম্বর) জনসচেতনতামূলক আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অভ্ বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ সাদেক মোঃ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া। স্বাগত বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর প্যালিয়েটিভ কেয়ারের প্যালিয়েটিভ মেডিসিনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক নিজাম উদ্দিন আহমদ।
পরে প্রতিমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রাজধানীর টিএসসির শহিদ মুনীর চৌধুরী সম্মেলন কক্ষে মানিকগঞ্জ সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক পরিষদ ঢাকা আয়োজিত বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক মোঃ আজহারুল ইসলাম রচিত উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন শীর্ষক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন।
#
ফয়সল/ইসরাত/মোশারফ/জয়নুল/২০১৯/২১০০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৫৬০
 
২০২০ সালের হজচুক্তির উদ্দেশ্যে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সৌদি আরব গমন
 
ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) :
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডভোকেট শেখ মোঃ আব্দুল্লাহ এর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল ২০২০ সালের সৌদি-বাংলাদেশ হজচুক্তির উদ্দেশ্যে আজ সন্ধ্যায় সৌদি আরবের উদ্দেশে যাত্রা করেছেন।
আগামী ৪ ডিসেম্বর সৌদি আরবের জেদ্দায় ২০২০ সালের বাংলাদেশ-সৌদি আরব হজচুক্তি অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের পক্ষে নেতৃত্ব প্রদান করবেন সৌদি হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রী ড. মোহাম্মদ সালেহ বিন তাহের বেনতেন।
এবারের হজ চুক্তিতে বাংলাদেশের বর্তমান মুসলিম জনসংখ্যার ভিত্তিতে অতিরিক্ত বিশ হাজার বাংলাদেশি হজযাত্রীর হজের অনুমতি চাওয়া হবে। বাংলাদেশের শতকরা ৫০ ভাগ হারে হজযাত্রীর জেদ্দা এবং মদিনায় ফ্লাইট পরিচালনার প্রস্তাব করা এবং সৌদি আরব অংশের বাংলাদেশি শতকরা ১০০ ভাগ হজযাত্রীর ইমিগ্রেশন ঢাকায় সম্পন্ন করার প্রস্তাব করা হবে। এছাড়া চুক্তিতে মাশায়েরে মোকাদ্দাসায় সেবার মান উন্নত করার প্রস্তাব করার কথা রয়েছে।
চুক্তি সম্পন্ন করে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী আগামী ৭ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
#
আনোয়ার/ফারহানা/মোশারফ/জয়নুল/২০১৯/২০২০ঘণ্টা

তথ্যবিববরণী                                                                                           নম্বর : ৪৫৫৯

 

কৃষিমন্ত্রীর সাথে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার হয়েছে

ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) : 

কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশ এবং থাইল্যান্ডের মধ্যে বিগত বছরগুলোতে বাণিজ্য সম্পর্ক বেশ জোরদার হয়েছে। ইতঃপূর্বে দুদেশের মধ্যে কৃষিখাতে সহযোগিতা বাড়ানো এবং সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার লক্ষ্যে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

আজ ঢাকায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের অফিসকক্ষে মন্ত্রীর সাথে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অৎঁহৎঁহম চযড়ঃযড়হম ঐঁসঢ়যৎবুং সাক্ষাৎ করতে আসলে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন বিনিয়োগের উপযোগী পরিবেশ বিদ্যমান। তাই থাই সরকার ও সেখানকার বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে কৃষি প্রক্রিয়াজাতসহ অন্যান্য খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানান মন্ত্রী। থাইল্যান্ডের বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাসও দেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে থাইল্যান্ডের প্রযুক্তি ব্যবহারের সহায়তা চান তিনি। থাইল্যান্ডকে ভিসা জটিলতা দূর করতে আহ্বান জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে বহু পর্যটক থাইল্যান্ডে ভ্রমণ করেন। যদি ভিসার সমস্যা সমাধান করা যায় তাহলে দু’দেশের বাণিজ্য আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, বিগত কয়েক বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। বর্তমানে ৩২টি থাই কোম্পানি বাংলাদেশে সরাসরি বিনিয়োগ করেছে। আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ফোরামে বাংলাদেশ এখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ দেশ। ভিসা জটিলতা সম্পর্কে রাষ্ট্রদূত বলেন, প্রতিদিন ৮শ’ আবেদন জমা হয়, আমাদের লক্ষ্য তিন কার্যদিবসের মধ্যে ভিসা কার্যক্রম সম্পন্ন করা। যথাযথ কাগজ পত্র না থাকা ও ভিন্ন মাধ্যমে আবেদনের কারণে ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে সময়ক্ষেপণ হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন থাই অ্যাম্বাসির ফার্স্ট সেক্রেটারি কালথিরা কুমপিরোচানা (কধষঃযরৎধ কড়ড়সঢ়রৎড়পযধহধ)।

#

গিয়াস/ফারহানা/সঞ্জীব/আব্বাস/২০১৯/১৯৩৪ ঘণ্টাতথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৫৫৮

এলডব্লিউজি সার্টিফিকেট অর্জনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ইস্যুগুলোতে উন্নতির কাজ চলছে

                                                                                    --- শিল্পমন্ত্রী

ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) :

          শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, বাংলাদেশি চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের অনুকূলে লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) সার্টিফিকেট অর্জনের লক্ষ্যে যেসব ইস্যুতে উন্নতি করা প্রয়োজন, সেসব বিষয়ে দ্রুত উন্নতির কাজ চলছে। এলডব্লিউজি সার্টিফিকেশনের যোগ্যতা অর্জনের অতি সামান্য অংশ সিইটিপি ও চামড়া শিল্পনগরী প্রকল্প বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট। বাকি বেশির ভাগ বিষয়ই ট্যানারি ব্যবসায়ীদের সাথে সম্পৃক্ত। শিল্প মন্ত্রণালয় চলতি ডিসেম্বরের মধ্যেই প্রকল্প ডকুমেন্ট অনুযায়ী সিইটিপি ও চামড়া শিল্পনগরীর সমস্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করবে। এর পাশাপাশি ট্যানারি মালিকদেরকেও নিজেদের স্বার্থে কারখানাকে কমপ্লায়েন্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। 

          শিল্পমন্ত্রী আজ ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) মিলনায়তনে আয়োজিত ‘চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য উন্নয়ন নীতিমালা ২০১৯ অবহিতকরণ’ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয় এবং ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) যৌথভাবে দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করে। শিল্পসচিব মোঃ আবদুল হালিমের সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার।

          শিল্পমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সরকার ২০২১ সাল নাগাদ চামড়া শিল্পখাতে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে। এক্ষেত্রে চামড়া শিল্পখাতের উন্নয়নে বেসরকারি উদ্যোক্তাদেরকে অতীতের ধারাবাহিকতায় সরকারের নীতি সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

          শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, চামড়া শিল্পের কাঁচামালে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও প্রতিবছর বিপুল পরিমাণে ফিনিসড্ চামড়া আমদানি হচ্ছে। এর ফলে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অপচয় হচ্ছে। তিনি দেশীয় চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিশ্বমানের চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশে উন্নত প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের তাগিদ দেন। বর্তমান সরকার সাভারের চামড়া শিল্পনগরীতে আন্তর্জাতিক মানদ- অনুযায়ী সিইটিপি স্থাপন করেছে উল্লেখ করে তিনি এ নগরীতে স্থানান্তরিত ট্যানারি কারখানাগুলো এলডব্লিউজি কমপ্লায়েন্ট অনুযায়ী গড়ে তুলতে উদ্যোক্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

          অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশনের (বিটিএ) চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ, ইআরএফ’র সভাপতি সাইফুল ইসলাম দিলাল এবং ইআরএফ’র সাধারণ সম্পাদক এসএম রাশিদুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

#

জলিল/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৯/১৮৪০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৫৫৭

 

বাংলাদেশ-ভারত নৌ সচিব পর্যায়ের বৈঠক

৪ ও ৫ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে

ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) :

          বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে নৌ সচিব পর্যায়ের বৈঠক ৪ থেকে ৫ ডিসেম্বর ঢাকায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে অনুষ্ঠিত হবে। ৪ ডিসেম্বর প্রটোকল অন ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট এন্ড ট্রেড (পিআইডব্লিউটিটি) বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির এবং ৫ ডিসেম্বর সচিব পর্যায়ের ও ইন্টার গভার্নমেন্টাল কমিটির বৈঠক হবে।

          সচিব পর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নৌপরিবহন সচিব মোঃ আবদুস সামাদ এবং ভারতের পক্ষে সে দেশের নৌপরিবহন সচিব গোপাল কৃষ্ণ নেতৃত্ব দিবেন।

          দু’দেশের নৌ সচিব পর্যায়ের শেষ বৈঠক গতবছরের অক্টোবরে নয়াদিল্লীতে অনুষ্ঠিত হয়।

          উল্লেখ্য, দু’দেশের মধ্যে ছয়টি করে ১২টি ‘পোর্টস অভ্ কল’ রয়েছে এবং আটটি করে ১৬টি বাংকারিং পয়েন্ট (জাহাজে জ্বালানি নেয়ার স্থান) রয়েছে। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চারটি (আপ-ডাউন হিসেবে আটটি) নৌরুট বিদ্যমান রয়েছে।

#

জাহাঙ্গীর/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৯/১৮৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                     নম্বর : ৪৫৫৬

 

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও রেলওয়ে সেবা সপ্তাহ পালন করবে রেলপথ মন্ত্রণালয়

ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) :

আগামী ৪ ডিসেম্বর থেকে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ৮ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও রেলওয়ে সেবা সপ্তাহ পালন হবে।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ে কিছু কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয় ও রেলওয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ১০টি টাস্কফোর্স গঠন, টাস্কফোর্স ট্রেনের সময়সূচি, প্ল্যাটফর্ম দেখা, ওভার ব্রিজের অবস্থা, চলন্ত ট্রেন ও বাথরুমে বিদ্যুৎ-পানি-লাইটের অবস্থা, যাত্রীদের সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ এবং নিয়োজিত কর্মকর্তাদের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ।

সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে রেলওয়ের হাসপাতাল সংলগ্ন স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের জন্য চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে। এখানে প্রাথমিক চিকিৎসা হিসেবে যাত্রীদের ব্লাড প্রেসার, ডায়বেটিকস চেক, পুলিশিং কার্যক্রম জোরদার করা হবে এবং যাত্রী সেবা নিশ্চিতকরণে বাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেবেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ। 

এছাড়া সেবা সপ্তাহে টাস্কফোর্সের কর্মকর্তাগণ টিকিট কালোবাজীরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। যাত্রীদের বিনা দুর্ভোগে টিকিট প্রাপ্তিই সব থেকে বড় সেবা; বিনা হয়রানিতে যাত্রীদের টিকিট প্রাপ্তি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা নেয়া হবে। টাস্কফোর্স যাত্রীদের টিকিট প্রাপ্তি এবং টিকিট সংক্রান্ত তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করবে। এছাড়া অংশীজনদের নিয়ে রেলভবনে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে।

#

শরিফুল/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০১৯/১৮২৫ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর : ৪৫৫৫                                                                                                 

 

আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইন সংবাদ পোর্টাল নিবন্ধন শুরু

                                                        --- তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) :

            আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইন সংবাদ পোর্টালগুলোর নিবন্ধন শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

            বাংলাদেশ সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘দেশে যে অনলাইন সংবাদ পোর্টালগুলো আছে, সেগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় আনতে আমরা দরখাস্ত আহ্বান করেছিলাম। এ পর্যন্ত সবমিলে ৩ হাজার ৫৯৭টি দরখাস্ত জমা পড়েছে। সেগুলো তদন্ত করার জন্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ-সহ আলোচনা করে আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছিলাম, যত দ্রুত সম্ভব অনলাইনগুলোর তদন্ত শেষ করে তথ্য মন্ত্রণালয়কে জানানোর জন্য, যাতে আমরা নিবন্ধনের কাজটি শুরু করতে পারি।’

            ড. হাছান বলেন, ‘আমাদের অনুরোধের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা যে কয়েকশ অনলাইনের তদন্ত শেষ করেছে, তার প্রতিবেদন আজ বা কালকের মধ্যে আমাদের কাছে পাঠাবে। আমরা আগামী সপ্তাহ থেকে অনলাইনগুলোর নিবন্ধন দেয়া শুরু করবো। এ প্রক্রিয়া শেষ করতে সময় লাগবে কারণ সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি অনলাইনের তদন্ত শেষ করা সহজ কাজ নয় এবং কয়েকটি সংস্থা তদন্ত করছে। যে ক’টি আমরা পাবো, সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নিবন্ধন দেয়া শুরু করবো।’

            ‘তবে ভবিষ্যতেও যেন অনলাইন সংবাদ পোর্টাল কেউ করতে পারে, সেজন্য আমরা পরবর্তীতে আবার দরখাস্ত আহ্বান করবো, কারণ এখানে যে অনলাইনগুলো আছে সেগুলোতেই তো এ মাধ্যম শেষ হয়ে যেতে পারেনা’ উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পত্রিকা যেমন যে কেউ যে কোনো সময় বের করতে পারে, ভবিষ্যতে তেমনি অনলাইনও বের করতে পারে। কিন্তু ভবিষ্যতে অনলাইন পোর্টাল চালু করতে হলে একটি প্রক্রিয়ায় অনুমতির মাধ্যমের করতে হবে। পত্রিকা বের করতে চাইলে যেমন নামের ছাড়পত্র নিতে হয়, অনলাইনের ক্ষেত্রেও একটি প্রক্রিয়া অবলম্বন করে বের করতে হবে। আইপি টিভি, আইপি রেডিও’র জন্যও আমরা দরখাস্ত আহ্বান করেছিলাম। এ ব্যাপারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে সবাইকেই রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।’

টেলিভিশনে ডাবিং করা বিদেশি সিরিয়াল প্রচারে পূর্বানুমতির জন্য প্রিভিউ কমিটি

            এ সময় টেলিভিশনে ডাবিং করা বিদেশি সিরিয়াল প্রচারকে নিয়মনীতির আওতায় আনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন টেলিভিশনে যে ডাবিং করা বিদেশি সিরিয়াল প্রচার করা হয়, সেগুলোর জন্য অনুমতি নেবার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে এবং অনুমতির জন্য দরখাস্ত পড়েছে অনেকগুলো। এগুলো একটা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে যাওয়া প্রয়োজন। দুই-তিন ঘণ্টার একটি ছবি যেমন মুক্তি পেতে হলে সেন্সর বোর্ড হয়ে আসতে হয়, তেমনি এসব সিরিয়াল, যেগুলোর কোনোটা ৫০, কোনোটা ৩০ পর্ব -আবার প্রতিটি পর্ব হচ্ছে এক বা আধ ঘণ্টার পর্ব, অর্থাৎ একটি ছবি হয় দুই-তিন ঘণ্টা আর এগুলো একেকটা চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ ঘণ্টা, সুতরাং এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া অনুমোদন দেয়া সমীচীন নয়।

            ড. হাছান জানান, সে লক্ষ্যে আমরা একটি বাছাই কমিটি গঠন করেছি এবং ইতোমধ্যে গত ২৭ নভেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার) এর নেতৃত্বে এ কমিটিতে বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ, বিশিষ্ট নাট্যজন সারা যাকের, এটকো, ডিরেক্টরস গিল্ড, অভিনয় শিল্পী সংঘের একজন করে প্রতিনিধি, বিটিভি ও জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের টিভি-২ শাখার উপসচিব রয়েছেন।

            এখন থেকে কোনো টেলিভিশনে বিদেশি কোনো সিরিয়াল যদি প্রচার করতে হয়, তাহলে এই কমিটির কাছে দরখাস্ত করার পর এই কমিটি দেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে, আমাদের নতুন প্রজন্মের মনন তৈরিতে বা আমাদের সমাজে এই সিরিয়াল কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলছে কিনা, বিষয়গুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে অনুমোদন দেবে, বলেন তথ্যমন্ত্রী।

মোবাইল কোম্পানিগুলোর ভিডিও কনটেন্ট আপলোড আসবে শৃঙ্খলায়

            ড. হাছান বলেন, ‘মোবাইল কোম্পানি নানা ধরণের ভিডিও কনটেন্ট আপলোড করে ইউটিউব বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাড়ছে আবার সেখানে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে, সেখানেও তারা ব্যবসা করছে, এটির লাইসেন্স তাদেরকে দেওয়া হয়নি। তাদেরকে মোবাইল নেটওয়ার্ক পরিচালনা করার লাইসেন্স দেয়া হয়েছে। এটি বন্ধ করার জন্যে ইতোমধ্যে আমরা টেলিযোগাযোগ বিভাগকে চিঠি দিয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আমরা আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় বিষয়গুলো আলোচনা করেছি। এ ধরনের চলমানগুলোর বিষয়ে বিটিআরসি সিদ্ধান্ত নেবে। এটিকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে আমরা বদ্ধপরিকর। কারণ যে কেউ চাইলেই লাইসেন্সবিহীন ব্যবসা করতে পারে না।’

অনুমতি লাগবে অনলাইন পত্রিকার ভিডিও কনটেন্ট এবং টিভি চ্যানেলগুলোর অনলাইন চালাতেও

            অনলাইন পত্রিকার ভিডিও কনটেন্ট এবং টিভি চ্যানেলগুলোর অনলাইন চালাতেও অনুমতি লাগবে বলেন ড. হাছান। তিনি বলেন, ‘এগুলো নিয়েও আমরা আলোচনা করেছি। সব একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনা হবে। কারণ যিনি যেটার লাইসেন্স পেয়েছেন সেটার বাইরে যেতে পারবেন না এবং শুধু পত্রিকাগুলো যে অনলাইনে ভিডিও কন্টেন্ট করছে তাই নয়, টেলিভিশনগুলোও আবার অনলাইন চালু করেছে। সেটিরও অনুমতি এখন পর্যন্ত নেই। সুতরাং সবকিছুকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে আনার জন্যেই আমরা প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আপনারা দেখেছেন ইতোমধ্যেই অনেক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ধীরে ধীরে এই ক্ষেত্রে পরিপূর্ণ শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি।’

            ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেল প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ইউটিউব, ফেসবুকসহ সবার সঙ্গে আলোচনা করেছি যে তাদের মাধ্যম ব্যবহার করে যে ব্যবসা হচ্ছে বা বিজ্ঞাপন যাচ্ছে সেগুলোর ওপর শুল্ক ধার্যের বিষয়টা আসবে, আমরা এনবিআরের সাথেও কথা বলেছি। কেউ যদি বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে করে, সেক্ষেত্রে অবশ্যই দেশের আইন মেনেই করতে হবে।’

            অনলাইন গণমাধ্যমের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে একদশকের বেশি সময় ধরে এবং এখানে আগে কোনো শৃঙ্খলা ছিল না। এটি করতে কিছুদিন সময় লাগে। তবে আপনারা দেখেছেন, যেগুলো একযুগে হয়নি, অত্যন্ত স্বল্প সময়ের মধ্যে সেগুলো আমরা করতে সক্ষম হয়েছি। যত দ্রুত সম্ভব আমরা পুরো শৃঙ্খলা আনার জন্য কাজ করছি।’

খতিয়ে দেখা হবে পরিবহন ও জ্বালানি খাতে ধর্মঘটের উদ্দেশ্য

            সাংবাদিকরা পরিবহন ও জ্বালানি খাতে ধর্মঘটের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্সণ করলে তিনি বলেন, ‘ধর্মঘট তো বাংলাদেশে প্রথম হচ্ছে না, উন্নত রাষ্ট্রগুলোতেও ধর্মঘট হয়। তবে নানা অজুহাত-ছলছুতায় ধর্মঘট করার হুমকি বা ধর্মঘটে যাওয়া, এগুলোর পেছনে কোনো ভিন্ন উদ্দেশ্য আছে কিনা সেটি নিশ্চয়ই সরকার খতিয়ে দেখবে।’

#

আকরাম/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০১৯/১৮২০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর : ৪৫৫৪  

স্ক্রল আকারে প্রচারের জন্য

সকল ইলেকট্রনিক মিডিয়া

ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) : 

সকল ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় নিম্নোক্ত বিষয়টি স্ক্রল আকারে প্রচার করার জন্য অনুরোধ করা হলো :

মূল বার্তা :    

চালের বাজার মনিটরিং করতে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। বাজার পরিস্থিতি নিয়ে যে কেউ ০২-৯৫৪০০২৭ এবং ০১৬৪২-৯৬৭৭২৭ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

#

অনসূয়া/পরীক্ষিৎ/আসমা/২০১৯/১৬৩০ ঘণ্টা    

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৪৫৫৩  

দৈনিক ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা

ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের ঋণ চুক্তি স্বাক্ষর

ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) : 

দৈনিক ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের ঋণ চুক্তি গতকাল স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি), জাপান ব্যাংক ফর ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জেবিআইসি) এবং বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি’র মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন।

এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিল্পমন্ত্রী দেশের উদীয়মান শিল্পসমূহের উন্নয়নে জাপানি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, জাপানের উদ্যোক্তাদের জ্ঞান, দক্ষতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ  আগামীতে বাংলাদেশের শিল্প খাতকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, সংসদ সদস্য ড. আনোয়ারুল আশরাফ খান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) মোঃ আবুল কালাম আজাদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত নাওকি ইতো (Naoki Ito)। শিল্প সচিব মোঃ আবদুল হালিম অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্পের প্রসেস লাইসেন্সর হিসেবে ডেনমার্ক, ইতালি, জার্মানি ও জাপানের মত উন্নত দেশ জড়িত থাকায় সর্বোচ্চ মানসম্পন্ন এবং বিশ্বমানের পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি নির্ভর একটি সার কারখানা বাংলাদেশ স্থাপিত হবে।

অনুষ্ঠানে শিল্প প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার সার উৎপাদনে দেশকে স্বনির্ভর করতে কঠোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও সার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে উচ্চ উৎপাদনশীল এই সারকারখানাটি নির্মাণ করা হচ্ছে। কারখানাটির নির্মাণ কাজ শেষ  হলে আগামী দিনে কৃষকদের আরও কম মূল্যে সার সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিসিআইসি চেয়ারম্যান মোঃ হাইয়ুল কাইয়ুম, জেবিআইসি’র ডেপুটি গভর্নর নবুমিতসু হায়াশি এবং এইচএসবিসি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফ্রাঁসোয়া দ্য মেরিকো নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 

১০ হাজার ৪৬০ কোটি ৯১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া সার কারখানাটি নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে সরকার ১ হাজার ৮৪৪ কোটি ১৯ লক্ষ টাকা প্রদান করবে। অবশিষ্ট ৮ হাজার ৬১৬ কোটি ৭২ লাখ টাকা জেবিআইসি, ব্যাংক অব টোকিও-মিতসুবিশি ইউএফজি (এমইউএফজি) ও এইচএসবিসি থেকে চুক্তির আওতায় ঋণ হিসেবে গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যমান ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড ও পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরির প্রতিস্থাপন হিসেবে এই সার কারখানাটি নির্মাণ করা হবে। নতুন সার কারখানাটি পুরাতন দুইটি সার কারখানার সমপরিমাণ গ্যাস ব্যাবহার করে বর্তমানের যৌথ উৎপাদনের তিনগুণেরও বেশি ইউরিয়া সার উৎপাদন করবে।

#

মাসুম/অনসূয়া/পরীক্ষিৎ/আসমা/২০১৯/১৬৩০ ঘণ্টা   

                                                                                        

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৪৫৫২  

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ২২তম বর্ষপূর্তি

সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে চুক্তি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে

                               - পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী

ঢাকা, ১৭ অগ্রহায়ণ (২ ডিসেম্বর) : 

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর কোন তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতা ছাড়াই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে চলমান সংঘাত নিরসনে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি করেন। ফলে পাহাড়ে সূচিত হয় শান্তি, সম্প্রীতি ও নব যুগের সূচনা। 

আজ পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২২ বছরপূর্তি উপলক্ষে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং। 

মন্ত্রী বলেন, কোন অঞ্চলকে পিছিয়ে রেখে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সাধিত হয় না। এ উপলব্ধি থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্য শান্তি চুক্তির উদ্যোগ নেন। সে প্রেক্ষাপটে ১৯৯৮ সালের ১০ ফেব্রয়ারি খাগড়াছড়ি জেলা স্টেডিয়ামে শান্তিবাহিনীর সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে অস্ত্র জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, পার্বত্য শান্তি চুক্তির ৭২টি ধারার মধ্যে ইতোমধ্যে ৬৩টি বাস্তবায়িত হয়েছে। ৯টি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। 

তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তির ফলে পাহাড়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। কৃষক তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে। পর্যট

d471eb56376156c80be4eb5580d96287.docx d471eb56376156c80be4eb5580d96287.docx

Share with :

Facebook Facebook