তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৩০ নভেম্বর ২০১৯

তথ্যবিবরণী 30/11/2019

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর : ৪৫৩০

 

সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে লিঙ্গবৈষম্য কমিয়ে আনতে হবে

                                         -- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৫ অগ্রহায়ণ (৩০ নভেম্বর) :  

 

          স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, আমাদের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী অর্ধেক পুরুষ। নারীরা যদি উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে না পারে তবে আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হবে না। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে লিঙ্গবৈষম্য কমাতে হবে।

 

          আজ রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাব মাঠে নারী-শিশু ও প্রতিবন্ধীদের ওপর নির্যাতন বন্ধ এবং অধিকার রক্ষা সংক্রান্ত প্রচারাভিযানের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 'নারী-পুরুষ সমতা, রুখতে পারে সহিংসতা' স্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন দুই দিনব্যাপী “সিক্সটিন ডেজ অভ্‌ এক্টিভিজম” শীর্ষক এ প্রচারাভিযানের আয়োজন করে।

 

          মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নতির সাথে সাথে মূল্যবোধেরও উন্নতি হচ্ছে। আমাদের মাথাপিছু আয় বাড়ছে। তিনি বলেন, সরকার এখন নারী-শিশু ও প্রতিবন্ধীদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নানামুখী কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। দেশে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ে প্রতিবন্ধীদের নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে।

 

          সভাপতির বক্তব্যে ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সকলের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য একটি নগরী গড়ে তোলার জন্য কাজ করছি। এই প্রচার অভিযানের মাধ্যমে নারী-শিশু ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকার রক্ষায় সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

 

#

 

হাসান/রাহাত/মোশারফ/সেলিম/২০১৯/২২২০ ঘণ্টা 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                        নম্বর :  ৪৫২৯

 

গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে

                                                              -- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৫ অগ্রহায়ণ (৩০ নভেম্বর) :

 

          গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, দেশে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করার জন্য সরকার সকল সুযোগ-সুবিধা প্রদান করছে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করাও বর্তমান সরকারের লক্ষ্য।

 

          আজ রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির ক্যারিয়ার প্লেসমেন্ট সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী ন্যাশনাল ক্যারিয়ার ফেয়ার ২০১৯ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

          গণপূর্ত মন্ত্রী বলেন, "আজকে যারা শিক্ষার্থী, তারাই ভবিষ্যতে নেতৃত্ব দেবে। ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে সঠিক শিক্ষা দিতে না পারলে  দেশ প্রত্যাশা অনুযায়ী এগোবে না। এজন্য জাতীয় বাজেটে শিক্ষা ক্ষেত্রে সর্বাধিক বরাদ্দ প্রদান করা হয়।"

 

          কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার নামে সার্টিফিকেট বিক্রি করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের মানহীন শিক্ষা সরকার প্রত্যাশা করে না। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য সকল সুযোগ-সুবিধা দিতে সরকার প্রস্তুত। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।"

 

          বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “শুধু নিজের জন্য নয় দেশের জন্য ভাবতে হবে। স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার জন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে, যেখানে দারিদ্র্য থাকবে না, বৈষম্য থাকবে না। কোনো মানুষ সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে না। আমাদের প্রয়োজন সততা, আন্তরিকতা এবং একাগ্রতা।”

 

#

 

ইফতেখার/রাহাত/মোশারফ/সেলিম/২০১৯/২২০০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                                নম্বর : ৪৫২৮

 

টেলিটক শক্তিশালী হলে যুগান্তকারী পরিবর্তন সূচিত হবে

                                      ---টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৫ অগ্রহায়ণ (৩০ নভেম্বর) :

 

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, টেলিটকের প্রতি দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। টেলিটক শক্তিশালী হলে মোবাইল ফোন সার্ভিসে যুগান্তকারী পরিবর্তন সূচিত হবে।

 

মন্ত্রী আজ ঢাকার গুলশানে টেলিটক সদর দপ্তরে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ১৫তম বার্ষিক সভা উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের বোর্ড চেয়ারম্যান এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব অশোক কুমার বিশ্বাস অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

 

মন্ত্রী বলেন, তৃতীয় শিল্প বিপ্লব ছিলো কম্পিউটারকেন্দ্রিক একটি বিপ্লব। এটি শিল্প, বাণিজ্য কিংবা প্রশাসন-সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে আন্তঃসংযোগ করছে। টেলিটক-সহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন প্রত্যেকটি কোম্পানিও কোনো না কোনোভাবে সংযোগের সাথে যুক্ত।

 

মন্ত্রী আরো বলেন, ২০১৮ সালে ফাইভ-জির পরীক্ষামূলক কার্যক্রম উদ্বোধনের পর বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বদলে গেছে। পৃথিবীর অন্তত ৬টি দেশ বাংলাদেশে টেলিটক-সহ টেলিযোগাযোগ খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ ব্যক্ত করেছে।

 

#

 

 শফোয়তে/নাইচ/মোশারফ/আব্বাস/২০১৯/১৮৫০ ঘণ্টাতথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ৪৫২৭

 

দুর্যোগ সহনীয় জাতি গঠনে  সরকার কাজ করছে

                                                                                 ----ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ অগ্রহায়ণ (৩০ নভেম্বর) :    

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান বলেছেন, দুর্যোগ সহনীয় জাতি গঠনে সরকার কাজ করছে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।  এর অংশ হিসেবে পুরাতন ভবনগুলো সংস্কার করে ভূমিকম্প সহনীয় করে গড়ে তোলা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় স্পেক্ট্রা কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত দু’দিনব্যাপী ‘জলবায়ু অভিযোজন সম্পর্কিত উপ-আঞ্চলিক কর্মশালা’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মহাদেশগুলোর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। ইন্টারগভর্নমেন্টাল প্যানেল অন ক্লাইমেন্ট চেঞ্জ (আইপিসিসি)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী পৃথিবী উত্তপ্ত হচ্ছে এবং এর ফলে পাহাড়ে জমে থাকা বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে চলেছে প্রতিনিয়ত । ২০৩০ ও ২০৫০ সাল নাগাদ বর্তমান সময়ের তুলনায় বার্ষিক গড় তাপমাত্রা বাড়বে  ১.০ থেকে ১.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত । জলবায়ু পরিবর্তনজনিত চরম আবহাওয়ার কারণে তীব্র বন্যা ও  সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে । এর ফলে উপকূলীয় অঞ্চলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হবে চরমভাবে যেটা জনগণের জন্য দুর্যোগ বয়ে আনবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশে উপকূলীয় অঞ্চলের ১৯টি জেলায় প্রায় ৪ কোটি লোকের বসবাস। এদের ভবিষ্যতের উন্নয়নের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করছে ।

এর আগে প্রতিমন্ত্রী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের মিলনায়তনে  দু’দিনব্যাপী ‘International Seminar on Disaster Management and Community Resilence’ - এর উদ্বোধন করেন ।

 

#

 

 সেলিম/নাইচ/সঞ্জীব/আব্বাস/২০১৯/১৮২০ ঘণ্টা

 

 

 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ৪৫২৬

 

             যুবলীগ নেতাদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে

                                                                                     ---অর্থমন্ত্রী

 

কুমিল্লা, ১৫ অগ্রহায়ণ (৩০ নভেম্বর) :    

 

প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যুবলীগ নেতাকর্মীরা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও দেশ গড়ার কাজে আত্মনিয়োগের পাশাপাশি অপশক্তির অত্যাচারের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে গিয়ে বারংবার রাজপথে রক্ত দিয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছে। যুবলীগ নেতাদের বঙ্গবন্ধুর নীতি ও ত্যাগের আদর্শ নিয়ে নিজেদেরকে গড়ে তুলতে হবে।  

আজ কুমিল্লার লালমাই উপজেলার বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে যুবলীগের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে এখন সবচেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।  গত দুই দশকে পৃথিবীতে কয়েকবার অর্থনৈতিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। কিন্তু তখনও এ দেশের অর্থনীতি বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়নি। এখন পৃথিবীতে তৃতীয় চরম অবস্থা বিরাজ করছে আর সেটি হচ্ছে তথাকথিত বাণিজ্য যুদ্ধ। চলমান এই বাণিজ্য যুদ্ধের প্রভাবে সারা বিশ্বের অর্থনীতিতে নিম্নমুখিতা দেখা দিয়েছে। এতে চীনের প্রবৃদ্ধি ১৪ দশমিক চার শতাংশ থেকে সাত শতাংশে নেমে গেছে, কিন্তু বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। প্রবৃদ্ধি বাড়ছে।  

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ঘিরে আগামী বছর ‘মুজিববর্ষ’ উদ্‌যাপনকালে সারা দেশের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুতের আলো জ্বালানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার।  মন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রতিটি ঘরে আলো জ্বলবে।  বিদ্যুতের আলোয় কাজ হবে। কাজের গতি বাড়বে, সময় বাঁচবে।   

 

#

 

 তৌহিদুল/নাইচ/সঞ্জীব/আব্বাস/২০১৯/১৭৩৬ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৪৫২৫

বিশ্ব এইডস দিবসে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ১৫ অগ্রহায়ণ (৩০ নভেম্বর) :  

          প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস-২০১৯ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

          “বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব এইডস দিবস-২০১৯’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘এইডস নির্মূলে প্রয়োজন, জনগণের অংশগ্রহণ’ (Communities make the difference) তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে। এবারের প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে এইডস প্রতিরোধে সমাজের সর্বস্তরের জনগণ আরও  বেশি সোচ্চার হবে এবং এরই ধারাবাহিকতায় আমাদের এইডস নির্মূলের অঙ্গীকার আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে বলে আমি মনে করি।

          আওয়ামী লীগ সরকার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) এইচআইভি/এইডস বিষয়ক লক্ষ্য অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যে দেশ থেকে এইডস রোগ নির্মূল করার জন্য জাতিসংঘের নিকট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা প্রতিটি  এইচআইভি/এইডস আক্রান্ত ব্যক্তির স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যুগান্তকারী পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করেছি। ফলে সম্পূর্ণ সরকারি ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানে ১০টি সরকারি হাসপাতাল থেকে আক্রান্ত ব্যক্তিদের বিনামূল্যে এইডসের চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হচ্ছে। অদূর ভবিষ্যতে এটি আরো সম্প্রসারিত হবে। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে এইচআইভি সংক্রমণের হার ০.০১% এর নীচে। এ হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে এবং এইডস আক্রান্তদের প্রতি সামাজিক  বৈষম্য রোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি  বেসরকারি উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য সংস্থাসমূহের কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।         

আমি আশা করি, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সক্ষম হব।

আমি ‘বিশ্ব এইডস দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

                                                                                  জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু

                                                                                 বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

ইমরুল/অনসূয়া/মোশারফ/শামীম/২০১৯/১১.৪৯ ঘণ্টা 

 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                নম্বর : ৪৫২৪

বিশ্ব এইডস দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী             

ঢাকা, ১৫ অগ্রহায়ণ (৩০ নভেম্বর) : 

          রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস-২০১৯ উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :      

“বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব এইডস দিবস - ২০১৯’ উদযাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ বছর বিশ্ব এইডস দিবসের প্রতিপাদ্য ‘এইডস নির্মূলে প্রয়োজন; জনগণের অংশগ্রহণ’ (Communities make the difference) অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।

বাংলাদেশে অদ্যাবধি এইচআইভি সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে কম হলেও ভৌগোলিক অবস্থান, অসচেতনতা, ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর অনিয়ন্ত্রিত আচরণ, কুসংস্কার ও ভ্রান্ত ধারণার জন্য এইডস এর ঝুঁকি বিদ্যমান। তাই প্রতিকারের পাশাপাশি এইডস প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টি, কুসংস্কার দূরীকরণ ও মানুষের আচরণ পরিবর্তনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ আবশ্যক। মরণঘাতি এ রোগের কোনো প্রতিষেধক এখনও আবিষ্কার না হলেও বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে। এইডস এর প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং আমৃত্যু এ চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হয়। তাই এইডস রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সহজলভ্য এবং মানসম্পন্ন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান সমন্বিত প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে - এ প্রত্যাশা করি।

সরকার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে ২০১২ সাল থেকে এইডস আক্রান্তদের বিনামূল্যে ঔষধ প্রদান ও এইডস প্রতিরোধে সামাজিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে এইডস নির্মূল করতে হলে সমাজের সর্বস্তরের জনগণের সম্পৃক্ততা খুবই জরুরি। আমি এইডস প্রতিরোধ ও নির্মূলে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, দাতাসংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা এবং গণমাধ্যমসমূহকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।

আমি ‘বিশ্ব এইডস দিবস-২০১৯’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সফলতা কামনা করছি।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

ইমরানুল/অনসূয়া/মোশারফ/শামীম/২০১৯/১১.৫০ ঘণ্টা   

 

41ce1db069b7b4cc49661a019f04ff8f.docx 41ce1db069b7b4cc49661a019f04ff8f.docx

Share with :

Facebook Facebook