তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৮ জানুয়ারি ২০১৭

তথ্যবিবরণী ২৮ জানুয়ারি ২০১৭

তথ্যবিবরণী                                                                   নম্বর :  ২৮৬

জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় সিদ্ধানত্ম
  ৩০ জানুয়ারি থেকে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাস গণনা শুরম্ন

ঢাকা, ১৫ মাঘ (২৮ জানুয়ারি) :

বাংলাদেশের আকাশে আজ ১৪৩৮ হিজরি সনের পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল ২৯ জানুয়ারি পবিত্র রবিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং ৩০ জানুয়ারি সোমবার থেকে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাস গণনা শুরম্ন হবে।

আজ ঢাকায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মুকাররম সভাকড়্গে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধানত্ম গৃহীত হয়। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. হাফিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন ।

সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রেস) মো. মিজান-উল-আলম, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্মসচিব মো. সাইদুর রহমান, ওয়াকফ প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ নজরম্নল ইসলাম, সরকারি মাদ্রাসা-ই-আলিয়ার অধ্যড়্গ প্রফেসর সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ টেলিভিশনের পরিচালক (প্রশাসন) মো. শাখাওয়াত হোসেন, ধর্ম সচিবের একানত্ম সচিব মো. গোলাম মওলা, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. আবদুর রহমান, স্পারসোর সিএসও মো. শাহ আলম ও চকবাজার শাহী জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শেখ নাঈম রেজওয়ান এবং লালবাগ শাহী জামে মসজিদের খতিব আবু রায়হান উপসি'ত ছিলেন।  

সভায় ১৪৩৮ হিজরি সনের পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সকল জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশন-এর  প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়সমূহ, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান হতে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, অদ্য ২৯ রবিউস সানি ১৪৩৮ হিজরি, ১৫ মাঘ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ, ২৮ জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ার সংবাদ পাওয়া যায়নি। এমতাবস'ায়, আগামীকাল ১৬ মাঘ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ, ২৯ জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ  রোববার পবিত্র রবিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী ১৭ মাঘ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ, ৩০ জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ সোমবার থেকে পবিত্র জমাদিউল আউয়াল মাস গণনা করা হবে।

#

শায়লা/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৯৩০ ঘণ্টা


তথ্যবিবরণী                                                                     নম্বর : ২৮৫

সাবেক প্রতিমন্ত্রী মো. নূরম্নল হুদার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত

ঢাকা, ১৫ মাঘ (২৮ জানুয়ারি) :

২য় জাতীয় সংসদে স্বতন্ত্র এবং ৫ম, ষষ্ঠ এবং ৮ম জাতীয় সংসদে ২৬১ চাঁদপুর-২ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক  প্রতিমন্ত্রী মো. নূরম্নল হুদার  নামাজে জানাজা আজ জাতীয় সংসদের দড়্গিণ পস্ন্লাজায় অনুষ্ঠিত হয়। তিনি  ২৫ জানুয়ারি, ২০১৭ তারিখ বুধবার নিউইয়র্কের কর্নেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস'ায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিলস্নাহে.............রাজিউন)।  মুত্যুকালে তিনি  ২ পুত্রসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

জাতীয় সংসদের হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন, সংসদের বিরোধী দলীপ হুইপ মো. নূরম্নল ইসলাম, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, নেতাকর্মী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ ও অসংখ্য গুণগ্রাহী জানাজায় শরীক হন।

জানাজা শেষে চিফ হুইপের পড়্গে হুইপ মো. শাহাব উদ্দিন, সংসদের বিরোধী দলীয়  নেতার পড়্গ থেকে  বিরোধী দলীপ হুইপ মো. নূরম্নল ইসলাম এবং বিএনপির চেয়ারপার্সনের পড়্গ থেকে মরহুমের কফিনে পুষ্পসত্মবক অর্পণ করা হয়।

এর আগে মরহুমের রাজনৈতিক সহকর্মীবৃন্দ ও পরিবারের পড়্গ থেকে তার জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন এবং তার মৃত্যুতে শোক সনত্মপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয় । পরে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

#

হুদা/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৮০০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৮৪

মানবাধিকার রক্ষায় সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে
                    ---আইনমন্ত্রী
¬¬¬
ঢাকা, ১৫ মাঘ (২৮ জানুয়ারি):

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, বর্তমান সরকার দেশের সকল নাগরিকের মানবাধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ এবং অঙ্গীকারবদ্ধ। তাই জনগণের মানবাধিকার ও মর্যাদা রক্ষায় সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

    মন্ত্রী আজ ঢাকায় সোনারগাঁও হোটেলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, বাংলাদেশ আয়োজিত এক সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

    মন্ত্রী বলেন, সরকার মানবাধিকার রক্ষায় শক্তিশালী আইন প্রণয়নের পাশাপাশি মানবাধিকার বিষয়ক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে এবং দেশের এনজিও ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে মানবাধিকারের বিষয়ে কাজ করতে উৎসাহিত করছে। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার গঠনের পরপরই স্বাধীন জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করেন। তাঁর সরকারের আন্তরিকতায় ও সহযোগিতায় বর্তমানে এ কমিশনের সক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ কমিশন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ও স্বাধীনভাবে মানবাধিকার সুরক্ষায় ও উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী দেশের সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী হলেও দরিদ্র জনগোষ্ঠী আর্থিক অসছলতা ও অন্যান্য কারণে তাদের এ অধিকার থেকে বঞ্চিত হতেন। তাদের এ অধিকার প্রতিষ্ঠায় জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার আইনগত সহায়তা প্রদান আইন প্রণয়ন করেছে এবং এই আইনের অধীন জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা গঠন করেছে। বর্তমানে এই সংস্থা বিনা খরচে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের আইনি সহায়তা প্রদান করে তাদের আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকার প্রতিষ্ঠা করছে।

    জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভারতীয় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি ডি এল দত্ত, বিশিষ্ট আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমির-উল ইসলাম, ইউএনডিপির কান্ট্রি ডিরেক্টর সুদীপ্ত মুখার্জী, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি আমিরুল কবির চৌধুরী এবং সার্বক্ষণিক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।

#
রেজাউল/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৭/১৮৪৮ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                     নম্বর : ২৮৩

সরকার শিক্ষা খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে
                       -- খাদ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ১৫ মাঘ (২৮ জানুয়ারি) :

খাদ্যমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাবান্ধব সরকার।  বাংলাদেশ শিক্ষাসহ প্রতিটি সেক্টরে অগ্রগতি অর্জন করেছে। নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করেই বাংলাদেশ এসব অগ্রগতি অর্জন করেছে।  শিক্ষাখাত তার মধ্যে অন্যতম।   

মন্ত্রী আজ ঢাকায় বকশীবাজারে কে এল জুবলী (কিশোরী লাল জুবলী) স্কুল এন্ড কলেজের সার্ধশত বার্ষিকী (১৫০ বছর) উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের উদ্দেশ্য শিক্ষার হার ১০০ ভাগে উন্নীত করা। আর এ উদ্দেশে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।  অতীতে কোন সরকারই শিক্ষা ক্ষেত্রে এরূপ দৃষ্টি দেয়নি। এখন বছরের প্রথম দিনেই ছাত্রছাত্রীদের হাতে বই তুলে দেয়া হয়।  অতীতে যা কখনই করা হয় নাই।  তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের সময়ে ডিগ্রি পর্যন্ত মেয়েদের বিনা খরচে পড়ালেখার সুযোগ দেয়া হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান যুগ প্রতিযোগিতার যুগ।  তাই ভালভাবে পড়ালেখা না করলে, ভাল রেজাল্ট না করলে, ভাল সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

#

সুমন/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৭৩০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৮২

অনুসন্ধান কমিটির সভা অনুষ্ঠিত


ঢাকা, ১৫ মাঘ (২৮ জানুয়ারি):

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের নিমিত্তে রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ প্রদানের জন্য গঠিত অনুসন্ধান কমিটির সভা আজ বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ভবনের জাজেজ লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত হয় যে, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সংলাপে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলসমূহের প্রত্যেককে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার মনোনয়নের জন্য সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্তসহ অনধিক ৫টি নাম আগামী ৩১ জানুয়ারি মঙ্গলবার সকাল ১১.০০ ঘটিকার মধ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও বিধি)-এর নিকট প্রেরণের জন্য সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলসমূহকে অনুরোধ জানাতে হবে।
 
    সভায় আরো সিদ্ধান্ত হয় যে, বাংলাদেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ হাইকোর্ট বিভাগের সাবেক বিচারক আবদুর রশিদ,  বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায়) অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের এমিরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এস এম এ ফায়েজ, বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট সুলতানা কামাল, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার ড. এ টি এম শামসুল হুদা, সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহ্মেদ, সুজন সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজজুল হক এবং সাবেক মহাপুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ নুরুল হুদা এর সাথে আগামী ৩০ জানুয়ারি সোমবার বিকেল ৪টায় সুপ্রীম কোর্ট ভবনের জাজেজ লাউঞ্জে অনুসন্ধান কমিটি মতবিনিময় করবে।

    অনুসন্ধান কমিটির পরবর্তী সভা আগামী ৩১ জানুয়ারি মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় সুপ্রীম কোর্ট ভবনের জাজেজ লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হবে।

#
নাজমুল/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৭/১৮৩০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                     নম্বর : ২৮১

নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন একটি মহৎ প্রচেষ্টা
                         -- স্পিকার

ঢাকা, ১৫ মাঘ (২৮ জানুয়ারি) :

জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন ব্যক্তিগত তাগাদা থেকে উৎসারিত জাতীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিকভাবে সকল মানুষের কল্যাণে দায়িত্ব পালন করা একটি মহৎ প্রচেষ্টা।    
 
তিনি আজ ঢাকার গুলিস্তানে ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চ মিলনায়তনে  নিরাপদ সড়ক চাই উদযাপন কমিটির ৭ম মহাসমাবেশে  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।   

স্পিকার বলেন, নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন শুধু প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করে না তারা গাড়ি চালকদের  প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণহীন কোন কিছুই কোন ক্ষেত্রে সফলতা আনতে পারে না। তাই তিনি নিরাপদ সড়ক রক্ষায় সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি কার্যকর আইন প্রণয়নের পদক্ষেপ  গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

তিনি দলমত নির্বিশেষে নিরাপদ সড়ক রক্ষার দাবিকে সার্বজনীন দাবি উল্লেখ করে স্পিকার বলেন, দেশের সর্বস্তরের জনগণের পাশাপাশি সংসদ সদস্যদেরকে একাজে সম্পৃক্ত করতে হবে এবং তাদের মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকার জনগণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করে একটি নিরাপদ ও  উন্নত দেশ বিনির্মাণে আমাদের সকলকে একসাথে কাজ করে যেতে হবে।

স্পিকার বলেন, একটি সড়ক দুর্ঘটনা একটি পরিবারের সারাজীবনের কান্না। তাছাড়া সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশি। তাই আমরা যেন দ্রুত যেতে যেয়ে দুর্ঘটনা না ঘটাই। একজন ড্রাইভারও সার্বক্ষণিক এ ঝুঁকির মধ্যে থাকেন। তাই এ ঝুঁকি থেকে রক্ষায় ড্রাইভারকে গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ব্যবহারে সতর্ক হওয়ার পাশাপাশি যাত্রীদের নিরাপত্তায় ড্রাইভারদেরকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি সকলের মধ্যে সচেনতা বাড়াতে  সমাজের সকল স্তরের  জনগণকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান।

#

হুদা/সেলিম/মোশারফ/সেলিমুজ্জামান/২০১৭/১৭২০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ২৮০

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী

ঢাকা, ১৫ মাঘ (২৮ জানুয়ারি):
    প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ উদ্যাপন উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন:
    “সবার জন্য মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ উদ্যাপন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত।
    এবারের শিক্ষা সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘শিক্ষার আলো জ্বালাবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ব’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
    আওয়ামী লীগ সরকার দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ, নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন, সুশিক্ষিত আগামী প্রজন্ম গড়ে তুলতে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। শিক্ষায় লিঙ্গ সমতা আনার স্বীকৃতিস্বরূপ আমরা ইউনেস্কো ‘শান্তিবৃক্ষ’ পুরস্কারে ভূষিত হয়েছি। সরকার সবার জন্য শিক্ষা (ইএফএ) বাস্তবায়ন করেছে।
    এ বছর ১ জানুয়ারি প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে প্রায় ৩৬ কোটি ২১  লাখ ৮২ হাজার ২৪৫টি রঙিন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হয়েছে। একই দিনে প্রথমবারের মত চাকমা, মারমা, সাদ্রী, গারো ও ত্রিপুরা এই পাঁচটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ২৪ হাজার ৬৬১ জন শিশুর মাঝে তাদের মাতৃভাষার এবং দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের মাঝে ব্রেইল পদ্ধতির বই বিতরণ করা হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা উপবৃত্তি প্রকল্প (৩য় পর্যায়) থেকে ১ কোটি ১৭ লাখ শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি দেয়া হয়েছে। বিদ্যালয় বহির্ভূত, অনগ্রসর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও ঝরেপড়া শিশুদের শিক্ষার জন্য সেকেন্ড চান্স এডুকেশন ও আনন্দ স্কুল চালু রয়েছে। অভিভাবক ও স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের বিভিন্ন বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল চালু করা হয়েছে। আমাদের এ সকল পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে সাক্ষরতার হার ৭১ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ ভর্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় প্রায় শতভাগ উত্তীর্ণ হচ্ছে। বিদ্যালয়ের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ এবং ছেলে ও মেয়ে শিক্ষার্থীদের পৃথক ওয়াশ ব্লক নির্মাণ অব্যাহত রয়েছে।
    প্রাথমিক শিক্ষাকে শিশুদের কাছে আকর্ষণীয় করার লক্ষ্যে পাঠ্যপুস্তকের ইন্টার-অ্যাকটিভ মাল্টিমিডিয়া ডিজিটাল শিক্ষা কন্টেন্ট তৈরি করা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ল্যাপটপ ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর সরবরাহের মাধ্যমে ৫ হাজার ৪’শ মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একটি করে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনের কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
    আমি আশা করি, সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় শিক্ষাখাতে এ উন্নয়নের মাধ্যমে আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দারিদ্র্যমুক্ত ও নিরক্ষরতামুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ বিনির্মাণ করতে সক্ষম হব।
    আমি ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭’ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

#

ইসলাম/সেলিম/মোশারফ/রেজাউল/২০১৭/১৭৫০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ২৭৯

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

ঢাকা, ১৫ মাঘ (২৮ জানুয়ারি):

    রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭ উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
    ‘‘প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭’ উদযাপিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত । এ উপলক্ষে আমি দেশের সকল শিশুকে জানাই আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা ।
    শিক্ষা নাগরিকের অন্যতম মৌলিক অধিকার। একটি জাতির উন্নয়নে শিক্ষার বিকল্প নেই। এ উপলব্ধি থেকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে দক্ষ ও সুশিক্ষিত মানবসম্পদ গড়ার লক্ষ্যে প্রাথমিক শিক্ষা বিস্তারে উদ্যোগ নেন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শিক্ষকদের চাকুরি জাতীয়করণসহ ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের অর্জিত সাফল্য সর্বমহলে সমাদৃত হয়েছে। শিক্ষানীতি-২০১০ এর আলোকে দেশের সকল স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থাপনাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে।
    প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গমনোপযোগী শিশুদের ভর্তির হার বৃদ্ধি, ঝরেপড়া রোধ, শিক্ষাচক্রে সমাপনের হার বৃদ্ধিসহ মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা অর্জনে সরকার নানামুখী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণি পাঠদানের কার্যক্রমে মাল্টিমিডিয়ার ব্যবহারসহ শেখ রাসেল ডিজিটাল লার্নিং সহায়ক কন্টেন্ট তৈরির মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। তাই শিক্ষা সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ‘শিক্ষার আলো জ্বালবো, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ব’ অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি।
    প্রাথমিক শিক্ষা সামগ্রিক শিক্ষার ভিত্তি। তাই শিশুরা যাতে জীবনের শুরুতে সুন্দর পরিবেশে মানসম্মত শিক্ষা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। দেশের সুষম ও টেকসই উন্নয়নে সুশিক্ষিত ও কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন কর্মমুখী দক্ষ জনশক্তির একান্ত প্রয়োজন। জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে মানসম্মত ও জীবনমুখী শিক্ষার আলোকধারায় দেশের মানুষকে আলোকিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় মানসম্মত ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের উপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
    জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর আজীবনের স্বপ্ন ছিল স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি একটি সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার। সুশিক্ষিত ও বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনের মাধ্যমে জাতির পিতার সেই স্বপ্ন পূরণ সম্ভব হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
    আমি ‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ-২০১৭’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করি।
    খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’

#
আজাদ/সেলিম/মোশারফ/আব্বাস/২০১৭/১৭৪৮ ঘণ্টা

 

Todays handout (4).docx Todays handout (4).docx

Share with :

Facebook Facebook