তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ ডিসেম্বর ২০১৯

তথ্যবিবরণী 4/12/2019

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৫৯৯
 
খেলাপি ঋণ আদায়ে তৎপর হতে হবে
                    --- পরিকল্পনা মন্ত্রী
 
ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান খেলাপি ঋণ আদায়ে সংশ্লিষ্টদের আরো তৎপর হওয়ায় আহ্বান জানিয়েছেন।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (বিডিবিএল) ভবনে আয়োজিত বিডিবিএল অফিসার্স এসেসিয়েশনের অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।
এম এ মান্নান বলেন, সার্বিকভাবে দেশের অর্থনীতি খুবই ভালো অবস্থানে রয়েছে। জীবনমান উন্নত হচ্ছে, অবকাঠামো বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রতিটি দৃশ্যমান উন্নতি পরিলক্ষিত হচ্ছে। সার্বিক ব্যাংক খ্যাত সম্পর্কে বাজারে ধারণা ইতিবাচক নয় মন্তব্য করে মন্ত্রী এই সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ চান। তিনি বলেন, সরকারের জন্য নয়, দেশের মানুষের মঙ্গলের জন্য এ সমস্যার সমাধান করতে হবে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মেজবাহউদ্দিন, ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী আলমগীর ও বিডিবিএল অফিসার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি মোঃ মমিনুল হাসান-সহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
#
শাহেদ/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০১৯/২০৩০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৫৯৮

 

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ক্ষণগণনা কর্মসূচি নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে মতবিনিময়

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :

          জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনের কাউন্টডাউন কর্মসূচির ব্যাপক প্রচারের লক্ষ্যে আজ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ মুরাদ হাসান।

          প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, আগামী ১০ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপনের কাউন্টডাউন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। কাউন্টডাউন কর্মসূচি সফল করতে মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারণা চালানো ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

          মতবিনিময় সভায় বক্তারা জানান, জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ক্ষণগণনার দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী ৬৬ দিন জন্মশতবার্ষিকীর লোগো এবং ক্ষণগণনার ঘড়ি প্রদর্শন করবে। জন্মশতবার্ষিকীর আয়োজন সার্বজনীন করার লক্ষ্যে প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়া নিজস্ব পরিকল্পনা গ্রহণ করবে এবং তথ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি এ বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা করবে।

          জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা পরিচালনা করেন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোঃ সোহরাব হোসাইন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ মাহফুজুর রহমান, তথ্যসচিব আবদুল মালেক, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়েজ আহম্মদ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ইকবাল সোবহান চৌধুরী-সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সিনিয়র সাংবাদিক এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

#

নাসরিন/ফারহানা/রফিকুল/জয়নুল/২০১৯/২০২০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৪৫৯৭

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর সাথে জাইকা প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :

         দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমানের সাথে আজ সচিবালয়ে তাঁর মন্ত্র্রনালয়ের অফিসকক্ষে  বাংলাদেশে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)’র চিফ রিপ্রেজেনটেটিভ হিতোশি হিরাতা (Hitoshi Hirata)’র নেতৃত্বে ৫ সদস্যের এক প্রতিনিধিদল  সাক্ষাৎ করে। এ সময় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ শাহ্‌ কামাল ও অতিরিক্ত সচিব মোঃ আকরাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। 

         প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় সরকারের পূর্ব-প্রস্তুতি থাকায় জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে । ২১ লক্ষাধিক লোককে সাইক্লোন শেল্টারে নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। এসব আশ্রয়কেন্দ্রে দুর্যোগকালীন থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে জাপানের মতো ভূমিকম্প সহনীয় রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় সরকার। এজন্য পুরাতন ভবনগুলো সংস্কার করে ভূমিকম্প সহনীয় করে গড়ে তোলা, ভূমিকম্প সহনীয় নতুন ভবন নির্মাণ এবং বাংলাদেশের স্থপতি ও প্রকৌশলীদের এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদানে এগিয়ে আসতে প্রতিমন্ত্রী জাইকা'র প্রতি আহ্বান জানান।      

         

প্রতিনিধিদলের নেতা  হিতোশী হিরাতা বাংলাদেশের  প্রশংসা করে বলেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এখন বিশ্বে রোল মডেল। ফণি ও বুলবুলের মতো ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশ  সাফল্যের সাথে মোকাবিলা করে সারা বিশ্বে সুনাম অর্জন করেছে। বাংলাদেশকে ভূমিকম্প সহনীয় রাষ্ট্রে পরিণত করতে জাইকা আর্থিক ও কারিগরি-সহ সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদান করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন ।

#

সেলিম/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিমুজ্জামান/২০১৯/২০২০ ঘণ্টা 

      

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৫৯৬

 

দুর্যোগ সহনীয় জাতি গঠনে কাজ করছে সরকার

                                     --- ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :

          দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান বলেছেন, দুর্যোগ সহনীয় জাতি গঠনে কাজ করছে সরকার। তিনি বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ অত্যন্ত দুর্যোগ ঝুঁকিপূর্ণ একটি দেশ। বন্যা, সাইক্লোন, ঘূর্ণিঝড় ছাড়াও অগ্নিকা- ও ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছি। মাঝারি থেকে বড় মাত্রার ভূমিকম্প হলে দেশে যে ধ্বংসযজ্ঞ হবে তা কাটিয়ে উঠা কঠিন হবে। তাই, ভূমিকম্প সহনীয় অবকাঠামো নির্মাণের বিকল্প নেই।

          প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় রায়েরবাজার বৈশাখী মাঠ প্রাঙ্গণে ‘অগ্নিকা- ও ভূমিকম্প বিষয়ক সচেতনতামূলক মহড়া’ শেষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, অগ্নিকা- ও ভূমিকম্প বিষয়ক সচেতনতামূলক মহড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্যোগে জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি আরো বলেন, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে এ ধরনের মহড়া করা হয়েছে। ফলে মহড়ার ১ সপ্তাহ পরে ঐ হাসপাতালে অগ্নিকা-ের মতো ঘটনা ঘটলেও সচেতনতা সৃষ্টি হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে। একইভাবে ঢাকার টিকাটুলিতে রাজধানী সুপার মার্কেটে মহড়া করার ১ মাস পরে ঐ মার্কেটে অগ্নিকা-ে কেউ মারা যায়নি এবং ক্ষয়ক্ষতি কম হয়েছে। তাই এ ধরনের মহড়া ভবিষ্যতের অগ্নিকা- কিংবা ভূমিকম্পের মতো দুর্যোগে ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

          সেভ দ্যা চিলড্রেনের পরিচালক রিফাত বিন সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মানবিক সাহায্য সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মনোয়ার রেজা খান এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ শাহ কামাল।

#

সেলিম/ফারহানা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৯/১৯৫৫ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৪৫৯৫

 

যৌক্তিক দাবির বিষয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রয়োজন নেই

                                                                                                   -- শিক্ষামন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :

 

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, সরকার শিক্ষাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। শিক্ষাখাতে বিনিয়োগ করতে   আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। কিন্তু পদ পদবির লোভে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা এবং শিক্ষা কার্যক্রমকে ব্যাহত করা খুবই দুঃখজনক। যৌক্তিক কোনো দাবির জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলন করতে হবে না।

 

মন্ত্রী আজ রাজধানীর লক্ষ্মীবাজারের কবি নজরুল সরকারি কলেজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ ই মার্চের ভাষণের ওপর ভাস্কর জাহানারা পারভীন নির্মিত ৫৫টি গ্রানাইট পাথরের রিলিফ শিল্প কর্মের মাধ্যমে ‘মুক্তির সোপান’ শীর্ষক শিল্প কর্মের উদ্বোধনের সময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত ৭টি কলেজের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান বিষয়ে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে ৭ কলেজের অধ্যক্ষদের সাথে মিটিং হয়েছে। এ সাত কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়নে যা প্রয়োজন সরকার তাই করবে। 

 

কবি নজরুল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকারের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব  মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমেদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড.  সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক প্রমুখ।

 

#

 

খায়ের/ফারহানা/রফিকুল/সেলিম/২০১৯/২০৩০ ঘণ্টা 

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর : ৪৫৯৪

 

নদী বা পরিবেশের ক্ষতি করে উন্নয়ন নয়

                          -- পরিকল্পনা মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :

 

নদী-নালা, খাল-বিল বা পরিবেশের ক্ষতি করে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা যাবে না বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান ।

 

মন্ত্রী আজ ঢাকায় খামারবাড়ির কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অডিটোরিয়ামে “নদী উন্নয়নে পরিকল্পনা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার দায়-দায়িত্ব” বিষয়ক এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন ।

 

মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের সময় এর পুরো পরিবেশ বিশেষ করে নদী-নালা, খাল-বিল, জলাশয় ইত্যাদির ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব না পড়ার নিশ্চয়তা নেওয়া হয়। নদী আঘাত পেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে মানুষের জীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেজন্য নদীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে। নদী ও পরিবেশকে হত্যা করে উন্নয়ন প্রকল্প করা যাবে না।

 

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য দেন জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সদস্য মনিরুজ্জামান, প্রাবন্ধিক সৈয়দ আবুল মকসুদ এবং নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি মোঃ আনোয়ার সাদত। 

 

#

 

শাহেদ/মাহমুদ/রফিকুল/সেলিম/২০১৯/১৯৩০ ঘণ্টা 

তথ্যবিবরণী                                                                                              নম্বর : ৪৫৯৩
 
সারের দাম আবারো কমলো 
 
ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :
ডিএপি (ডাই এমোনিয়াম ফসফেট) সারের দাম ৯ টাকা কমানো হলো। এর বর্তমান মূল্য প্রতি কেজি ২৫ টাকার পরিবর্তে ১৬ টাকা। ডিলার পর্যায়ে এর দাম প্রতি কেজি ২৩ টাকার পরিবর্তে ১৪ টাকা। এর ফলে ডিএপি সারে সরকারের প্রণোদনা বাবদ বছরে ৮শ’ কোটি টাকা ব্যয় হবে, তবে এ টাকা কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে প্রণোদনা বাবদ বরাদ্দকৃত ৯ হাজার কোটি টাকা থেকে পূরণ করা হবে।  
আজ কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।  
মন্ত্রী বলেন, কৃষকের উৎপাদন খরচ হ্রাস, সুষম সার ব্যবহারে কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধ করা, কৃষিক্ষেত্রে গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি-সহ পরিবেশবান্ধব টেকসই খাদ্য নিরাপত্তার স্বার্থে সরকার সারের মূল্য পুনরায় হ্রাসের সিদ্ধন্ত গ্রহণ করেছে। সরকার এ নিয়ে পাঁচ দফায় সারের মূল্য কমালো। ৮০ টাকার টিএসপি সার ২২ টাকা, ৭০ টাকার এমওপি ১৫ টাকা ও ৯০ টাকার ডিএপি ১৬ টাকায় দেওয়া হচ্ছে। ডিএপি সারে ১৮ শতাংশ নাইট্রোজেন (অ্যামোনিয়া ফর্মে) এরং টিএসপি সারের সমপরিমাণের ফসফেট (অথাৎ ৪৬ শতাংশ চ২০৫) রয়েছে। ফলে এই সার প্রয়োগে ইউরিয়া ও টিএসপি উভয় সারের সুফল পাওয়া যাবে এবং ইউরিয়া ও টিএসপি সারের ব্যবহার হ্রাস পেয়ে অর্থ ও শ্রম উভয়ের সাশ্রয় হবে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ডিএপি সারের মূল্য হ্রাসের ফলে কৃষকের উৎপাদন খরচ উল্লেখযোগ্য হ্রাস পাবে।
আব্দুর রাজ্জাক আরো বলেন, ডিএপি সার ব্যবহারে ফসলের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে, ফসল পুষ্ট হয় ও কীটনাশকের ব্যবহার হ্রাস পায়। এর ফলে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে ক্ষতিকর কীটনাশকের আমদানি কমে যাবে। সেই হিসেবে ডিএপি সার মানসম্পন্ন ফসল উৎপাদনে কার্যকর এবং পরিবেশবান্ধব।
#
গিয়াস/মাহমুদ/রফিকুল/জয়নুল/২০১৯/২১২০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                            নম্বর : ৪৫৯২

 

প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর সাথে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

 

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :

 

বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত Jean- Marin Schuh আজ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মোঃ আশরাফ আলী খান খসরুর সাথে সচিবালয়ে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় দু’দেশের মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, ডেইরি এবং সমুদ্রসম্পদ খাতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়।

 

সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে সমুদ্রবিজয় করেছে তার যথাযথ ব্যবহারের জন্য সমুদ্রসম্পদের বিশেষ করে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ফ্রান্স একসাথে কাজ করতে পারে।  ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত বলেন, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, ডেইরিখাত উন্নয়ন এবং সমুদ্রসম্পদ আহরণে দু’দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার খাত নির্ধারণে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

 

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ রইছউল আলম মন্ডল, অতিরিক্ত সচিব (প্রাণিসম্পদ) কাজী ওয়াছি উদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, ফ্রান্স দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সিলর পিয়েরে হেনরি লেফান্ত (Pierre-Henry Lenfant)  এবং সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও সংস্থার প্রধান ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

 

#

 

কামরুল/মাহমুদ/রফিকুল/সেলিম/২০১৯/১৮৪০ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                  নম্বর : ৪৫৯১

 

শিশুর জীবনের প্রথম এক হাজার দিন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

                          -- মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

 

হ্যানয় (ভিয়েতনাম), ৪ ডিসেম্বর : 

 

মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা বলেছেন, শিশুর জীবনের প্রথম এক হাজার দিন বা তিন বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যা শিশুর জীবনের স্বর্ণ সময়। এই সময়ে শিশুর আশি ভাগ বুদ্ধির বিকাশ হয়।  শিশুর প্রারম্ভিক  জীবনের জন্য এক টাকা বিনিয়োগ করলে সেটা পরিণত বয়সে  তেরোগুণ রিটার্ন প্রদান করে। বাংলাদেশ সরকার তাই শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশের জন্য ২০১৩ সালে শিশুর প্রারম্ভিক যত্ন ও বিকাশে সমন্বিত নীতি প্রণয়ন করেছে এবং বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ ২০৩০ সালে এসডিজির ৪.২ লক্ষ্যমাত্রা শিশুর শিক্ষা ও প্রারম্ভিক বিকাশ অর্জনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। 

 

প্রতিমন্ত্রী আজ ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ের হোটেল মেলিয়াতে ৪ থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল আরলি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট কনফারেন্স ২০১৯ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের সভায় এসব কথা বলেন। আজ একই হোটেলে ভিয়েতনামের উপ-প্রধানমন্ত্রী ভু ডুক ড্যাম এশিয়া প্যাসিফিক রিজিওনাল নেটওয়ার্ক ফর আরলি চাইল্ডহুড (আরনেক) ও ভিয়েতনামের মিনিস্ট্রি অভ্‌ লেবার, ইনভ্যালিডস এন্ড সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার (মলিসা) এর যৌথ আয়োজনে তিন দিনব্যাপী এ কনফারেন্সের উদ্বোধন করেন। এবারে কনফারেন্সের প্রতিপাদ্য  Ôসম্মিলিত কাজের মাধ্যমে শিশুর বিকাশ ও পরিবেশ উন্নয়ন।’

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন,  বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ ১৯৮৯  এর স্বাক্ষরকারী প্রথম ২২টি দেশের মধ্যে একটি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিশুর অধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের ১৫ বছর পূর্বে শিশু আইন ১৯৭৪ প্রণয়ন করেন। বাংলাদেশের ১৫টি মন্ত্রণালয় শিশুকেন্দ্রিক বাজেট বাস্তবায়ন করছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ সরকার মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে যা গর্ভাবস্থা মা ও শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করবে  ও শিশুর জীবনের প্রথম এক হাজার দিনের পরিপূর্ণ  বিকাশে সাহায্য করবে। 

 

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন,  শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশের সাথে সমন্বয় করে বাংলাদেশ সরকার শিশুর বয়স ৪ বছর থেকে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু, প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে মিড-ডে মিল ও মাসিক বৃত্তি প্রদান করছে। মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত প্রায়  এগারো লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে তাদের অধিকাংশ নারী ও শিশু যারা তাদের নিজ দেশে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ও মানবেতর অবস্থায় শরণার্থী ক্যাম্পে অবস্থান করছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী  বলেন, এসব শিশুদের নিরাপদ জীবন ও তাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে কনফারেন্সে উপস্থিত এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

 

প্রতিমন্ত্রী শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ ও তাদের জন্য নিরাপদ গৃহ, পরিবেশ ও পৃথিবী গড়ার বিষয়ে প্রত্যয় ব্যক্ত করে এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বলেন, আজকের শিশুরা আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। শিশুদের সুন্দর জীবনের শুরু ও বিকাশের জন্য সরকার, বেসরকারি সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও সুশীল সমাজ সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে।

#

 

আলমগীর/মাহমুদ/সঞ্জীব/সেলিম/২০১৯/১৯২০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ৪৫৯০                                                                                         

গাড়ি তৈরিতে প্রগতিকে সহায়তা দেবে জাপানের মিতসুবিশি

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :

          বাংলাদেশের নিজস্ব ব্র্যান্ডের গাড়ি তৈরিতে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডকে সহায়তা দেবে জাপানের খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠান মিতসুবিশি মোটর কর্পোরেশন। এর পাশাপাশি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে যৌথভাবে মিতসুবিশি ব্র্যান্ডের বাস, ট্রাক, পিকআপ ও মোটরকার উৎপাদনে প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগ করতে আগ্রহী।

          আজ শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সাথে মিতসুবিশি মোটর কর্পোরেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট তাতসু সাতো (Tatsuo Sato) এর নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল বৈঠককালে এ সহায়তার প্রস্তাব দেন। ঢাকায় শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

          বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বেগম পরাগ, বাংলাদেশ স্টিল অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান শেখ মোঃ মিজানুর রহমান, প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ তৌহিদুজ্জামান, এবং মিতসুবিশি প্রতিনিধিদলের সদস্য শাফি তানভির (Shafi Tanveer) ও ইয়াসুহিকো ইউয়েদা (Yasuhiko Ueda) উপস্থিত ছিলেন।

          বৈঠকে বাংলাদেশের অটোমোবাইল খাতে মিতসুবিশি কর্পোরেশনের বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের জন্য একটি সমন্বিত অটোমোবাইল নীতি প্রণয়নের ইস্যুটি আলোচনায় বিশেষভাবে স্থান পায়।

          শিল্পমন্ত্রী বলেন, সরকার অটোমোবাইল শিল্পের বিকাশে সম্ভব সব ধরনের নীতি সহায়তা দিচ্ছে। এ শিল্পখাতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে ইতোমধ্যে খসড়া অটোমোবাইল শিল্পনীতি প্রণয়ন করা হয়েছে। এ নীতিকে উদ্যোক্তা ও বিনিয়োগবান্ধব করতে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেয়া হচ্ছে। মিতসুবিশি কর্পোরেশনও এ বিষয়ে তাদের মতামত দিতে পারে। তিনি খসড়া নীতির ওপর লিখিতভাবে মতামত প্রদানের জন্য প্রতিনিধিদলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

          মিতসুবিশি প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বলেন, বাংলাদেশে অটোমোবাইল শিল্পের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। এ শিল্প বিকাশের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ ইন্ডাস্ট্রি সম্প্রসারণ ও আমদানিবিকল্প গাড়ি উৎপাদন সম্ভব। তারা এখাতে মিতসুবিশি-সহ বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে একটি সমন্বিত ও বিনিয়োগবান্ধব অটোমোবাইল শিল্পনীতি প্রণয়নের তাগিদ দেন। প্রতিনিধিদলের সদস্যরা প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজের সাথে মিতসুবিশির দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে মিতসুবিশি প্রগতির সাথে যৌথভাবে পাজেরো স্পোর্টস্ সিআর-৪৫ এবং এল-২০০ মাইক্রোবাস সংযোজন করছে। ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারে মিতসুবিশি প্রগতির সাথে যৌথ অংশীদারিত্বে নতুন নতুন মোটরযান উৎপাদনে আগ্রহী বলে তারা উল্লেখ করেন। 

#

জলিল/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৯/১৮৫০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                           নম্বর : ৪৫৮৯

রাজিয়া রহমানের মৃত্যুতে পরিকল্পনা মন্ত্রীর  শোক

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) : 

          এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার রাশেদ মাকসুদের মাতা ও অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড কমিশনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত মাকসুদুর রহমানের স্ত্রী রাজিয়া রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান।

          মন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

#

শাহেদুর/মাহমুদ/সঞ্জীব/রেজাউল/২০১৯/১৮০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর : ৪৫৮৮                                                                                              

‘বিএনপির আন্দোলন কি আদালতের বিরুদ্ধে?’ প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রীর

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :

          ‘বিএনপির আন্দোলন কি আদালতের বিরুদ্ধে’ প্রশ্ন রেখেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

          আজ সকালে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আগামী ২০-২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে মঞ্চনির্মাণ ও আয়োজন পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ প্রশ্ন রাখেন। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, অসীম কুমার উকিল এমপি, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

          ‘বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর খালেদার জামিন না হলে বিএনপির লাগাতার আন্দোলনের ডাক’- এ প্রসঙ্গে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘৫ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার জামিন না হলে আন্দোলনটা কার বিরুদ্ধে? আন্দোলনটা কি আদালতের

বিরুদ্ধে? কারণ জামিন দেয়ার এখতিয়ার তো আদালতের, জামিন দেয়ার এখতিয়ার সরকারের নয়, তাহলে তারা আদালতের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামবে- সেটিই তো মনে হয়।’

          ‘সুতরাং তাদের এ বক্তব্যের মাধ্যমে এটিই প্রমাণিত হয়, তারা আইন মানে না, আদালত মানে না, দেশের বিচার মানে না’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘যদি বিচার না মানে, আইন না মানে, আদালত না মানে এবং আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে যদি তারা রাজপথে নামে, আমি মনে করি তা আদালত অবমাননা এবং সেক্ষেত্রে আদালত স্বপ্রণোদিত হয়ে কিছু করে কি না সেটিই দেখার বিষয়।’

আওয়ামী লীগের সম্মেলন সমগ্র রাজনীতির ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ

          এ সময় আওয়ামী লীগের সম্মেলন উপলক্ষে দলের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহ্মুদ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সম্মেলন শুধু আওয়ামী লীগের ক্ষেত্রে নয়, এটি সমগ্র রাজনীতির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে প্রাণসঞ্চার হয় এবং নতুন নেতৃত্ব বেরিয়ে আসে।’

                   ইতিহাসের দিকে তাকিয়ে ড. হাছান বলেন, ‘১৯৬৬ সালে তখনকার আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়েছিল, সেই সম্মেলনের সংগীত ছিল, ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’, যেটি পরবর্তী সময়ে আমাদের জাতীয় সংগীত হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্মেলনে দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবার ও সমাজ পরিবর্তনের দিক-নির্দেশনা থাকে।’

          ‘আগামী ২০ এবং ২১ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যে ২১তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, আজ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের পথে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের অভিযাত্রায় বাংলাদেশের অদম্য অগ্রগতিকে আরো বেগবান করার জন্য, জিয়াউর রহমান, এরশাদ, খালেদা জিয়ার দুর্বৃত্তায়ন ও বণিকায়ন থেকে রাজনীতিকে পরিশুদ্ধ করার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে’ বলেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

#

আকরাম/মাহমুদ/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৯/১৮১০ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                      নম্বর : ৪৫৮৭

‘ভালো মানুষ সাংবাদিক মোস্তাক হোসেনকে মামা ডাকতাম’ - ড. হাছান

ঢাকা, ১৯ অগ্রহায়ণ (৪ ডিসেম্বর) :

          ‘সাংবাদিক মোস্তাক হোসেন একজন ভালো মানুষ ছিলেন, তাকে অনেকের মতো আমিও মামা ডাকতাম’ বলেছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

          আজ দুপুরে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আবদুস সালাম হলে সাংবাদিক মোস্তাক আহমেদ স্মরণ সভা ও শামীম আহমেদ প্রণীত ‘সাংবাদিক মোস্তাক হোসেন একটি যুগের প্রতীক’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। গ্রন্থকার ও প্রকাশক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক আব্দুল মান্নান চৌধুরী।

          ‘মোস্তাক হোসেন একজন অসাম্প্রদায়িক চেতনার মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কলম সৈনিক ছিলেন’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনাকে যখন ২০০৭ সালে গ্রেপ্তার করা হয়, এরপর দলের অনেকেই ভোল পাল্টেছেন, আবার যারা কাগজে লেখেন, তারাও অনেকে ভোল পাল্টেছেন

4a8bfec83e6285a2c017c4b242b79f3c.docx 4a8bfec83e6285a2c017c4b242b79f3c.docx

Share with :

Facebook Facebook