তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৯ নভেম্বর ২০২১

তথ্যবিবরণী ২৯ নভেম্বর ২০২১

তথ্যবিবরণী                                                                                                         নম্বর: ৫৬২৩

 

নিরাপদ অভিবাসন ও বৈধ পথে শ্রমিক আনয়নের লক্ষ্যে

সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশ ও গ্রিসের মধ্যে আগ্রহপত্র স্বাক্ষর

 

গ্রীস (এথেন্স), ২৯ নভেম্বর :

            আজ এথেন্সে বাংলাদেশ সরকারের প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ইমরান আহমদ এবং গ্রিসের অভিবাসন ও অ্যাসাইলাম বিষয়ক মন্ত্রী নোটিস মিতারাচি (Notis Mitarachi) নিরাপদ অভিবাসন ও বৈধ পথে শ্রমিক আনয়নে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একটি আগ্রহপত্র (declaration of intent) স্বাক্ষর করেন।

 

            গ্রিক মন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত  দ্বিপাক্ষিক সভায় উভয় মন্ত্রী অনিয়মিত অভিবাসনের বিপক্ষে স্ব স্ব অবস্থান তুলে ধরেন এবং নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে শ্রম অভিবাসনকে জোরদার করার বিষয়ে ঐকমত্য প্রকাশ করেন।

 

            প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বাংলাদেশের সাথে গ্রিসের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে  বলেন, বৈধ এবং নিয়মিত পথে অভিবাসনের প্রতি বাংলাদেশ সরকারের দৃঢ় অবস্থান রয়েছে। তিনি আরো বলেন, বৈধ পথে বাংলাদেশ থেকে গ্রিসে শ্রমিক নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হলে অবৈধ পথে শ্রমিক আসার প্রবণতা হ্রাস পাবে এবং এর ফলে উভয় দেশই উপকৃত হবে।

 

            গ্রিসে বৈধ পথে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষরের প্রয়োজনীয়তার ওপর মন্ত্রী ইমরান আহমদ গুরুত্বারোপ করেন।   

 

            গ্রিক অভিবাসন ও অ্যাসাইলাম বিষয়ক মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ ও গ্রিসের মধ্যে পারস্পরিকভাবে লাভজনক সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে এবং এই লক্ষ্যে তাঁর মন্ত্রণালয় কাজ করছে। তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমস্যা এবং বৈধ পথে কর্মী আনার বিষয়সহ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর উত্থাপিত বিষয়গুলো নিয়ে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রাখার কথা বলেন। 

 

            নিয়মিত শ্রম অভিবাসন জোরদার করতে গ্রিস শীঘ্রই বাংলাদেশের সাথে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করবে বলে গ্রিক মন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলকে আশ্বস্ত করেন। 

 

            এই দ্বিপাক্ষিক সভায় প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, রাষ্ট্রদূত আসুদ আহ্‌মেদ, দূতাবাসের কর্মকর্তা ও গ্রিক সরকারের অভিবাসন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

            প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী গ্রিসের সিটিজেন প্রটেকশন মন্ত্রী প্যানাগিওটিস থিওডোরিকাকোস-এর সাথে তাঁর দপ্তরে অন্য আরেকটি বৈঠকে মিলিত হন। এ সময় দুই মন্ত্রী দুদেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।

 

#

রাশেদুজ্জামান/পাশা/মোশারফ/আব্বাস/২০২১/২৩০০ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                    নম্বর: ৫৬২২

 

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার

                                                       ---শিল্প প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর):

 

          শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, প্রতিযোগিতা ভালো, প্রতিহিংসা ভালো নয়। এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা মসজিদের উন্নয়নের জন্য প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা কাজ করে যেতে চাই। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এগিয়ে যাচ্ছে শেখ হাসিনার সরকার।

 

          তিনি আজ মিরপুর কাফরুলে হাজী আলী হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ৪ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এগারটি ইউনিটের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।

 

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের মডেল হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে। জিডিপিতে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, স্যাটেলাইট থেকে শুরু করে মেট্রোরেল এর উন্নতি হয়েছে, প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রণোদনা দিয়ে বিভিন্নভাবে জনগণকে স্বাবলম্বী করে তুলছে। এলাকার উন্নয়নে রাস্তাঘাট সম্প্রসারণ ,জলাবদ্ধতা নিরসনসহ  প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি আগামী দিনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

 

          কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, শিল্প মন্ত্রণালয়ের বিসিক, বিটাকের মাধ্যমে শিক্ষিত যুব সমাজকে প্রশিক্ষণ দিয়ে দেশ বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তিনি শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত নানা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।

 

       #

 
রফিকুল/পাশা/মোশারফ/আব্বাস/২০২১/২০৫২ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                         নম্বর: ৫৬২১

 

এগ্রিবিজনেসে বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের সকল সহযোগিতা দেয়া হবে

                                                                  -- কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

          দেশে এগ্রিবিজনেসে বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের সকল ধরনের প্রণোদনা এবং সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এগ্রিবিজনেসে দেশ ও বিদেশের উদ্যোক্তাদের সরকার সকল সুবিধা প্রদান করবে।

 

          আজ ঢাকায় হোটেল রেডিসন ব্লুর উৎসব হলে বিডা আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের এগ্রিবিজনেস: গ্রোথ বাই ন্যাচার শীর্ষক সেশনে  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

 

          মন্ত্রী বলেন, আমরা সাধারণ জনগণ ও কৃষকের আয় বাড়াতে চাই। সেজন্য আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের সতেজ ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি  প্রক্রিয়াজাত করে দেশের ভিতরে বাজার বিস্তৃত করতে হবে। এটি করতে পারলে কৃষকেরা উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবে, লাভবান হবে ও তাদের আয় বাড়বে। সেলক্ষ্যে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

 

          স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী এবং দেশের শিক্ষিত তরুণদেরকে এগ্রিবিজনেসে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে কৃষিবিদ  ড. রাজ্জাক আরও বলেন, দেশের রপ্তানি মূলত গার্মেন্টসনির্ভর, এটিকে আমরা বহুমুখী করতে চাই। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় হলো দেশের কৃষিখাত। কৃষিবান্ধব সরকারের প্রচেষ্টায় গত ১২ বছরে কৃষি উৎপাদনে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সকল ফসলের উৎপাদন যেমন বেড়েছে, তেমনি অনেক ফসলে বাংলাদেশ উদ্বৃত্ত। এসব ফসলের রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বৃদ্ধি এবং ভ্যালু অ্যাড করাই  এখন আমাদের মূল লক্ষ্য।

 

          প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরীর সঞ্চালনায় সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন  করেন এসিআই এগ্রিবিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. এফ এইচ আনসারি। এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আনোয়ার ফারুক, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল  কাইয়ুম সরকার, ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের আঞ্চলিক শিল্প পরিচালক রানা কারাদশেহ-হাদ্দাদ, সীমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান  ইকবাল আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

 

#

 

কামরুল/পাশা/সঞ্জীব/রেজাউল/২০২১/১৯৫৫ ঘণ্টা

তথ্যবিবরণী                                                                                                                 নম্বর : ৫৬২০

 

বিমান প্রতিমন্ত্রীর সাথে সৌদি আরবের পরিবহন মন্ত্রীর সাক্ষাৎ

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

           বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলীর সাথে আজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সৌদি আরবের পরিবহনমন্ত্রী  Eng. Saleh bin Nasser bin Ali Al-Jasser সাক্ষাৎ করেন।

          এ সময় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসসা ইউসেফ ইসসা আল দুহাআলান, সৌদি আরবের নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।

          সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের কোভিড পরিস্থিতির উন্নতির কথা উল্লেখ করে সৌদি আরবের পরিবহন মন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবের বিভিন্ন গন্তব্যে দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলোর সিডিউল ফ্লাইট পরিচালনা করার অনুমোদন প্রদান করতে অনুরোধ করেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় পর্যটন প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশে পর্যটনের অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশের পর্যটন খাতে সৌদি আরবের বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ করার প্রস্তাব প্রদান করেন।

          জবাবে সৌদি পরিবহন মন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে পরিচালিত দেশীয় এয়ারলাইন্সগুলোর সিডিউল ফ্লাইটের অনুমোদন প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন। এছাড়া বাংলাদেশের পর্যটন খাতে সৌদি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগের বিষয়টি তিনি সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয়কে অবহিত করবেন ।

          বৈঠকে পর্যটন সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন দুই দেশের মধ্যে ট্যুরিজম এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু করার প্রস্তাব প্রদান করেন এবং আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার আগামী গভর্নিং বডি নির্বাচনে বাংলাদেশকে সমর্থন দেয়ার জন্য সৌদি আরবের পরিবহনমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন।

          জবাবে সৌদি আরবের পরিবহন মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে ট্যুরিজম এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালু করার জন্য তিনি সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করবেন এবং আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা নির্বাচনে বাংলাদেশকে সমর্থন প্রদান করার বিষয়ে তিনি আশ্বাস প্রদান করেন।

#

তানভীর/পাশা/রফিকুল/জয়নুল/২০২১/১৯৩০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                                                 নম্বর : ৫৬১৯

 

বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে ডাক্তারদের বক্তব্য বিএনপি’র শেখানো

                                                 -- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

          ‘বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে ডাক্তার সাহেবরা যে বক্তব্য দিয়েছেন এগুলো বিএনপি’র শেখানো’ বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

           আজ সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে টিভি কেবল নেটওয়ার্ক অপারেটর প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক শেষে বিএনপি নেত্রী বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে ডাক্তারদের মন্তব্য প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, তাদের বক্তব্যে এটি স্পষ্ট যে, ডাক্তার হিসেবে তারা যতটুকু না বক্তব্য দিয়েছেন, তার চেয়ে বেশি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএনপি’র শিখিয়ে দেয়া বক্তব্যই দিয়েছেন। আর বিবৃতিদাতাদের বেশিরভাগই বিএনপি দলীয় রাজনীতির সাথে যুক্ত। 

          বিএনপি এখন বেগম জিয়ার স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতিটা তাদের নেতাদের কাছ থেকে ডাক্তারদের মধ্যেও নিয়ে গেছেন বলে প্রমাণিত হয়েছে উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, ‘আমি টেলিভিশনে দেখেছি জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)-এর নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা: ফরহাদ হালিম ডোনার একটি বিবৃতি দিয়েছেন। ড্যাবের দপ্তর সম্পাদক ডা: মোঃ ফখরুজ্জামান স্বাক্ষরিত আরেকটি বিবৃতি ছিলো। আরেকজন ডাক্তার কালকে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। এরা সবাই বিএনপি’র দলীয় ও ঘরোয়া রাজনীতির সাথে যুক্ত।’

          তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ডাক্তার সাহেব বলেছেন, শুধুমাত্র যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা আছে। আর চিকিৎসা আছে জার্মানি আর যুক্তরাষ্ট্রে, ভারতে তো নাইই, সিঙ্গাপুরে, ব্যাংককেও নাই। বাস্তবতা হলো, এখন ইউরোপ ও আমেরিকার অনেক মানুষ এখন সিঙ্গাপুর ও  ব্যাংককে চিকিৎসা করতে আসে। ডাক্তার সাহেব কীভাবে বললেন অন্য কোথাও নাই শুধুমাত্র তারেক রহমান যেখানে আছে সেই যুক্তরাজ্যেই চিকিৎসা আছে আর আছে পাশের দেশ জার্মানি আর ইউএসএ-তে।’

          সাংবাদিকরা বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্য ‘দেশে বিশৃঙ্খলা না চাইলে বেগম জিয়াকে বিদেশে যেতে হবে’ এবিষয়ে প্রশ্ন করলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘বিএনপি মহাসচিব যদি একথা বলে থাকেন, তাহলে উনারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পরিকল্পনা করছেন। আমি মনে করি, এজন্য তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হতে পারে। কারণ তিনি যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার পরিকল্পনা করছেন সেটি নিজেই স্বীকার করেছেন এবং এটি ফৌজদারি অপরাধ। তারা অতীতে অনেক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, দেশের মানুষ তাদেরকে আর বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেবে না।’

           কেবল অপারেটরদের সাথে বৈঠক শেষে এবিষয়ে সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান বলেন, ‘কেবল অপারেটররা প্রস্তুতি নিয়েছেন। ঢাকা-চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন শহরসহ অন্য শহরগুলোতেও তারা ডিজিটাল হেড স্থাপন করেছেন। কিন্তু এর পাশাপাশি প্রত্যেক গ্রাহকের কাছে সেট টপ বক্স থাকলে কেবল অপারেটিং সিস্টেমটা ডিজিটালাইজ হবে। গ্রাহক ভালোভাবে টেলিভিশন দেখতে পারবে একইসাথে সরকার প্রতিবছর ১৫ থেকে ১৮শ’ কোটি টাকা যে রাজস্ব হারাচ্ছে, সেটিও আদায় হবে আবার এখন কেবল অপারেটররা ফিড অপারেটরের কাছ থেকে পাওনা সঠিকভাবে পায় না, সেটিরও অবসান হবে।

চলমান পাতা -২

         

 

 

- ২ –

 

          মন্ত্রী জানান, মন্ত্রণালয় ৩০ নভেম্বর যে সময় নির্ধারণ করে দিয়েছিলো, সেটির ওপর আদালত স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কাজ চলছে, আশা করছি স্থগিতাদেশ উঠে গেলে পুনরায় সময় নির্ধারিত হবে। তবে কেবল নেটওয়ার্ক ডিজিটাল হওয়া প্রয়োজন, এ লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে এবং আমরা এতে বদ্ধপরিকর।

          বাংলাদেশে নিম্নবিত্ত, নিম্ন মধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চ মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত  গ্রাহক  সবাই যাতে প্রয়োজন ও সামর্থ্য অনুযায়ী এককালীন বা কিস্তিতে সেট টপ বক্স কিনতে পারে এবং একইসাথে দেশে এটি উৎপাদন করা যায় কি না সেটিও আলোচনা হয়েছে উল্লেখ করেন ড. হাছান।

          তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মোঃ মকবুল হোসেন, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক মো: সোহরাব হোসেন, অতিরিক্ত সচিব খাদিজা বেগম, কোয়াব প্রশাসক, আকাশ ডিটিএইচ, ন্যাশন ওয়াইড মিডিয়া, জাদু ভিশন, ওয়ান এলায়েন্স, কোয়াব ঐক্য পরিষদ ও সমন্বয় পরিষদ এবং মুক্তধারা ফাউন্ডেশন প্রতিনিধিবৃন্দ বৈঠকে অংশ নেন।

          এদিন বিকেলে সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বার্ষিক সাধারণ সভা উপলক্ষ্যে তাদের কার্যালয়ে ডিজিটাল ল্যাব উদ্বোধন করেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

#

 

আকরাম/পাশা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২১/১৯১০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                                                  নম্বর : ৫৬১৮

 

জ্বালানি রূপান্তরের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগের পরিবেশ সৃজন করেছে

                                                                              -- বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

          বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, জ্বালানি রূপান্তরের প্রেক্ষাপট বাংলাদেশে বিপুল বিনিয়োগের পরিবেশ সৃজন করেছে। ২০৪১ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনেই প্রয়োজন হবে

৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থায়ও ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে।

          প্রতিমন্ত্রী আজ ঢাকায় রেডিসন হোটেলে ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২১-এর দ্বিতীয় দিনে ‘বিদ্যুৎ জ্বালানি এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ’ শীর্ষক কারিগরি সেশনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সরকার কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে ক্লিন ও গ্রিন এনার্জি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত ২০৩০ সাল নাগাদ শতকার ৪৯ ভাগ গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাতিল করে সেখানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গ্রিণ টেকনোলজির ব্যবহার বাড়ানোকে লক্ষ্য ধরে পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান হালনাগাদ করা হচ্ছে। ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়ানোকেও উৎসাহিত করা হচ্ছে।

          প্রতিমন্ত্রী এ সময় আরো বলেন, ৬ মিলিয়ন সোলার হোম সিস্টেমের মাধ্যমে ২ কোটি মানুষকে বিদ্যুতায়নের আওতায় আনা হয়েছে। সোলার ইরিগেশন, সোলার মিনি গ্রিড, বায়ু বিদ্যুৎ, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রভৃতি মাধ্যম হতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে নতুন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

          সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম বলেন, হাইড্রোজেন ফুয়েল নিয়ে পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করা প্রয়োজন। ক্লিন জ্বালানির প্রতি প্রথমেই গুরুত্ব দেয়া হবে। গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে কার্যক্রম বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রাখা আবশ্যক। কার্বন ক্যাপচার ও স্টোরেজ সংক্রান্ত প্রযুক্তিতে আরো বিনিয়োগ প্রয়োজন।

          বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার প্রডিউসর’স এসোসিয়েশন (বিপপা)’র প্রেসিডেন্ট ইমরান করিমের  সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে আইএফসি’র এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের শিল্প অবকাঠামো ও প্রাকৃতিক সম্পদ বিভাগের প্রধান ইসাবেল চ্যাটারটন (Isabel Chatterton), সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান, সিংগাপুরের সেম্বকর্পের নির্বাহী প্রধান কর্মকর্তা বিপুল তুলি (Vipul Tuli), বাংলাদেশস্থ এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর ইডিমন গিনটিং (Edimon Ginting) ও বাংলাদেশস্থ শেভরন-এর প্রেসিডেন্ট ইরিক এম ওয়াকার (Eric M Walker) বক্তব্য রাখেন।

#

 

আসলাম/পাশা/সঞ্জীব/জয়নুল/২০২১/১৮২০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                                          নম্বর: ৫৬১৭ 

 

স্থানীয় লক্ষ্যভিত্তিক গুচ্ছগ্রাম বাস্তবায়নে ভূমি মন্ত্রণালয়

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাঁতী, জেলে, কামার, কুমার, মুচি ইত্যাদি পেশাকেন্দ্রিক গুচ্ছগ্রাম স্থাপন তথা স্থানীয় লক্ষ্যভিত্তিক করে গুচ্ছগ্রাম বাস্তবায়নের সক্ষমতা যাচাই করছে ভূমি মন্ত্রণালয়।

 

আজ ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরীর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত ২০২১-২২ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় মন্ত্রীকে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ এ ব্যাপারে প্রাথমিক পর্যালোচনাভিত্তিক তথ্য প্রদান করেন। মন্ত্রী এই ব্যাপারে কর্মকর্তাদের সম্ভাব্যতা অধ্যয়নের নির্দেশ দেন।

 

ভূমিমন্ত্রী ভূমি মন্ত্রণালয়ের গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প অধিকতর স্থানীয় লক্ষ্যভিত্তিক করে বাস্তবায়নের সক্ষমতা যাচাই করার জন্য ভূমি সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। স্থানীয়ভাবে পরিচালিত সমাধানের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা গেলে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প আরো অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ফলপ্রসূ হবে।

 

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ গৃহায়ন কর্মসূচির আওতায় ভূমি মন্ত্রণালয় জলবায়ুসংশ্লিষ্ট গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প এককভাবে বাস্তবায়ন করছে। গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পটির গোড়াপত্তন করেছিলেন বাংলাদেশের প্রথম ভূমি সংস্কারক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জলবায়ুদুর্গত ভূমিহীন, গৃহহীন, ঠিকানাহীন, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এবং দরিদ্র মানুষকে পুনর্বাসনের মাধ্যমে দেশের মূল উন্নয়ন কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করাই গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের উদ্দেশ্যে।

 

সভায় ভূমি সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান পিএএ, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান সোলেমান খান, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) প্রদীপ কুমার দাসসহ ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

#

নাহিয়ান/পাশা/রফিকুল/রেজাউল/২০২১/১৮১৮ ঘণ্টা

 

তথ্যবিবরণী                                                                                                                  নম্বর : ৫৬১৬

 

বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ

                                                     -- আইনমন্ত্রী

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

          আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য  অনেক ভৌত অবকাঠামো তৈরি করেছে। এছাড়া তিনি একটি ভালো আইনি কাঠামো তৈরি করে দিয়েছেন, যাতে বিদেশিরা বাংলাদেশে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ভালো একটি ‘প্রটেকশন’ পায়। তাই বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এখন অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ।

          আজ রাজধানীর হোটেল রেডিসানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন-২০২১ এর ‘লিগ্যাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ শীর্ষক এক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

          মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে স্বাধীনতার ৫০ বছর পর একটি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। এটা বর্তমানে সময়ের জন্য বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি বড় সাফল্য। কোভিড-১৯ আঘাত হানার ঠিক আগেও বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির হার ছিল আট শতাংশের ওপরে এবং গত  এক দশকে তা ছয় শতাংশের ওপরে ছিল।

          আনিসুল হক বলেন, কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাবকালেও প্রতিবেশি দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ভালো ছিল। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাস্তবসম্মত ও সময়োপযোগী নীতির  কারণে। বাংলাদেশ এই সফলতা ধরে রাখতে পারলে ২০৩১ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হবে। এ সফলতা ধরে রাখতে সরকার ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়নসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে। কোম্পানি আইন সংশোধন করেছে।

          পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান মাশরুর রিয়াজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অধিবেশনে অন্যান্যের মধ্যে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সাবেক সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ শহিদুল হক ও বর্তমান সচিব মোঃ মইনুল কবির, প্রফেসর ড. রুমানা ইসলাম, ব্যারিস্টার নিহাদ কবির ও ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম বক্তৃতা করেন।

#

রেজাউল/পাশা/রফিকুল/জয়নুল/২০২১/১৮১০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                                                   নম্বর : ৫৬১৫

 

মওলানা নুরুল ইসলাম জেহাদীর মৃত্যুতে ধর্ম  প্রতিমন্ত্রীর  শোক

 

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

           দেশের প্রখ্যাত আলেম ঢাকার খিলগাঁও মাখজানুল উলুম মাদ্রাসার পরিচালক ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ’র মহাসচিব মওলানা নুরূল ইসলাম জেহাদীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী মোঃ ফরিদুল হক খান।

          প্রতিমন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের  প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

#

 

আনোয়ার/পাশা/রফিকুল/জয়নুল/২০২১/১৭৪০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                                                   নম্বর : ৫৬১৪

 

দ্রুত প্রবৃদ্ধি লাভ করছে দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন শিল্প

                                              -- পর্যটন প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১৪ অগ্রহায়ণ (২৯ নভেম্বর) :

           বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী বলেছেন, শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দ্রুত প্রবৃদ্ধি লাভ করছে দেশের এভিয়েশন ও পর্যটন শিল্প। এ দু’টি শিল্পে বেড়েছে বিনিয়োগ। উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মধ্য দিয়ে বাড়ছে দেশের আকাশ পথের পরিধি।

          প্রতিমন্ত্রী আজ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি টার্মিনালের অপেক্ষাগারে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বাংলাদেশের অর্জন’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

          মাহবুব আলী বলেন, সারাদেশে বিমান পরিবহণ অবকাঠামোর যুগোপযোগী উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক আগ্রহে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আজ ২১টি অত্যাধুনিক উড়োজাহাজ সমৃদ্ধ বহরের অধিকারী। দেশের পর্যটন শিল্পের গুণগত মানের উন্নয়নের জন্য চলছে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ ।

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর  দূরদর্শী নেতৃত্বের ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন; সেই স্বপ্ন আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরের মাধ্যমে, স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার মাধ্যমে এবং খাদ্য ঘাটতির দেশকে খাদ্যে উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত করার মাধ্যমে। 

          প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমাদের মাথাপিছু গড় আয় বেড়ে আজ ২,৫৫৪  ডলারে দাঁড়িয়েছে। বেড়েছে বাজেটের আঁকার, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, রেমিট্যান্স, রিজার্ভ আর রপ্তানি আয়। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দারিদ্র্য হ্রাস, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, সারাদেশে শতভাগ বিদ্যুতায়ন, গৃহহীন মানুষকে গৃহ প্রদান, সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম, নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা, শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যু রোধসহ মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে সফলতা অর্জিত হয়েছে। মেট্রোরেল, শাহজালাল বিমানবন্দরের ৩য় টার্মিনাল নির্মাণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কর্ণফুলী টানেলসহ স্ব-অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ বিশ্বে বাংলাদেশের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশ বিজ্ঞানের যুগে প্রবেশ করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ এখন দ্রুত উন্নয়নশীল প্রথম ৫টি দেশের মধ্যে একটি। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ বর্তমানে এক উন্নয়ন বিস্ময়ের নাম।   

          বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য মোঃ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মুখ্য আ

2021-11-29-17-04-d1a8387f7aac04e93777a3d1f809ec2b.doc 2021-11-29-17-04-d1a8387f7aac04e93777a3d1f809ec2b.doc

Share with :

Facebook Facebook