তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৪ এপ্রিল ২০১৮

তথ্যবিবরণী 04/04/2018

তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ১০৯৯
 
অটিস্টিক শিশুরা হচ্ছে অসাধারণ শিশু
              --- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী 
 
ঢাকা, ২১ চৈত্র (৪ এপ্রিল ) :
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, অটিস্টিক শিশুরা হচ্ছে অসাধারণ শিশু। আমি এ শিশুদের দেখি বিস্ময়ের সঙ্গে।  তাঁরা যা সৃষ্টি করতে পারে আমরা তা পারি না। তাঁরা যে জগতে বাস করে তা আমাদের কাছে অচেনা। তাই আমরা মনে করি, ওরা স্বাভাবিক নয়।
মন্ত্রী আজ ঢাকায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর এর নলিনীকান্ত ভট্টশালী গ্যালারিতে ‘একাদশ বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ উপলক্ষে অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশুদের যাপিত জীবনের বিশেষ মুহূর্তের ছবি নিয়ে আয়োজিত আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট আলোকচিত্র শিল্পী শংকর শাওজাল। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অভ্ পেডিয়াট্রিক নিউরো ডিজঅর্ডার এন্ড অটিজম (ইপনা)’র প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ শাহীন আখতার।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল অটিজম বিষয়ে বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। অটিস্টিক বাচ্চাদের নিয়ে অভিভাবকদের লজ্জা ও অপরাধবোধ এখনো বিরাজমান। ধীরে ধীরে এ অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে। তবে কিছুটা সময় লাগবে। মন্ত্রী বলেন, অটিস্টিক শিশুদের মানুষ করার পুরোপুরি উপযুক্ত পরিবেশ আমাদের দেশে এখনো তৈরি হয়নি। সামাজিক দায়িত্ব ও মূল্যবোধ থেকে এ পরিবেশ তৈরিতে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, সত্যিকার অর্থে এ অসাধারণ শিশুদের সহায়তা করতে পারে এমন প্রতিষ্ঠান এদেশে গড়ে তুলতে হবে যারা পেশাগত দক্ষতা, সততা ও মমত্ববোধ থেকে এ দায়িত্ব পালন করে যাবে।
#
 
ফয়সল/সেলিম/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/২০৪০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ১০৯৮
 
খাদ্যশস্য সংরক্ষণে ৩টি স্টিল রাইস সাইলো নির্মাণ করা হবে
                                                   --- খাদ্যমন্ত্রী
ঢাকা, ২১ চৈত্র (৪ এপ্রিল ) :
খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, এই মুহুর্তে সরকারি গোডাউন ও সাইলোতে খাদ্যশস্যের মোট ধারণ ক্ষমতা আছে প্রায় ২১ লাখ মেট্রিক টন। এ বছরের শেষে তা দাঁড়াবে প্রায় ২২ লাখ মেট্রিক টনের কাছাকাছি। ২০২০ সাল নাগাদ তা বেড়ে প্রায় ২৭ লাখ ৪৫ হাজার মেট্রিক টন এবং ২০২৫ সাল নাগাদ ধারণ ক্ষমতা প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টনে দাঁড়াবে। 
মন্ত্রী আজ সোনারগা হোটেলে খাদ্য অধিদপ্তর এবং তমা কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের মধ্যে আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার প্রকল্পের আওতায় মধুপুর, ময়মনসিংহ এবং আশুগঞ্জে ৩টি স্টিল রাইস সাইলো নির্মাণের চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, অতীতের চেয়ে এখন খাদ্যশস্যের উৎপাদন বেড়েছে। বছরে প্রায় ৩ কোটি ৬০ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং প্রায় ২৬ লাখ মেট্রিক টন গম উৎপাদন হয়। এসব খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করার জন্য আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার বাড়াতে হবে। 
আধুনিক খাদ্য সংরক্ষণাগার প্রকল্পের আওতায় ৩টি প্যাকেজে ৮টি সাইলো নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে ৬টি চালের এবং ২টি গমের সাইলো। প্যাকেজের আওতায় ময়মনসিং, মধুপুর ও আশুগঞ্জে ১টি করে মোট ৩টি সাইলো নির্মাণ করা হবে। 
বন্যা, সাইক্লোন ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করার জন্য দীর্ঘমেয়াদি (২-৩ বছর) কৌশলগত মজুত সংরক্ষণ করার উদ্দেশ্যে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় স্টিল সাইলো নির্মাণের প্রকল্প হাতে নেয় সরকার। এই স্টিল সাইলোর অন্যতম সুবিধা হচ্ছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আন্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ৩ বছর পর্যন্ত খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়া রাসায়নিক ও কীটনাশক ছাড়াই খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করায় পুষ্টিমান ও গুণগত মান বজায় থাকে। 
খাদ্য সচিব শাহবুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে খাদ্য অধিদপ্তরের পক্ষে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গাজীউর রহমান এবং তমা কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের পক্ষে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতাউর রহমান ভূইয়া চুক্তিতে স¦াক্ষর করেন।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল ওয়াদুদ দারা, খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আরিফুর রহমান অপুসহ খাদ্য মন্ত্রণালয়, খাদ্য অধিদপ্তর এবং তমা কন্সট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ। 
#
মেহেদী/সেলিম/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/১৯৩৫ঘণ্টা  
তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ১০৯৭
 
এমএস রডের মূল্য টন প্রতি আরো এক হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা
 
ঢাকা, ২১ চৈত্র (৪ এপ্রিল ) :
এমএস রডের মূল্য টন প্রতি আরো এক হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্টিল ও রি-রোলিং শিল্প মালিকরা। তারা বলেন, সরকারের মেগাপ্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়তার অঙ্গীকার হিসেবে এ দাম কমানো হলো। বাজারে এমএস রড, এমএস এঙ্গেল এবং সিমেন্টের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে শিল্পসচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহের সাথে আয়োজিত বৈঠকে আজ তারা এ ঘোষণা দেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাণিজ্য, নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয়, সেতু বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, ট্যারিফ কমিশন, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ, বিএসটিআই, বিএসইসি, ক্যাব এবং স্টিল ও রি-রোলিং মিল সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে বাজারে এমএস রড, এমএস এঙ্গেল এবং সিমেন্টের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় সংশ্লিষ্ট শিল্পোদ্যোক্তারা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে রডের মূল্য বৃদ্ধি, ডলারের অবমূল্যায়ন, পরিবহণ খরচ ও ট্যারিফ বৃদ্ধি এবং বন্দরের সমস্যার কারণে দেশের বাজারে এমএস রড, এমএস এঙ্গেল এবং সিমেন্টের মূল্য বেড়েছে। এছাড়া কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির ফলেও বাজারে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। তারা এসব পণের আমদানি খরচ কমাতে বন্দর থেকে সরাসরি পণ্য খালাসের দাবি জানান। 
শিল্পসচিব বলেন, মেগাপ্রকল্পগুলো যথাসময়ে বাস্তবায়নের ওপর সরকারের উন্নয়ন অভিযাত্রা জোরদারের বিষয়টি নির্ভর করছে। তিনি বলেন, এমএস রড, এমএস এঙ্গেল এবং সিমেন্টকে অবকাঠামো নির্মাণের মৌলিক কাঁচামাল। এসব পণের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সবধরনের প্রয়াস অব্যাহত থাকবে। বন্দর থেকে সরাসরি কাঁচামাল আমদানির বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এ শিল্পের অন্যান্য সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সাথে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি উদ্যোক্তাদের আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য,  ইতোপূর্বে বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে আয়োজিত বৈঠকে স্টিল ও রি-রোলিং শিল্প মালিকরা টন প্রতি রডের মূল্য দুই হাজার টাকা কমিয়েছিলেন। আজ শিল্পসচিবের সাথে আয়োজিত সভায় টন প্রতি এক হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা দেয়ায় বাজারে রডের দাম টন প্রতি তিন হাজার টাকা কমবে।
#
জলিল/সেলিম/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৯৩০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                       নম্বর :  ১০৯৬
 
ড্যাপ বাস্তবায়নে জনগণের সুবিধাকে প্রাধান্য দিতে হবে
                                    -- এলজিআরডি মন্ত্রী
 
ঢাকা, ২১ চৈত্র (৪ এপ্রিল) : 
 
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, রাজধানী ঢাকার বসবাসের পরিবেশ টিকিয়ে রাখতে ডিটেইলড্ এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) বাস্তবায়ন জরুরি। ড্যাপ বাস্তবায়নে জনগণের সুবিধাকে প্রাধান্য দিতে হবে। মন্ত্রী আজ সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রণীত ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) রিভিউয়ের লক্ষ্যে গঠিত মন্ত্রিসভা কমিটির ১২তম সভায় সভাপতিত্বকালে এসব কথা বলেন।
 
সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, ভূমি মন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. জাফর আহমেদ খান এবং গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব মোঃ শহীদ উল্লা খন্দকারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। 
 
মন্ত্রী বলেন, ঢাকাবাসী যাতে সর্বোচ্চ সুবিধা পায় সেলক্ষ্যে ভূমির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। জমির শ্রেণি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পরিবেশগত ঝুঁকির বিষয়ও বিবেচনায় রাখতে হবে। আবাসিক এলাকায় শিল্পকারখানা স্থাপন নাগরিক স্বাস্থ্যে ঝুঁকি তৈরি করে। তাই এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে।
 
মোশাররফ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর ৩ মিটার থেকে ১৫ মিটার নিচে নেমে গেছে। ভূ-গর্ভস্থ পানির ওপর নির্ভরতা না কমালে দেশ অচিরেই মরুভূমিতে পরিণত হবে। তিনি জানান, ভূ-পৃষ্ঠের পানির ব্যবহার বাড়ানোর বিষয়টি এখন জাতীয় নীতিতে অন্তর্ভুক্ত। বৃষ্টির পানি যাতে পানির স্তরকে রিচার্জ করতে পারে সেজন্য ঢাকা মহানগরীতেও পর্যাপ্ত উন্মুক্ত স্থান রাখার পরামর্শ দেন তিনি।
 
#
 
জাকির/সেলিম/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮৪৫ ঘণ্টা 
 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                     নম্বর :  ১০৯৫
 
 
ভারতের এন্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপ বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা
 
ঢাকা, ২১ চৈত্র (৪ এপ্রিল) : 
 
ভারতের এন্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপের  বিষয়ে পর্যালোচনার জন্য এক  আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আজ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এতে সভাপতিত্ব করেন। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব ফয়জুর রহমান চৌধরী, অতিরিক্ত সচিব মোঃ আশ্রাফ আলী ও মোঃ রেজাউল কাদের, বিজেএমসি’র চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শামসুল আলম, অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইপিবি, ট্যারিফ কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক, বিজেএমএ’র প্রতিনিধিসহ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন ।
 
মির্জা আজম বলেন,  ভারতের এন্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপের কারণে বাংলাদেশের পাটখাতে বিরূপ প্রভাব পরেছে। সরকার এ বিষয়ে খুব সচেতন। যে ধরণের পদক্ষেপ নেয়া দরকার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তা নিতে প্রস্তুত। তবে পাটের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য খুব দ্রুতসময়ের মধ্যে ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১৭’ সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।  এছাড়া ‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১৭’ এর আওতায়  ১৭টি পণ্যের সাথে আরো তিনটি পণ্য যোগ করার বিষয় সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে ।
 
সভায় জানানো হয়, ভারতের এন্টি ডাম্পিং ডিউটি আরোপের বিষয়ে সকল ধরণের নীতিগত সহায়তা দিতে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন প্রস্তুত রয়েছে। কমিশন এ বিষয়ে সকল স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে সেমিনার আয়োজন করতে যাচ্ছে। এছাড়া, পাটখাতের সকল স্টেকহোল্ডারদের আইনগত সহায়তা দেয়া ও এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য  বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।
 
#
 
সৈকত/সেলিম/রফিকুল/সেলিমুজ্জামান/২০১৮/১৮৩০ ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ১০৯৪
বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প খুবই সম্ভাবনাময় খাত
                                                        --- শ্রম প্রতিমন্ত্রী
 
ঢাকা, ২১ চৈত্র (৪ এপ্রিল ) :
শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ মুজিবুল হক (চুন্নু) বলেছেন, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প খুবই সম্ভাবনাময় খাত। যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে অল্প সময়ের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ঔষধ শিল্প সব শিল্পকে ছাড়িয়ে যাবে বলে তিনি আশা করেন। প্রতিমন্ত্রী আজ গাজীপুরের টঙ্গীতে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল কারখানা পরিদর্শনে গিয়ে এসব কথা বলেন। 
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হার্ট এবং জার্মানিতে চোখের মতো স্পর্শকাতর চিকিৎসায় বাংলাদেশের উৎপাদিত ঔষধ ব্যবহার হয়, যা আমাদের জন্য সত্যই গর্বের। তিনি বলেন, বেক্সিমকোতে শ্রমিকদের সাথে ম্যানেজমেন্টের সম্পর্ক এবং তাদের প্রাপ্ত বিভিন্ন সুযোগসুবিধার কথা শুনে অভিভূত হয়েছি। বিশ^সেরা কমপ্লায়েন্স কারখানা এবং শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যাল যেভাবে সহায়তা প্রদান করছে অন্য কোম্পানির ক্ষেত্রে তা উদাহরণ হতে পারে। এসময় বেক্সিমকোর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাব্বুর রেজা শ্রম প্রতিমন্ত্রীর হাতে শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন তহবিলে কোম্পানি ২০১৭ সালের লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ এক কোটি ৪৪ লাখ ৫৭ হাজার ৫০৮ টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন। ঔষধ শিল্পের উন্নয়নে সরকার প্রয়োজনীয় প্রণোদনা প্রদান করছে। সরকারি প্রণোদনা নিয়ে দেশে বেক্সিমকোর মতো শত শত ঔষধ কারখানা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং দেশের উন্নয়নে অবদান রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।   
পরিদর্শনকালে বেক্সিমকো কর্তৃপক্ষ জানায়, আগামী কয়েকমাসের মধ্যে অষ্ট্রেলিয়াতেও বেক্সিমকোর উৎপাদিত ঔষধ রপ্তানি শুরু হবে। বেক্সিমকোই একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে ঔষধ রপ্তানি করে। এছাড়া কানাডা, রাশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে বেক্সিমকোর ঔষধ রপ্তানি হয়। বিশে^র সেরা ১৫টি ফার্মাসিউটিক্যালের মধ্যে বেক্সিমকো একটি। তাদের উৎপাদিত ঔষধের ৬০ শতাংশই বিদেশে রপ্তানি হয়। 
পরিদর্শনকালে মন্ত্রণালয়ের সচিব আফরোজা খান, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. আনিসুল আওয়াল, যুগ্মসচিব (শ্রম) মোঃ আমিনুল ইসলাম এবং বেক্সিমকোর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
#
আকতারুল/সেলিম/সঞ্জীব/জয়নুল/২০১৮/১৮৪০ঘণ্টা 
তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ১০৯৩
স্পিকারের সাথে ইউএনএইচসিআর’র আঞ্চলিক প্রতিনিধি’র সাক্ষাৎ
 
ঢাকা, ২১ চৈত্র (৪ এপ্রিল ) :
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সাথে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এর আঞ্চলিক প্রতিনিধি ও সমন্বয়ক ঔধসবং খুহপয আজ তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে তারা রোহিঙ্গা ইস্যু বিশেষ করে রোহিঙ্গাদের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে আলোচনা করেন। 
স্পিকার বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে- প্রয়োজন মিয়ানমারের আন্তরিকতা। তিনি রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নাগরিকত্ব ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তনে জনমত সৃষ্টির জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অনুরোধ জানান। এসময় তিনি রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য ইউএনএইচসিআর’কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ রোহিঙ্গাদের বিষয়ে সহানুভূতিশীল, স্থানীয়রা তাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সহযোগিতা করছে।
আঞ্চলিক প্রতিনিধি  বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে সবসময় বাংলাদেশের পাশে থেকে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন।
#
তারিক/সেলিম/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/১৮১০ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                         নম্বর : ১০৯২
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কন্টেইনার ট্রেন চলাচল শুরু
 
ঢাকা, ২১ চৈত্র (৪ এপ্রিল ) :
         বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পরীক্ষামূলক শুরু কন্টেইনার ট্রেনের কাস্টমস কার্যক্রম শেষ হবার পর আজ বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম স্টেশনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে এসেছে।
এর আগে গতকাল সকালে জেনারেল ম্যানেজার (ইস্টার্ন রেলওয়ে) কলকাতা, ভারত এবং কনকরের সিএসডি যৌথভাবে ফ্লাগ অফের মাধ্যমে ট্রেনটির শুভ সূচনা করেন।
ট্রেনটি ভারতের গেঁদে স্টেশনে পৌঁছায় বাংলাদেশ সময় বিকাল ৫টায়, প্রয়োজনীয় চেকিং শেষে ৫:৩৫ টায় গেঁদে ছাড়ে। ৩০ টি ফ্লাট  ওয়াগনে ৬০ টি কনটেইনার বোঝাই অবস্থায় বাংলাদেশের দর্শনা পৌঁছায় বিকাল ৫:৫০ টায়।
         কাস্টমস কার্যক্রম শেষে আজ বিকাল ৪:৪০ টায় দর্শনা স্টেশন থেকে বঙ্গবন্ধু পশ্চিম স্টেশনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে এসেছে। আনুমানিক রাত ১১ টায় ট্রেনটি নির্ধারিত স্টেশনে পৌঁছাবে বলে আশা করা যায়।
#
শরীফুল/সেলিম/রফিকুল/জয়নুল/২০১৮/১৮০০ঘণ্টা
তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ১০৯১
 
বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারীদের মার্চ মাসের বেতনের চেক হস্তান্তর
ঢাকা, ২১ চৈত্র ( ৪ এপ্রিল ) :
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরাধীন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের (স্কুল ও কলেজ) শিক্ষক কর্মচারীগণের মার্চ-২০১৮ মাসের বেতনভাতাদির সরকারি অংশের ৮ টি চেক অনুদান বণ্টনকারী অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, প্রধান কার্যালয়ে এবং জনতা ও সোনালী ব্যাংক লিমিটেড, স্থানীয় কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যাংক হতে মার্চ/২০১৮ মাসের বেতন-ভাতাদির সরকারি অংশ উত্তোলন করা যাবে।
 
#
 
নাসির/রিফাত/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১৩১১ ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর ঃ ১০৯০
 
‘মুক্তির দীপশিখা বঙ্গবন্ধু’ তথ্যচিত্র উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন মন্ত্রী 
ঢাকা, ২১ চৈত্র ( ৪ এপ্রিল ) :
দুই বাংলার মৈত্রী, ভারত-বাংলাদেশ সৌহার্দ্যরে লক্ষ্যে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি এবং মৌলবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শকে বাঁচিয়ে রাখতে 
‘মুক্তির দীপশিখা বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক তথ্যচিত্রের সিডি আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের নিকট হস্তান্তর করেন তথ্যচিত্রের প্রধান উদ্যোক্তা ও পৃষ্ঠপোষক সম্রাট তপাদার। 
নৌপরিবহন মন্ত্রী তাঁর কার্যালয়ে তথ্যচিত্রের সিডি উদ্বোধন করেন। এসময় রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক উপস্থিত ছিলেন। 
বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে  এবছরের ১৭ মার্চ কলকাতায় তথ্যচিত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদর্শন করা হয়। তথ্যচিত্রটিতে বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের সাক্ষাৎকার রয়েছে। 
তথ্যচিত্রটি প্রকাশ করেছে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরের বেঙ্গল স্বামী বিবেকান্দ অ্যান্ড রাজীব ইয়ূথ সেন্টার। এ ইয়ূথ সেন্টারের কর্ণধার হচ্ছেন সম্রাট তপাদার। এ পর্যন্ত ১০ হাজার সিডি কলকাতা ও বাংলাদেশে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। 
 
 
#
 
জাহাঙ্গীর/রিফাত/সুবর্ণা/শামীম/২০১৮/১৪৫১ ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ১০৮৯
 
 
মামদুদুর রহমান চৌধুরীর মৃত্যুতে জনপ্রশাসন মন্ত্রী ও সিনিয়র সচিবের শোক
ঢাকা, ২১ চৈত্র ( ৪ এপ্রিল ) :
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ইসমাত আরা সাদেকের ছোট ভাই ও জাতীয় পার্টির সাবেক মন্ত্রী মামদুদুর রহমান চৌধুরী আজ ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি...........রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। তিনি হৃদরোগে ভুগছিলেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব 
ড. মো. মোজাম্মেল হক খান মামদুদুর রহমান চৌধুরীর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
 
#
 
মাসুম/রিফাত/সুবর্ণা/রেজ্জাকুল/শামীম/২০১৮/১৩১১ ঘণ্টা 
 তথ্যবিবরণী                                                                                        নম্বর : ১০৮৮  
 
টোকিও ফ্যাশন ওয়ার্ল্ডে বৃহৎ পরিসরে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ
 
টোকিও (জাপান), ৪ এপ্রিল :
 
জাপানের রাজধানী টোকিওতে আজ থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে টোকিও ফ্যাশন ওয়ার্ল্ড-২০১৮। এ মেলা 
৬ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। ফ্যাশন ওয়ার্ল্ডে এবার বাংলাদেশ থেকে সর্বাধিকসংখ্যক উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করছে। বাংলাদেশি প্যাভিলিয়নের উদ্বোধন করেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। 
টোকিও বিগ সাইটে অনুষ্ঠিত এই মেলায় বাংলাদেশের ৪৪টি নিটওয়্যার ও চামড়া শিল্পপ্রতিষ্ঠান তাদের দ্রব্যাদি প্রদর্শন করছে। বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো মেলায় বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও নেতৃত্ব দিচ্ছেন। অংশগ্রহণকারী ব্যবসায়ীগণ আশা করছেন, এই আয়োজনে অংশগ্রহণ করার মধ্য দিয়ে তারা জাপানিসহ অন্যান্য দেশের ব্যবসায়ীদের সাথে পরিচিত হতে পারবেন এবং এর মাধ্যমে দু’দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে মতবিনিময় এবং অধিকসংখ্যক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করা সম্ভব হবে। মেলাটি দু’দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীগণ মনে করছেন। 
মেলার পাশাপাশি সেমিনার ভেন্যুতে বাংলাদেশের নিটওয়্যার এবং জাপানে বাংলাদেশের নিটওয়্যারের সম্ভাবনা নিয়ে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। তিনি বলেন, জাপানে বাংলাদেশি উন্নতমানের পণ্যসামগ্রীর বাজার সম্প্রসারণে এ মেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে এবং জাপান-বাংলাদেশ বাণিজ্য সম্পর্ককে আরো গভীর করতে সহায়তা করবে। আলোচকগণ বাংলাদেশে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ এবং বাংলাদেশ সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা বিষয়ে সবার কাছে তুলে ধরেন। 
#
 
শিপলু/রিফাত/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৮/১৫০০ ঘণ্টা
 
তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর : ১০৮৭ 
 
কুনিও হোশি হত্যা মামলার আইনজীবী রথীশ চন্দ্রের মৃত্যুতে আইনমন্ত্রীর শোক
ঢাকা, ২১ চৈত্র (৪ এপ্রিল) :   
জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা মামলার প্রধান আইনজীবী ও রংপুর বিশেষ জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের মৃত্যুতে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। 
আইনমন্ত্রী আজ এক শোকবার্তায় বলেন, রথীশ চন্দ্র ভৌমিক ছিলেন একজন নির্ভীক আইনজীবী। তিনি অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে এবং দক্ষতার সাথে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যা মামলার প্রধান আইনজীবী হিসেবে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন এবং দ্রুততম সময়ে মামলা নিষ্পত্তিতে কার্যকর  ভূমিকা পালন করেন। 
শোকবার্তায় আইনমন্ত্রী রথীশ চন্দ্রের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। উল্লেখ্য তিনি কয়েকদিন যাবৎ নিখোঁজ ছিলেন। 
#
 
 
রেজাউল/রিফাত/রেজ্জাকুল/আসমা/২০১৮/১৩২০ ঘণ্টা 
 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                                  নম্বর : ১০৮৬
নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
 
ঢাকা, ২১ চৈত্র ( ৪ এপ্রিল ) :
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ এপ্রিল হতে শুরু নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০১৮ উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান 
করেছেন :
“নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রতিবছরের মতো এবারও বাংলাদেশে নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০১৮ পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘নৌশিল্পে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া, যাত্রা হবে নিরাপদ এটাই আমাদের  চাওয়া’ সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। 
বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া শত শত নদনদী ও বঙ্গোপসাগর দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকা-ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নদীপথে মালামাল পরিবহণ সাশ্রয়ী, পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ ও আরামদায়ক। নদীপথেই দেশের অভ্যন্তরীণ বাণিজ্যের সিংহভাগ পরিবাহিত হয়। 
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নৌসেক্টরের গুরুত্ব অনুধাবন করে উন্নয়নের যে ধারা শুরু করেছিলেন, তা অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সরকার নৌপরিবহণের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখেছে। যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে আমরা নৌপথের উন্নয়নে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করেছি। নিরাপদ নৌযান তৈরিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে নৌযানের নির্ভুল নকশা তৈরির পাশাপাশি এ সকল নৌযানের চলাচলকে আরো নিরাপদ করতে আধুনিক ও সময়োপযোগী পন্টুন ও জেটি স্থাপন  করেছি। নৌদুর্ঘটনা হ্রাসে নদীবন্দরসমূহে নিরাপত্তা জোরদার, ত্রুটিপূর্ণ নৌযান শনাক্তকরণ, নাবিকদের প্রশিক্ষণ আধুনিকীকরণ, নৌনিরাপত্তা বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম ও আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণসহ নানাবিধ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এর ফলে নৌযানে যাত্রী সাধারণের চলাচল আরো নিরাপদ হয়েছে।
আমি আশা করি, নিরাপদ নৌভ্রমণ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা আরো তৎপর হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি নিরাপদ নৌব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হবো। এজন্য আমি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা সমূহকে প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা প্রদানের উদাত্ত আহ্বান  জানাচ্ছি। 
আমি বিশ্ব ‘নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০১৮’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি। 
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
        বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”
#
ইমরুল/রিফাত/শহিদ/জসীম/সুবর্ণা/শামীম/২০১৮/১০৪১ ঘণ্টা 
 
তথ্যবিবরণী                                                                                                   নম্বর ঃ ১০৮৫
নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী  
ঢাকা, ২১ চৈত্র ( ৪ এপ্রিল ) :
রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ৫ এপ্রিল হতে শুরু নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০১৮ উপলক্ষে নি¤েœাক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“অভ্যন্তরীণ নদীপথে যাত্রীনিরাপত্তা সুরক্ষিত রাখার প্রচেষ্টায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ‘নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০১৮’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। 
বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। এ দেশের উপর দিয়ে শিরা উপশিরার মতো বয়ে চলেছে ছোটো বড়ো অসংখ্য নদী। অতীতে কাঠের তৈরি ছোটো বড়ো পালতোলা নৌযান ছিল নদীপথে বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ ও ব্যবসা বাণিজ্যের প্রধান মাধ্যম। কালের বিবর্তনের সাথে সাথে কাঠের তৈরি নৌযানের স্থলে আসে স্টিলের তৈরি নৌযান। যান্ত্রিক নৌযানের ব্যবহার নৌপথে যাত্রী পরিবহণ ও ব্যবসা বাণিজ্যে এনেছে গতিশীলতা। বর্তমান প্রক্ষাপটে এ বছরের নৌনিরাপত্তা সপ্তাহের মূল প্রতিপাদ্য ‘নৌশিল্পে লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া, যাত্রা হবে নিরাপদ এটাই আমাদের চাওয়া’ যুক্তিযুক্ত হয়েছে বলে আমি মনে করি। তবে নৌপথের নিরাপত্তা বিধানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের পাশাপাশি প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরিতে এগিয়ে আসার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।  
নদীবেষ্টিত বাংলাদেশে নৌসপ্তাহ পালনের গুরুত্ব অপরিসীম। অন্যান্য পরিবহণের ত
Todays handout (6).docx Todays handout (6).docx

Share with :

Facebook Facebook